পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তিনদিন ধরে নিখোঁজ চন্দননগরের ১৫ র কন্যা

ছবি
তিনদিন ধরে নিখোঁজ  চন্দননগরের ১৫ র কন্যা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : তিন দিন ধরে নিখোজ চন্দননগর কাটাপুকুরের ১৫ বছরের শিশু শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে খবর। বাচ্চাটির বাবার বাড়ি হুগলী জেলার কোদালিয়া গ্রামে। চন্দননগর কাটাপুকুর মসজিদ গলিতে মামার বাড়িতে বাচ্চাটি থাকতো। একদিনের বেশি নিখোঁজ থাকায় পরিবারের সদস্যরা পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। সমাজমাধ্যমে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি দেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পরিবার বর্গ যথেষ্ট উদ্বেগের মধ্যে আছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুমিত সরকার জানিয়েছেন বাচ্চা মানুষ নিখোঁজ তিনদিন ধরে কি হল কবে খোঁজ মিলবে কিছু জানা যাচ্ছেনা। আমাদের এলাকায় আগে এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ পেলে যোগাযোগের নং - 8296281718 / 9831692851      

মালদার ভূতনীতে বন্যা কবলিত এলাকায় এক রাতে দু’টি মৃত্যু

ছবি
মালদার ভূতনীতে  বন্যা কবলিত এলাকায়  এক রাতে দু’টি মৃত্যু পুলক চক্রবর্তী : ১৮ সেপ্টেম্বর - মালদার মানিকচক ব্লকের ভূতনী বন্যা কবলিত অঞ্চলে ফের ঘটল পরপর দু’টি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এক রাতের ব্যবধানে জলে তলিয়ে গেল দুই প্রাণ—এক কিশোরী ও এক যুবক। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।  সকালে ভূতনীর পশ্চিম নারায়ণপুরের মহেন্দ্রটোলা এলাকায় ঘটে প্রথম দুর্ঘটনা। জানা গেছে, এদিন ১২ বছরের হেমাঙ্গিনী মন্ডল বন্যার জলে স্নান করতে নামে তারই সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে। হঠাৎ করেই তলিয়ে যায় সে। পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা নৌকা ও জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টার পর উদ্ধার হয় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর নিথর দেহ। হেমাঙ্গিনীর বাবা বিজয় মন্ডল পেশায় কৃষক। মেয়ের অকাল মৃত্যুতে পরিবার শোকে ভেঙে পড়ে। পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।এর আগের দিন একই অঞ্চলের জুলাব্দিটোলা এলাকায় ঘটে আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা। বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ হারায় ২১ বছরের রোজ সেখ নামে এক যুবক। জানা গেছে, রোজ ছিলেন এলাকার এক মেধাবী ছাত্র। কিছুদিন আগে বাইরে পড়াশোনা থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। সেদিন তিনি এক বন্ধু...

বছর বছর প্রতিশ্রুতি মিলেছে কিন্তু কংক্রিটের ব্রিজ গঠন হয় নি

ছবি
বছর বছর প্রতিশ্রুতি মিলেছে  কিন্তু কংক্রিটের ব্রিজ গঠন হয় নি ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : গ্রামের মানুষ নিজেদের পকেটের টাকায় খানাকুলে বাঁধ গড়তে চাইছেন কিন্তু সরকারী তরফ থেকে বাঁধা  দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন গ্রামবাসীরা। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে বালিপুরে রাধানগর, ছত্রশাল গ্রামের অগণিত বাসিন্দা বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসিরা। খানাকুল ১ ব্লকের বালিপুর ও তাঁতিশালের মাঝে রয়েছে হরিণাখালি খাল। এক দুই কিমি অন্তর বেশ কয়েকটি গ্রাম জুড়ে দুই পাড়ের যাতায়াত নির্ভর করে বাঁশের ব্রিজের ওপর। নাহলে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে যাবে এলাকাগুলি। প্রশাসনিক কাজে আরামবাগ যেতে মুন্ডেশ্বরী রূপনারায়ণ পেরিয়ে যেতে হবে। কিন্তু বালিপুর এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকা বিচ্ছিন্ন রয়েছে হরিণখোলা খালের ওপর কোন কংক্রিটের পাকা ব্রিজ নেই। খানাকুলের কনকপুর গ্রামের মানুষ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ ৬০ লক্ষ টাকা খরচা করে একটা লোহার ব্রিজ তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চাঁদা তুলে নিজস্ব উদ্যোগে। কনকপুর গ্রামের মানুষ সরাসরি পথে নামেন, পার্শ্ববর্তী বালিপুর, পূর্ব রাধানগর গ্রামের কিছু মানুষ ও এই আন্দোলনে সামিল হন।    এই ব্রীজ নির্মাণ হলে ...

