পোস্টগুলি

আগস্ট ২৯, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জনবিন্যাস মিশন জনবিন্যাসগত 🔴 সুবিধালাভ কোনটা বেশি জরুরী?

ছবি
জনবিন্যাস মিশন  জনবিন্যাসগত                 🔴                সুবিধালাভ       কোনটা বেশি জরুরী?                     শ্রুতিনাথ প্রহরাজ গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবু তাদের মেন্টর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) সর্বগ্রাসী আধিপত্য কায়েম করার লক্ষ্যে, সরকারকে পুরোদস্তুর কাজে লাগাতে মরিয়া। স্বাধীনতা উত্তরকালে এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে গান্ধী হত্যা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতির কারণে অভিযুক্ত ও এই কারণে সেই সময়ে নিষিদ্ধ হওয়া সংগঠন আর এস এস কত ভালো, তা সবিস্তারে দেশবাসীকে শুনতে হলো। আসলে এদের গুরুদক্ষিণা প্রথা চালু আছে। একসময়ের নিষ্ঠাবান সঙ্ঘ প্রচারক বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী মোদি সঙ্ঘের শতবর্ষে তাঁর গুরুদক্ষিণা দিলেন ঠিক এইভাবেই, সঙ্ঘ  পরিবারের সরকারী স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে! একই সাথে সঙ্ঘ পরিবারের পরিকল্পনা কার্যকর করতে 'জনবিন্যাস মিশন' ঘোষণা করলেন। এই মিশন আদতে দেশের ম...

প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর কলকাতায় হামলা বিজেপির

ছবি
প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর  কলকাতায় হামলা বিজেপির ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি'র সদর কার্য্যালয়ে কলকাতায় হামলা বিজেপির। কংগ্রেসেরর ত্রীবর্ণ রঞ্জিত পতাকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বের মুখে কালী লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের দুত্রে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা রাকেশ সিং-এর নেতৃত্বাধীনে হামলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য বিদ্যুৎবরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ব্যক্তিগতভাবে আমি ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকারে শাসক পরিবর্ত্তনের পর হতেই বলেছিলাম,'দেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে'। অনেকেই তখন তা বিশ্বাস করেননি। পরবর্ত্তী সময়ে দেখা গেছে,দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারসহ সংবিধানও বিপন্ন হয়েছে। বর্ত্তমানে রাজনৈতিক আন্দোলনকে তীব্রতর করে তুলতে না পারলে দেশের মানুষের আদিঅন্ত কিছুই থাকবে না,এটা পরিষ্কার। ফ্যাসিস্ট রাজত্ব কায়েম হয়েছে দেশে একে রুখতেই হবে।  div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align...

মালদায় বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ

ছবি
 মালদায় বিজেপির  গোষ্ঠী সংঘর্ষ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: মধ্যরাতে বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত মালদহের চাঁচল। সংঘর্ষে রক্তাক্ত দুই পক্ষের অন্তত সাতজন। চাঁচলের আশ্রমপাড়ার ঘটনা। জখম এক পঞ্চায়েত সদস্য এবং আরও এক পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী। ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাড়তি পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপির দুই পক্ষের এমন সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় মালদহের মহকুমা শহর চাঁচলে। জানা গিয়েছে, চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের আশ্রমপাড়া বুথের বিজেপি সদস্য প্রসেনজিৎ শর্মা ও থানাপাড়া বুথের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বিজেপি নেতা সুমিত সরকারের দলবলের সংঘর্ষ হয়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সুমিত। অন্যদিকে মাথায় গুরতর আঘাত সহ আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য প্রসেনজিৎ শর্মা। সংঘর্ষে জখম এক যুবক পালিয়ে গেলেও অন্য চারজনের প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েছে পুলিশ।  ঘটনায় বিজেপির দুই পক্ষের নেতাই একে অন্যের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তৃণমূলের মদতে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও কী নিয়ে এই দুইজনের মধ্যে বিবাদ বা সংঘর্ষ তা এখনও স্পষ্ট নয়। ...

