পোস্টগুলি

জানুয়ারি ৯, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভারত নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সৌর জোট থেকে সরে দাঁড়ালো আমেরিকা

ছবি
ভারত নেতৃত্বাধীন  আন্তর্জাতিক  সৌর জোট থেকে  সরে দাঁড়ালো আমেরিকা  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : বিশ্ব উষ্ণয়ন রোধে ভারতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে সরে দাঁড়ালো ট্রাম্পের আমেরিকা। ওয়াশিংটন সূত্রে খবর ট্রাম্পের নির্দেশে ৬৬ টি আন্তর্জাতিক জোট বা চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে আমেরিকা। সম্প্রতি বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে সৌরবিদ্যুৎ কে বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। সেই মর্মে UN ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন থেকে ভারতের নেতৃত্বে ও ফ্রান্সের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সৌর জোট তৈরী হয়েছিলো। যার শরিক ছিলো আমেরিকা। সেই জোট থেকেই আমেরিকা সরে দাঁড়ালো।  গত ৭ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট র ওভাল অফিস থেকে প্রকাশিত মেমোরেন্ডামে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য ৩১ টি জাতিপুঞ্জ গত সংস্থা সহ আরও ৩৫ টি সংস্থার ক্ষতি হবে বলেই জানা গেছে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থাগুলির ও ক্ষতি হবে বলেই খবর। ২০২৭ সালের জন্য ১. ৫ ট্রিলীয়ন ডলারের ডিফেন্স বাজেট ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। ভারতের প্রতি মার্কিন মনোভাব কে স্পষ্ট করছে এই নীতি বলে মতামত ভারতীয় কূটনীতিক দের। আগামী ভবিষ্যতে ট্রাম্পের নীতির জন্য ভারত মার্কিন সম্পর্কে যে ফাটল বাড়ত...

বিশ্ব ইজতেমার হাত ধরে পুঁইনানের খ্যাতি আজ বিশ্ব জুড়ে

ছবি
 বিশ্ব ইজতেমার  হাত ধরে  পুঁইনানের খ্যাতি  আজ বিশ্ব জুড়ে সেখ জিন্নাত আলি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার পোলবা-দাদপুর ব্লকের পুঁইনান গ্রামটি বর্তমানে কেবল একটি বর্ধিষ্ণু জনপদ নয়। আজ অর্থাৎ 2026 সালে এটি বিশ্বের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এক অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিশ্ব ইজতেমার জন্য পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার পুঁইনান লক্ষ লক্ষ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় এবছর। হৃদয়ের সন্ধানে বিশ্ব ইজতেমা, বাংলার পল্লিপ্রকৃতির শান্ত কোলে অবস্থিত হুগলির পুঁইনান গ্রামটি এবছর কয়েক দিনের জন্য এক বিশাল জনারণ্যে পরিণত হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ভিড় থাকলেও, এর মূল সুরটি হলো আধ্যাত্মিকতা, আত্মশুদ্ধি এবং বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনা। দিল্লির নিজামুদ্দিন ইজতেমার আদলেই এখানে তবলিগি জামাতের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজিত হয়। পুঁইনানের ইজতেমা কেবল একটি ধর্মীয় সমাবেশ নয়। এটি মানুষের অন্তরের কলুষতা দূর করার এক পাঠশালা বলা যেতে পারে। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সামিয়ানার নিচে যখন এক কোটির অধিক মানুষ একসাথে কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে সিজদাহ করেন, তখন সেখানে কোনো ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ থাকে না। ইসলামের মূল শিক্ষা—শান্ত...

ভোররাতে বিধ্বংসী আগুন সাগর মেলায়

ছবি
ভোররাতে বিধ্বংসী  আগুন সাগর মেলায় ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : কুম্ভের স্মৃতি উস্কে ভয়াবহ আগুন এবার গঙ্গাসাগরে। গঙ্গাসাগর মেলার অস্থায়ী ছাউনির বড় অংশে আগুন লাগে। আগুন দাবানলের মতো একে একে ছাউনি তে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ, রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, সাংবাদমাধ্যম ও বজরং পরিষদের একাধিক শিবিরে আগুন লাগে। পুণ্যার্থী দের শিবিরে আগুন লাগেনি তবে প্রতি বছর মকর স্নান করতে গোটা ভারত থেকে বিশাল মানুষ গঙ্গাসাগরে পূন্যস্নান করতে আসেন। সনাতনী বিশ্বাস সমুদ্র মন্থণের পর পূন্যতোয়া সাগরের মোহনায় অমৃত বিন্দু পড়েছিলো। কনকনে ঠান্ডায় এই জলে চান করলে রোগমুক্তি ও পুন্য লাভ হয়। আধ্যাত্মিক শান্তি লাভের জন্য সাধু রা এই স্নানে সামিল হন।