পোস্টগুলি

কোন্নগরে রাজরাজেশ্বরী সেবা মঠে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আয়োজন

ছবি
 কোন্নগরে রাজরাজেশ্বরী  সেবা মঠে  কোজাগরী লক্ষ্মী  পূজার আয়োজন পুলক চক্রবর্তী, কোন্নগর, ৬ই অক্টোবর সোমবার:- কোন্নগর রাজেশ্বরী মহালক্ষী মাতার মন্দিরে হিন্দু শাস্ত্র বিধি মেনে পালিত হল কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা। জগৎ গুরু শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত রাজ রাজেশ্বরী মন্দির তথা সেবা মঠের উক্ত দিবসে প্রথমে সিদ্ধি দাতা গণেশের আরাধনা করে শাস্ত্রবিধি অনুসারে কোজাগরি লক্ষী মাতার পূজা সুসম্পন্ন হল। এমনিতেই এই মন্দিরে মহালক্ষ্মী রাজরাজেশ্বরী মাতার পিঠস্থান তার মধ্যে হিন্দু শাস্ত্র বিধি অনুসারে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার প্রচলন যা ঘরে ঘরে পালিত হয়ে আসছে সেই উৎসব এই রাজরাজেশ্বরী মাতার মন্দিরে বিপুল সমারোহে পালিত হলো। এই দিন সকলে দেবীরূপ কে বা যোগিনীদের পূজা করা হয়। পঞ্চামৃত তে অভিষেক করানো হয়। মহালক্ষী মাতার কোজাগরী রূপের পূজা তথা শস্য দানার পূজা করা হয়। এই দিন মাতা রাজরাজেশ্বরী বা মহালক্ষী মাতা কে বেনারসি এবং ওড়না সাজে অলংকৃত ও সুসজ্জিত করা হয়। শ্রীযন্ত্রের ও শঙ্খের পূজা বিশেষভাবে করা হয়, এছাড়া হোম যজ্ঞ করা হয়। এই মন্দিরে শ্রী যন্ত্র তথা মাতা কে বিভিন্ন প্রকার ভোগ নিবেদন করা হয়। অন্ন ...

বন্যা ভাসায় উত্তরবঙ্গ, ঢাকের তালে নাচে শহর

ছবি
 বন্যা ভাসায় উত্তরবঙ্গ,  ঢাকের তালে নাচে শহর  অয়ন মুখোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ জলমগ্ন। নদীর জল উপচে পড়েছে বাঁধ ভেঙে গেছে , রাস্তা ভেসে গেছে, ঘরবাড়ি ডুবে আছে। কোমর জলে মানুষ কেউ গাছের ডালে বসে বাঁচার চেষ্টা করছে, কেউ প্লাস্টিকের বোতল বেঁধে বানানো ভেলায় করে খাবার আনছে। সরকারি খবরে বলা হচ্ছে—“সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” কিন্তু যাদের ঘর ভেসে গেছে, তারা জানে সেই ব্যবস্থার নামটা কেবল কাগজে থাকে, মাটিতে নয়। এইদিকে কলকাতায় চলছে উৎসব। আলো, সাজ, বাজনা। মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে হাসছেন, তাল মিলিয়ে নাচছেন, মাইকে চলছে তার কণ্ঠে গান। বলা হচ্ছে—“এটা আগেই ঠিক করা ছিল।” যেন বিপর্যয়টা দেশের বাইরে ঘটেছে, আমাদের জীবনে নয়। দুই বাংলার ছবি এক নয়, দুই জগৎ। উত্তরবঙ্গে মানুষ খুঁজছে শুকনো খাবার, দক্ষিণবঙ্গে মানুষ খুঁজছে ভালো অ্যাঙ্গেল—সেলফি তোলার জন্য। টেলিভিশনে দেখা যায়, একদিকে ত্রাণ শিবিরের ভিড়, আর অন্যদিকে কনসার্টের ভিড়। এই সময়ে মানুষ খেয়ালই করে না—আমরা কতটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি নির্লিপ্ত থাকতে। কেউ মরে গেলে খবরটা আমাদের চোখে এক মিনিটও থাকে না, আমরা স্ক্রিনটা বদলে ফেলি। পরের ভিডিও, পরের গান, পর...

