পোস্টগুলি

অক্টোবর ১৫, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
অমৃতলোকে চলে গেলেন  মহাভারতের কর্ণ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  চলে গেলেন মহাভারতের কর্ণ পঙ্কজ ধীর। বি আর চোপড়ার মহাভারত সিরিজে কর্ণের ভূমিকায় অভিনয় করে প্রসিদ্ধ হয়েছিলেন সারা দেশে। কুমারী মায়ের পুত্র কর্ণের জীবনযন্ত্রনা স্বয়ং আদিত্য র পুত্র হওয়া শস্ত্র বিদ্যায় মহা পারদর্শী কর্ণের ভূমিকা অপূর্ব উপস্থাপন করেছিলেন। চন্দ্রকান্ত দ্যা গ্রেট মারাঠা, যুগ, বড় বহু, সড়ক, সোল্ডার, বাদশা, টারজান দ্যা ওয়ান্ডার কার সিনেমায় সাইড রোল করেছিলেন। ভিলেনের ভূমিকায় ধীরের অভিনয় ফিল্ম সমালোচকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘদিন মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ১৯৫৬ সালে পাঞ্জাবে অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। বিভিন্ন ফিল্মে অভিনয় করলেও মহাভারতের মতো জনপ্রিয়তা ধীর অন্য কোন ফিল্মে পাননি। রেখে গেলেন স্ত্রী অনিতা ধর সহ অভিনেতা পুত্র নিকিতীন ধীর বর্তমান। এদিন সালমান খান পঙ্কজ ধীরের বাড়িতে গিয়ে পরিবার কে সমবেদনা জানাতে যান। ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো পঙ্কজ ধীরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছে। তার প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি।

লাইনে ফাটলের জেরে ব্লু লাইনে বিভ্রাট থমকে গেলো কলকাতা মেট্রোর চাকা

ছবি
 লাইনে ফাটলের জেরে  ব্লু লাইনে বিভ্রাট  থমকে গেলো  কলকাতা মেট্রোর চাকা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  লাইনে ফাটলের জেরে বন্ধ কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইন পরিষেবা। বুধবার মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন এলাকায় লাইনে ফাটল ধরা পড়ে। তরিঘড়ি ময়দান থেকে দমদম মেট্রো পরিষেবা ক্যানসেল করে দেওয়া হয়। দুপুর ১২ টা বেজে ৪০ মিনিট থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কলকাতা মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। স্টেশনে স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা লক্ষ করা যায়। অনেকে ট্রেনের মধ্যে আটকা পড়েন। দীর্ঘক্ষন পর চাঁদনী চক মেট্রো স্টেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স মেলার পর মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।
ছবি
দলিত হবার অপরাধে   উঠপীড়নের শিকার  খোদ এডিজিপি  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  দলিত হওয়ার অপরাধে অপমানিত হরিয়ানা পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার। হরিয়ানায় এ ডি জি পি পূরণ কুমারের বাসভবন থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। তিনি একটি চিঠিতে লিখেছেন দুর্নীতির সঙ্গে তিনি কোনোদিন আপোষ করেন নি। কিন্তু হরিয়ানা পুলিশের আই জি দলিত হবার জন্য তার ডানা ছাটার চেষ্টা করছেন। দুর্নীতিগ্রস্থ দের অতিরিক্ত সুযোগ দিচ্ছেন।  দেশের সংবিধান বলছে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। তাহলে সরকারী একজন আমলাকে এরকম ভাবে অপমানিত করা হবে কেন? শত সহস্রাব্দ ধরে যারা সমাজের উঠপীড়নের শিকার এই একবিংশ শতাব্দীতেও তাদের ওপর অত্যাচার হবে কেন? এই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে ভারতবর্ষের বর্তমান চিত্র। যেখানে দলিত শুধু ভোটে আছে বাকি সারা বছর তাদের ছায়া গায়ে লাগাও পাপ।