পোস্টগুলি

অক্টোবর ১৪, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
 এবারের কালীপুজো  এবং দীপাবলী  হয়ে উঠুক আলো  আর মিলনের উৎসব  দূষণের বিভীষিকা নয়  আইনজীবী বিশ্বজিৎ মুখার্জি দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা পরিবেশ আকাদেমির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মহল এবং সাধারণভাবে সকলের কাছে এই আবেদন নিবেদন করে এসেছি যেন দীপাবলি ও কালীপুজো সহ অন্যান্য উৎসবগুলি পালিত হয় কেবলমাত্র প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় । এতো দিনে আমরা সকলেই জেনে গেছি চোখ ঝলসানো আতশবাজি এবং বিশেষ করে শব্দবাজি কি কি ভাবে আমাদের ক্ষতি সাধন করে ।  সাধারণভাবে এই সব বাজি ব্যবহার করার কারণে বাতাসে দূষণের মাত্রা এমন ভয়ংকর জায়গায় পৌঁছোয় যে সেই বিষাক্ত ধোঁয়া আমাদের চোখের রেটিনাকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে অকাল অন্ধত্ব ডেকে আনতে পারে । ফুসফুস আক্রান্ত হতে পারে । শব্দবাজির ফলে উদ্ভূত শব্দদূষণের কারণে কানের পর্দা ফেটে গিয়ে কেউ সারাজীবনের জন্য বধিরও হয়ে পড়তে পারেন । স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে মস্তিষ্ক বিকল হতে পারে । মাত্রারিক্ত আওয়াজের ফলে আমাদের হার্ট এরও মারাত্মক ক্ষতি হয় । এমনকি হার্ট ফেল করে মৃত্যুও অসম্ভব নয় । প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বুকে বহু বেআইনি বাজি কারখানা এখনও বিদ্যমান । ...
ছবি
 রাজনীতির ভাষা  ও  সভ্যতার সংকট অয়ন মুখোপাধ্যায় (মতামত লেখকের নিজস্ব) গণতন্ত্রে ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়,তা রাষ্ট্রের নৈতিক পরিমাপ ও বটে।একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে যে ভাষা উচ্চারিত হয়,তা প্রশাসনের মানসিকতা, দায়িত্ববোধ ও নাগরিক সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটায়।সেই কারণেই রাজনৈতিক বক্তব্য কোনো ব্যক্তিগত মতামত নয় এটি এক প্রাতিষ্ঠানিক বার্তা, যা জনমানসে গভীর প্রতিধ্বনি তোলে।এই মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে যে ভাষার স্খলন আমরা প্রত্যক্ষ করছি,তা কেবল রাজনৈতিক আক্রমণ নয়;এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবক্ষয়েরও স্পষ্ট চিহ্ন। ১. ভাষার সংকট, শালীনতার অবক্ষয় রাজনীতির ভাষা একসময় ছিল বিতর্কের, যুক্তির, এবং মতের সংঘর্ষের।আজ তা ক্রমশ পরিণত হচ্ছে কটূক্তির, ব্যঙ্গের এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের মঞ্চে।বাংলার রাজনীতি তে সাম্প্রতিক কালে যে সব মন্তব্য উঠে এসেছে,বিশেষত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে নারীদের উদ্দেশে করা কিছু বক্তব্য—তা আমাদের গণতন্ত্রের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।একজন নারী নেতা, যিনি তিন দশকেরও বেশি রাজনৈতিক সংগ্রামের ফলশ্রুতিতেরাজ্যের সর্বোচ্চ পদে আসীন,তাঁর কাছ থেকে সমাজ অন্য...