আখের বিক্রি তে লক্ষীলাভ আখ চাষীদের

ছবি
আখের বিক্রি তে লক্ষীলাভ  আখ চাষীদের  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : (পুলক চক্রবর্তী) লক্ষ্মীপুজোর আগে আখ বিক্রি করে লক্ষ্মী লাভ চাষিদের। পাইকারি বাজারে প্রতি পিস আখের দাম এখন ৮ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার আখচাষিরা। লক্ষ্মীপুজোয় আখের বিশেষ চাহিদা থাকে, সামনেই আবার ছটপুজো— ফলে বাজারে চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা চাষিদের। এক বিঘা জমিতে আখ চাষে খরচ হয় প্রায় ২০-৩০ হাজার টাকা, আর বিক্রির সময়ে মিলছে প্রায় এক লাখ টাকার কাছাকাছি লাভ। একই জমিতে সাথী ফসল ফলানোয় দ্বিগুণ মুনাফা পাচ্ছেন কৃষকরা। নাদনঘাট থানার গোয়ালপাড়া রাজ্যের অন্যতম বড় আখের পাইকারি বাজার। এখান থেকে আখ যায় কলকাতা, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত। স্থানীয় আখচাষি সাহেব আলি শেখ বলেন, এবার আখের ভালো দাম মিলছে। আরেক চাষি শেখ সের মণ্ডলের কথায়, আখ চাষে পরিশ্রম অনেক, কিন্তু লাভও তার চেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে উৎসব মরশুমে আখ চাষেই হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।

পুরোহিত, হস্তরেখা ও শাসকের সত্য

ছবি
 পুরোহিত, হস্তরেখা ও  শাসকের সত্য অয়ন মুখোপাধ্যায় শান্তা দত্তের উক্তিটি একাধারে দার্শনিক, সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক। তিনি বলেছেন, পুরোহিত জানেন ভগবান বলে কিছু নেই, হস্তরেখাবিদ জানেন হাতের দাগে ভবিষ্যৎ লেখা নেই, আর শাসক জানেন স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। এই তিনটি দৃষ্টান্ত আসলে একই সূত্রে গাঁথা। প্রতিবারই যাঁরা একটি ব্যবস্থার ভেতরে প্রবেশাধিকার পান, যাঁরা তার অন্তর্লোক দেখেন, তাঁরাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন সেই ব্যবস্থার ভেতরে কতটা ফাঁপা আর কতটা ভ্রান্তি লুকিয়ে আছে। সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে যা বিশ্বাস করে, যা ভক্তিভরে মেনে চলে, ভেতরের মানুষ জানেন তার প্রকৃত রূপ। ধর্মের ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন স্পষ্ট। সাধারণ মানুষ দেবতার কাছে প্রার্থনা করে, দুঃখে কাতর হলে মন্দিরে যায়, পূজার্চনায় মন দেয়। কিন্তু পুরোহিত জানেন দেবতা আসলে মূর্তির মধ্যে নেই, তাঁর কাছে দেবতা হচ্ছে আচার, মন্ত্র আর প্রতীক। পুরোহিতের অস্তিত্ব টিকে আছে ভক্তের বিশ্বাসের উপর, অথচ পুরোহিত নিজে জানেন সেই বিশ্বাসের কতটা মায়া। ইতিহাসে দেখা যায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বহু সময়েই মানুষের আবেগকে শাসনের হাতিয়ার বানিয়েছে। দেবতা বা ঈশ্বরের অস্তিত্বকে রাজনৈত...