স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে শিবির

ছবি
স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে শিবির  গোপাল চক্রবর্তী, দক্ষিণ কলকাতায় হালতুর মিলনয়াতন ক্লাবে ২৮আগস্ট স্বাস্থ্য সচেতন বিষয়ে এক শিবির অনুষ্ঠিত হলো।ক্যালকাটা মেট্রোপোলিটন ইনস্টিটিউট অফ জেরন্টোলজি এবং ধৃ এর উদ্যোগে ও ভারত সরকারের সমাজ ও ন্যা য় কল্যাণ বিভাগের সাহযোগিতায় এদিনের শিবিরে ছোটো থেকে বহু বৃদ্ধ মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নিয়মিত যোগাভ্যাস, পুষ্টিকর খাদ্য, হাঁটা চলা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ছবি :শঙ্কর মন্ডল div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: justify;">

নজরুল প্রয়াণ দিবস পালন তথ্য দপ্তরের

ছবি
 নজরুল প্রয়াণ দিবস পালন  তথ্য দপ্তরের ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ যাত্রার দিনের বেতারে ভাষ্য পাঠ করেছিলেন বিদ্রোহী কবি নজরুল। শ্রীরামপুর মহকুমা তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে শুক্রবার পালিত হল বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস। শ্রীরামপুর ড্যানিশ গভর্নমেন্ট হাউসে এই অনুষ্ঠান হয়। শ্রীরামপুর মহকুমার মহকুমাশাসক শম্ভুদীপ সরকার এদিন এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন এডিও ট্রেজারির আধিকারিক সহ মহকুমা তথ্য আধিকারিক অন্বেষা গাঙ্গুলি, জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের বিশিষ্ট অধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ করে সায়নী দেবের কণ্ঠে ফিরিয়া যদি সে আসে মন্ত্রমুগ্ধ করে। ঝর্ণা মন্ডলের কণ্ঠে তোমার মহাবিশ্বে নজরুল গীতি এক অনন্য আবহ তৈরী করেছিল। অগ্নিভা ভদ্র দাস পিছুডাক কবিতা পরিবেশন করেন। মোট ১৫ জন শিল্পী কলাকুশলি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: just...

“বলাগড়ের অভিজ্ঞতা, বাংলার ভবিষ্যৎ: ভূমিপুত্র সংরক্ষণ না হলে কী হবে?”

ছবি
 “বলাগড়ের অভিজ্ঞতা,  বাংলার ভবিষ্যৎ: ভূমিপুত্র  সংরক্ষণ না হলে কী হবে?” অয়ন মুখোপাধ্যায়  বাংলা পক্ষ বহুদিন ধরেই দাবি করে আসছে—বাংলায় কর্মসংস্থানে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ না থাকলে বাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এই প্রসঙ্গে আজকেই মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকের পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম স্থানীয় বলাগড়ে র শ্রমিকরা ওখানে কাজ পাচ্ছে না তাঁর বক্তব্য থেকেই আমি প্রথম গভীরভাবে ভাবতে শুরু করি, বিশেষত আমি নিজে যেহেতু হুগলি জেলার বলাগড় বিধানসভার অন্তর্গত মানুষ, তাই চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আমাকে আরও বিচলিত করে তুলেছে। শিল্প থেকে বাঙালির বিতাড়ন বলাগড় বিধানসভার Agarwal Group-এর ESS DEE Aluminium Limited–এর ঘটনা তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ। একসময় যখন এই কারখানার মালিকানা বাঙালির হাতে ছিল, তখন স্থানীয় শ্রমিকরাই কাজের সুযোগ পেতেন, তাদের ন্যূনতম সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত হতো। কিন্তু মালিকানা হাতবদলের পর চিত্র পাল্টে যায়। এখন একের পর এক বাঙালি শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছেন, আর সেই জায়গায় নিয়োগ পাচ্ছেন বহিরাগত শ্রমিক—মূলত উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে আসা শ্রমজীবীরা। এই পরিবর্তন কেবল একটি প্রতিষ্ঠ...

