পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভয়াবহ দূর্ঘটনা তামিলনাড়ুতে নির্মিয়মান বাড়ি ভেঙে মৃত ৯ শ্রমিক

ছবি
ভয়াবহ দূর্ঘটনা তামিলনাড়ুতে  নির্মিয়মান বাড়ি ভেঙে  মৃত ৯ শ্রমিক ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : অষ্টমীর দিন ভয়াবহ দুর্ঘটনা তামিলনাড়ু রাজ্যের চেন্নাই তে। এখনো পর্যন্ত যা খবর ৯ জন মানুষ এখনো পর্যন্ত মারা গেছেন। তামিলনাড়ু রাজ্য র এন্নোরে থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের কনস্ট্রাকশন সাইটে এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর। ৯ জন ছাড়া ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের তামিলনাড়ু রাজ্যের সরকারী হাসপাতাল স্ট্যানলি গভর্নমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার এক্স হ্যান্ডেলে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন এবং আহত দের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ড থেকে ৫০০০০ টাকা ও মৃত দের পরিবারকে দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছেন। এবং আহত দের দ্রুত সুস্থতার কামনা করেছেন।

মহাত্মা র মূর্তিতে হামলা লন্ডনে

ছবি
 মহাত্মা র মূর্তিতে  হামলা লন্ডনে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  গান্ধী জয়ন্তী ২ অক্টোবরের আগে সোমবার লন্ডনে গান্ধী জির মূর্তিতে হামলা। লন্ডনে ট্যাভিস্টক স্কোয়ারে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজে আইনের ছাত্র ছিলেন মহাত্মা। তার লন্ডনে থাকা ও বর্ণ বিদ্বেষবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান কে মনে রাখতে ১৯৬৮ সালে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো। লন্ডনে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন গান্ধী মূর্তির অমর্যাদার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। হাইকমিশানার স্যোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন এই হিংসাত্বক হামলা অহিংসার মনোভাবের ওপর হয়েছে। লন্ডনের ঐ শহরের মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছেন বলে খবর। যদিও লন্ডনে অবস্থিত ভারতীয়দের ও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে এই ঘটনার পেছনে পাক সমর্থকদের হাত থাকতে পারে যদিও ভারতীয় বংশদ্ভুত লন্ডনে অবস্থিত ভারতীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে ক্রমশ ইয়োরোপে অভিবাসন বিরোধী আন্দোলনের নামে তীব্র বর্ণবিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। গান্ধী জি র মূর্তি তে হামলা সেই মনোভাবের প্রকাশ। কোনটা সত্যি কোনটা মিথে সেই নিয়ে ধন্ধ বাড়ছে। 

নিঃসঙ্গতার শৈলচূড়ায় অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়

ছবি
 অভিনয়ের নৈতিকতা ও  অনুবাদের রাজনীতি:  নিঃসঙ্গতার শৈলচূড়ায়  অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়  অয়ন মুখোপাধ্যায় ১. ভূমিকায়: আলো নেভে, মঞ্চ নয় বাংলা থিয়েটারের আধুনিকতা যদি কেবল ‘নতুন ফর্ম’ বা ‘নতুন চমক’-এর সমার্থক না হয়ে, বরং দর্শকের নৈতিক বোধ ও রাজনৈতিক কৌতূহলকে একসঙ্গে নাড়া দেওয়ার প্রকল্প হয়— তবে তার একটি দৃষ্টান্তমূলক নাম অজিতেশ। তাঁর কাজ বরাবরই একটা দ্বিমুখী পরীক্ষাগার: একদিকে অভিনয়ের দেহ-শিল্প, অন্যদিকে অনুবাদ/আত্তীকরণের সামাজিক দর্শন। এই দ্বিমুখীতা–ই তাঁকে আলাদা করে। কারণ তিনি কখনও নাটককে সরল বার্তাবাহক করেননি, আবার বিমূর্ত নন্দন-চমকের খাতিরেও তাকে ভাসিয়ে দেননি। মঞ্চ তাঁর কাছে ছিল ‘বিষয়’ নয়, ‘পদ্ধতি’— যাকে দিয়ে সমাজকে পড়া যায়, এবং একইসঙ্গে সামাজিক পাঠের ভাষাটাকেও পরীক্ষা করা যায়। ২. শৈশব, ভয়, কল্পনা: অভিনয়ের প্রথম প্রয়োগশালা মানভূমের গ্রাম থেকে যুদ্ধের আতঙ্ক পেরিয়ে শহর— শিশুকালেই অজিতেশ বুঝেছিলেন, ভয়ের মধ্যেই কল্পনার দরজা খুলে যায়। যুদ্ধ মানুষের দেহে যে কাঁপন তোলে, অভিনয় সেই কাঁপনকে ‘রিদম’-এ বাঁধে। ঝালদার স্কুলঘরের বেঞ্চ, আসানসোলের চৌকি, কুলটি–...

সপ্তমীর পূজো কথা ও হারানো শৈশব

ছবি
সপ্তমীর পূজো কথা  ও হারানো শৈশব শুভ্রজ্যোতি মজুমদার আজ মহাসপ্তমী আজকে কিছু ছেলেবেলার কথা দিয়ে শুরু করবো। আমার এখনো মনে পড়ে আমার ছেলেবেলা কেটেছে সুন্দর ভাবে। গঙ্গার ধারে থাকতাম। বাড়ির সামনে হত দুর্গাপূজা। যখন ম্যারাপ বাঁধা হত ত্রিপল ফেলা হত তখন একটা অদ্ভুত উত্তেজনা হত। পূজোর চারটে দিনের মধ্যে তিনটে দিন বাড়ির উল্টোদিকে বাবার বন্ধুর বাড়ির উঠোনে বসতাম চেয়ার পেতে। হাতে থাকতো অজস্র ক্যাপ আর একটা ক্যাপ ফাটানোর বন্দুক। আমার ছেলেবেলা থেকেই খেলনা বন্দুকের প্রতি একটা অদ্ভুত মায়া ছিলো। জামা কাপড় হোক আর নাই হোক পূজো আসলে টিন বা প্লাস্টিকের ক্যাপ ফাটানোর বন্দুক চাই ই চাই। বাবা মহালয়ার পর থেকে মাসকাবাড়ি বাজার করতো। তেল, গুড়, মশলা, আটা, ময়দা ঘি র সাথে বরাদ্ধ হত বুড়িমার ক্যাপের বাক্স। চারটে করে আটটা ক্যাপের বান্ডিল থাকতো। তাতে প্রত্যেক বান্ডিলে বড় জোর ৮-৯ টা পিজবোর্ডের গোল বাস্কে ভরা ক্যাপ থাকতো। এক অদ্ভুত মাদকতা ছিলো ঐ বারুদের গন্ধে। পুরোনো নতুন মিলে বাড়িতে জমা খেলনা বন্দুক জড়ো করে বাড়ির পেছনের মাঠে খেলতে যেতাম। বন্ধু বান্ধব মিলে ছোটোখাটো গেরিলা যুদ্ধ চলতো। ফৌজি কায়দায় বন্ধুরা একে অপরকে ক্যাপ বন্দ...