পূজোর কার্নিভালে 🔴 মানুষের ঢল

ছবি
পূজোর কার্নিভালে 🔴 মানুষের ঢল                           শ্রীরামপুরে পূজোর কার্নিভাল  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : হুগলি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার পূজোর কার্নিভাল আয়োজিত হল শ্রীরামপুরে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জেলা শাসক শ্রীমতি মুক্তা আর্যা, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক শ্রী প্রবাল বসাক, বিধায়ক শ্রী অরিন্দম গুই, শ্রী সুদীপ্ত রায়, শ্রী অসিত মজুমদার, মাননীয় সাংসদ শ্রী কল্যাণ ব্যানার্জী। কার্নিভালে বৈদ্যবাটী পৌরসভার ট্যাবলো মাননীয় সিপি শ্রী অমিত পি জাগলাভি, বিধায়িকা শ্রী অসীমা পাত্র, চন্দননগরের মেয়র শ্রী রাম চক্রবর্তী, শ্রীরামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান শ্রী গিরিধারী সাহা, বৈদ্যবাটী পৌরসভার চেয়ারম্যান শ্রী পিন্টু মাহাত, রিষড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান বিজয়সাগর মিত্র প্রমুখ। সারা জেলা থেকে ১৭ টি পূজো কমিটি অংশগ্রহণ করে। শুধু পূজা প্রতিমা ই নয় বিভিন্ন পৌরসভার উদ্যোগে সুসজ্জিত ট্যাবলো ছিলো। পূজো কমিটি গুলির পক্ষে নৃত্যশিল্পী রা দুর্গার সাজে নৃত্য পরিবেশন করেন। হরিপাল থেকে আদিবাসী নৃত্যের টিম অংশগ্রহণ করেন। রায়বেশে, ছৌ, রণপা স...

৭০ হাজার কিউসেক জল ছাড়লো ডিভিসি বন্যা পরিস্থিতির সম্ভাবনা নিম্ন দামোদর উপত্যকায়

ছবি
৭০ হাজার কিউসেক জল  ছাড়লো ডিভিসি  বন্যা পরিস্থিতির সম্ভাবনা  নিম্ন দামোদর উপত্যকায় ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  প্রবল বৃষ্টির জেরে জল ছাড়তে চলেছে ডি ভি সি। পাঞ্চেত ও মাইথন ড্যাম্ব থেকে ৬৯ হাজার ৪২৫ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে খবর। যার জেরে পূজোর পরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে নিম্ন দামোদর অববাহিকায়। পশ্চিমবঙ্গ মেদিনীপুরের ঘাটাল, হুগলীর আরামবাগ ও খানাকুলে নদী ও খাল গুলিতে জল বেড়েছে বলে খবর। খানাকুলের বাসিন্দা পল্লব মৈত্র জানান নদী গুলি বিপদসীমার কাছ দিয়ে বইছে কি হবে এখনই বলতে পারছি না।

ফ্লোটিলার আলো আর মানুষের জেগে থাকা

ছবি
ফ্লোটিলার আলো  আর মানুষের  জেগে থাকা অয়ন মুখোপাধ্যায় পৃথিবীর ইতিহাসে এমন মুহূর্ত অনেকবার এসেছে, যখন অচেনা মানুষ একে অপরের জন্য দাঁড়িয়েছে। কোনও ভূখণ্ডের সীমান্তের মধ্যে আটকে না থেকে, কোনও জাতীয়তাবাদী গর্বে না ভেসে গিয়ে, তারা দাঁড়িয়েছে কেবল মানুষ হিসেবেই। আজ যখন আমরা ভাবছি, আদর্শ বলে কিছু বাকি নেই, স্বপ্ন বলে কিছু নেই, প্রত্যেক মানুষ শুধু নিজের মুনাফা গোনে, নিজের আরামের ঘেরাটোপে লুকিয়ে থাকে—ঠিক সেই সময়ে সমুদ্রের বুকে ভেসে উঠেছে এক অভাবনীয় দৃশ্য। ফ্লোটিলা। এটা কোনও বাণিজ্যিক বহর নয়, কোনও রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও নয়। প্রায় ৪৪টি দেশের পাঁচ শতাধিক মানুষ একসাথে সমুদ্রযাত্রায় নেমেছেন। লক্ষ্য একটাই—ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো। গাজার রক্তাক্ত মাটির জন্য, শ্বাসরুদ্ধ মানুষের জীবনের জন্য, স্বাধীনতার ডাকের জন্য তারা পাড়ি দিয়েছে এক অনিশ্চিত সমুদ্রপথে। ভেসে চলেছে বারোটি জাহাজে, ঝড়ের ভয় উপেক্ষা করে। সেই যাত্রার সঙ্গী হয়েছে ডলফিনের দলও। প্রকৃতিও যেন এই স্বপ্নযাত্রার অংশীদার। কিন্তু বাস্তব কতটা নিষ্ঠুর। গভীর রাতে ইজরায়েলি নৌসেনা থাবা বসিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করেছে বারোটি জাহাজ। ...