বঙ্গভাষা সংস্কৃতি চেতনা মঞ্চের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা

ছবি
বঙ্গভাষা সংস্কৃতি চেতনা  মঞ্চের প্রতিষ্ঠা দিবস  উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : হুগলী জেলার বৈদ্যবাটীর 'বঙ্গভাষা ও সংস্কৃতি চেতনা মঞ্চে'র পথচলার সূচনা ১৪০৭বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে বৈদ্যবাটী ক্লাব-এর মুক্ত মঞ্চে। বহু চড়াইউৎরাই পার করে এবৎসর মঞ্চে'র ২৫বর্ষ পূর্ত্তির বৎসর। মঞ্চে'র পক্ষ থেকে প্রতি বৎসর মূলতঃ মাতৃভাষা দিবস,সাহিত্য সভা,বসন্ত উৎসব,বাংলা নববর্ষ বরন,বিদ্যাসাগর জন্মজয়ন্তী,বিজয়া সম্মিলনী এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবছরেও বৈদ্যবাটী সুরেন্দ্রনাথ রায় বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনে সারাদিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-১৪৩২ কর্ম্মসূচীতে অংকন,আবৃত্তি,হস্তলিখন তিনটি বিভাগে এবং একটি বিভাগে প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মঞ্চে'র বর্ত্তমান সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত বিদ্যুৎ বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,এবৎসর বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ত্রিশতাধিক প্রতিযোগী কর্ম্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে। আগামী শীতকালের মধ্যবর্ত্তী সময়ে প্রতিযোগীদের হাতে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হবে। এদিনের কর্ম্মসূচীতে বিভিন্নস...

হাওড়া–ডানকুনি হয়ে সোজা ব্যান্ডেল, শেওড়াফুলি হয়ে তারকেশ্বর হুগলী জেলায় মেট্রোর প্রসার —এটাই সময়ের দাবি

ছবি
 হাওড়া–ডানকুনি হয়ে  সোজা ব্যান্ডেল, শেওড়াফুলি হয়ে তারকেশ্বর হুগলী জেলায় মেট্রোর প্রসার —এটাই সময়ের দাবি অয়ন মুখোপাধ্যায়  মেট্রো এখন আর শুধু কলকাতার ভেতরের পরিবহণ নয়, এটি গোটা মহানগর ও তার উপকণ্ঠের প্রাণরেখা। হাওড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছেছে, নদীর তল দিয়ে টানেল হয়েছে—এ এক অভাবনীয় সাফল্য। অথচ একই নদীর ওপারে দাঁড়ানো হুগলি জেলার মানুষ এখনও বঞ্চিত। প্রশ্ন তাই স্বাভাবিক—হুগলিকে কেন উপেক্ষা করা হচ্ছে? হুগলি এমন একটি জেলা যার চরিত্র দ্বিমুখী—একদিকে ইতিহাসের গৌরব, অন্যদিকে শিল্পাঞ্চলের কোলাহল। শ্রীরামপুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, উত্তরপাড়া, কোন্নগর, রিষড়া, শেওড়াফুলি—এই নামগুলো শুধু শহরের নাম নয়, এরা এক একটি জনবহুল কেন্দ্র যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কর্মসংস্থানের টানে কলকাতা ও হাওড়ায় যাতায়াত করেন। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ট্রেনের ভিড় আর বাসের ঠাসাঠাসি তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ এই ভিড়ের চাপ কমানো বা যাতায়াতকে মানবিক করার ক্ষেত্রে মেট্রোই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। দক্ষিণেশ্বর ছাড়াও বিকল্প, হাওড়া–ডানকুনি করিডর দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো আছে কিন্...

কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুটে যাত্রীদের ন্যায্য দাবি

ছবি
 কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুটে   যাত্রীদের ন্যায্য দাবি অয়ন মুখোপাধ্যায় কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুট পূর্ব রেলের প্রাণরেখা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই লাইনের উপর নির্ভর করে জীবিকা, শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা নিত্য প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। অথচ বছরের পর বছর ধরে এই রুটে যাত্রী পরিষেবা শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। ট্রেন সংখ্যা সীমিত, সময়সূচি বেহাল, গাদাগাদি ভিড়—এসব যেন নিয়মিত যাত্রীদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। অবাক করার বিষয়, ২০২২–২৩ অর্থবছরে আয় বেড়েছে—যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১.১৯ শতাংশ বেশি। আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা যেখানে গর্বের বিষয় হওয়ার কথা, সেখানে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রেলের আয় বাড়ছে, অথচ যাত্রীদের সুবিধা বাড়ছে না। বরং প্রতিদিনের যাত্রা হয়ে উঠছে দুর্বিষহ। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্টেশন আধুনিকীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়নের কাজের দোহাই দিলেও মূল সমস্যা থেকে যাচ্ছে অমীমাংসিত। ট্রেন সংখ্যা না বাড়ালে আধুনিক স্টেশন বা ঝকঝকে প্ল্যাটফর্ম কোনও যাত্রীকে স্বস্তি দিতে পারবে না। সকাল-বিকেলের ভিড়ের সময় দাঁড়াবার মতো জায়গা পাওয়া যায় না, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। দ...