বিশ্ববিদ্যালয় আজ: জ্ঞান বনাম রাজনৈতিক আগ্রাসন

ছবি
 বিশ্ববিদ্যালয় আজ:  জ্ঞান বনাম  রাজনৈতিক আগ্রাসন  অয়ন মুখোপাধ্যায়  ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়। এক সময় এটি ছিল সারস্বত সাধনার মন্দির—জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রবেশাধিকার থাকা স্থান। প্রবেশাধিকার নির্ধারিত হত একমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে। নালন্দা, তক্ষশীলা—শ্রেষ্ঠ পণ্ডিতরাও দ্বারপণ্ডিতের কঠিন প্রশ্নে উত্তীর্ণ হতে হতো। ‘এন্ট্রান্স’ তখন শুধু দরজা নয়, জ্ঞানের মর্যাদার প্রতীক। আজ? আজ সেই মর্যাদা ছিন্নভিন্ন। এক মূঢ়, দুর্বিনীত, হিংস্র রাজনীতিকের হাতে আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প-বাণিজ্য, অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে। জ্ঞানমনস্কতা? তুচ্ছ। প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি? ধ্বংসপ্রায়। আর হায় রে! বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার সচিবালয়ে গণেশ পুজো করছেন। প্রথার অবক্ষয় নয়, এটি শিক্ষার হৃদয়ে রাজনৈতিক আগ্রাসনের চরম প্রমাণ। ধরে নিন, যদি কোনো ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপাচার্য তার সচিবালয়ে রমজানের নামাজের ব্যবস্থা করতেন—আমরা কি তখনও নীরব থাকতাম? আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান কি তখনও আমাদের নৈতিক শক্তি দিত? নাকি রাজনীতির লোভ ও ধর্মীয় ছাপের কাছে আমরা ত...

মুনীন্দ্র দেব রায় : বইয়ের নীরব আলো

ছবি
 মুনীন্দ্র দেব রায় : বইয়ের  নীরব আলো অয়ন মুখোপাধ্যায় ইতিহাস সবসময় গর্জনের মধ্যে লেখা হয় না। ইতিহাসের এক বিশাল অংশ জন্ম নেয় নীরবতায়, ধুলোমাখা বইয়ের পাতায়, শীতল পাঠাগারের শান্ত আলোছায়ায়। আর এই নীরব ইতিহাসেরই এক অগ্রদূত ছিলেন মুনীন্দ্র দেব রায়। তিনি রাজনীতি বা বিপ্লবের প্রচণ্ড আলোড়নে নাম লেখাননি, তবু তাঁর কাজের ভিতর দিয়ে উঠে এসেছে সভ্যতার এক অন্যতর স্বপ্ন—যেখানে বই মানুষের মুক্তির হাতিয়ার, আর পাঠাগার সমাজের প্রাণকেন্দ্র। বাঁশবেড়িয়ার রাজপরিবারে তাঁর জন্ম, ১৮৭৪ সালের ২৬শে আগস্ট। রাজপরিবার মানেই প্রাচুর্য, ভোগ, ঐশ্বর্য—কিন্তু সেই আভিজাত্যের ভেতর থেকেও তাঁর চোখ সরে যেত বাইরে, সাধারণ মানুষের দিকে। এক কিশোর মনের ভিতর তখনই জন্ম নিচ্ছিল অন্যরকম স্বপ্ন। পরবর্তী সময়ে হুগলী মহসিন কলেজের আঙিনা, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের পাঠশালা—সবকিছু মিলিয়ে সেই স্বপ্ন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তাঁর কাছে শিক্ষা মানে কেবল পরীক্ষায় পাশ করা নয়, শিক্ষা মানে জ্ঞানকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া। মুনীন্দ্র দেব রায় বিশ্বাস করতেন, বই কেবল অক্ষরের ভাণ্ডার নয়। বই মানুষের মুক্তির পথ, বই সমাজকে অগ্রসর করার সোপান। তাই তিন...