পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মা দুর্গার বোধন ও মফঃস্বলের পূজা চর্চা

ছবি
   মা দুর্গার বোধন ও  মফঃস্বলের পূজা চর্চা শুভ্রজ্যোতি মজুমদার 🔴 দূর্গা পূজার সম্পর্কে আমার চিরকাল একটা শিশু সুলভ ভালোবাসা ছিলো এখনো তার কিঞ্চিৎ অবশিষ্ট রয়েছে। এখন অবশ্য সেই টিনের বন্দুক আর পিচ বোর্ডের বাক্সে ভরা লাল ক্যাপ বারুদের গন্ধ চট পট শব্দের উচ্ছাস নেই। শৈশব আর নেই মাথাভরা চুল গিয়ে প্রশস্ত টাক। কিন্তু পূজার উচ্ছাস আজও অমলিন। ছেলেবেলা থেকেই বনেদি বাড়ির দুর্গাপূজা থেকে থিম সব পূজোর প্রতি আমার আগ্রহ প্রবল। আজ পঞ্চমীর শুভ লগ্নে তার কিছু অংশ পরিবেশন করবো।  🔴  পঞ্চমী তে আমার সাথে তার পূজোর অনুভূতি শেয়ার করেছেন হিন্দি ভারত পত্রিকার সাংবাদিক আমার বন্ধু শ্রী পুলক চক্রবর্তী। কোন্নগরে তার বাড়ির কাছের ঘোষাল বাড়ির দুর্গাপূজার কিছু ছবি ও ধারাবাহিক তথ্য তুলে ধরেছেন আজ সেটা দিয়েই আমাদের শারদ চর্চা শুরু করবো।  কোন্নগর ঘোষাল বাড়ি র ঠাকুরদলান ও বাড়ির দূর্গা প্রতিমা  🔴পুলক চক্রবর্তী : গোটা ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা কে ঘিরে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বনেদি বাড়ির পুজোগুলোতে রীতি নীতি মেনে পুজোর আয়োজন চলছে। হুগলি জেলার মধ্যে অন্যতম বনেদি জমিদার বাড়ির পূ...

রামমোহন থেকে রাইট টু ইনফরমেশন : প্রশ্নের ভেতরেই স্বাধীনতা

ছবি
রামমোহন থেকে  রাইট টু ইনফরমেশন :  প্রশ্নের ভেতরেই স্বাধীনতা অয়ন মুখোপাধ্যায়  রামমোহন রায়কে আমরা যতই ভক্তিভরে স্মরণ করি না কেন, তিনি আসলে ছিলেন একেবারে অস্বস্তিকর মানুষ। কারণ তিনি প্রশ্ন করতে জানতেন। সমাজ যখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিল, তখন তিনি এসে বললেন—“বিধবাকে কেন পুড়তে হবে?” সমাজ যখন ভেবেছিল, মেয়েদের শিক্ষার দরকার নেই, তখন তিনি বললেন—“মেয়ে মানুষ, ওদেরও মাথা আছে।” একে তখনকার গোঁড়ারা দেখলেন ভয়ঙ্কর ধাক্কা হিসেবে। প্রশ্ন মানেই আসল সমস্যা। অন্ধকারে সবাই ভালো ঘুমোয়, আলো জ্বলে উঠলেই চোখে ঝাঁঝ ধরে। আজ যখন 2025 এ আমরা নিজেদের গর্ব করে বলি—আমরা গণতান্ত্রিক নাগরিক। কিন্তু এই নাগরিকের পরিচয়টাই আসলে তৈরি হয় প্রশ্ন করার ভেতর দিয়ে। আর সেই প্রশ্ন করার আইনগত অধিকার আমাদের দিয়েছে Right to Information। নাম শুনলেই অনেকে কুঁকড়ে যান। কারণ RTI মানে তো সরকারকে, আমলাকে, নেতাকে, ঠিকাদারকে, দপ্তরকে জবাব দিতে হবে। অথচ তাঁরা তো অভ্যস্ত প্রশ্ন করতে, উত্তর দিতে নয়। ফলে RTI-র আবেদন পড়লে অনেক দপ্তরের অবস্থা হয় ঠিক যেমন রামমোহনের বক্তৃতা শুনে পাড়ার গোঁড়াদের হতো—মুখ গম্ভীর, ভুরু কুঁচকানো, ঠোঁট থেকে ভাঁটার ...