পোস্টগুলি

অক্টোবর ২, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিজয়ার কথা 🔴 বিজয়ার গল্প

ছবি
বিজয়ার কথা  🔴  বিজয়ার গল্প শুভ্রজ্যোতি মজুমদার ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : আমার ছেলেবেলা থেকেই বিজয়া দিনটায় মন খারাপ করতাম। আগে থাকতাম গঙ্গার ধারে। বাড়ির ছাদ থেকে দেখা যেতো প্রশস্ত মাঠ মাঠ পেরোলেই গঙ্গা। ছাদে উঠে দেখতাম প্রতিমার সারি একে একে ঘাট পেরিয়ে গঙ্গার জলে মিলিয়ে যেতো। ছাদের এক কোণে বসে মন খারাপ করতাম।  আমার বাড়ির সামনে বারোয়ারি দুর্গাপুজো হত। কাছেই গঙ্গার ঘাট তাই গভীর রাতে ঠাকুর জলে পড়তো। আর গান ও ঢাকের তালে আত্মবিস্মৃত নাচ আমাদের পাড়ার বৈশিষ্ট্য ছিলো। পূজোর অন্যদিন গুলিতে সমকালীন গান বাজানো হলেও দশমীর দিন কুমার শানু আর কিশোর কুমার ছিলো মাস্ট।  ঠাকুর জলে পড়ার পর আমাদের রীতি আছে বাড়ির বড়দের প্রণাম করার। ঠাকুমা বেঁচে থাকতে ঠাকুমা পিসি ঠাকুমা কে নমস্কার করে বিজয়া সারা হত। ঠাকুমা মারা যাবার পর পিসি ঠাকুমা কে প্রণাম করতাম। আগে বাবা তারপর আমি। বাড়িতে বিশেষ কিছু আয়োজন হতোনা তবে ঢাকীদের জন্য কেজি খানেক মিহিদানা ছোট গজা আসতো। ঢাকীদের বিলোনোর পরে মিহিদানা বাঁচলে আমরা মুড়ি দিয়ে বা এমনি খেয়ে ফুরিয়ে ফেলতাম। আমি ছেলেবেলা থেকে অম্বল দুর্বল লিভারের জন্য সমস্যায় ভুগি। তাই অম্বল নিয়...

ফিরে দেখা কুমারী পূজা

ছবি
ফিরে দেখা  কুমারী পূজা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  আজ দশমী দিকে দিকে বিদায়ের সুর এই দিনে ফিরে যাবো অষ্টমীর কুমারী পূজোর স্মৃতিতে। কারণ দুঃখের মাঝে ফেলে আসা দিন গুলিকে মনে রাখা দরকার। কালীকা পুরাণ ও কালী সহস্রনামে বলেছে- कुमारीपूजनरता कुमारीव्रतचारिणी। कुमारीभक्तिसुखिनी कुमारीरूपधारिणी॥ कुमारीपूजकप्रीता कुमारीप्रीतिदप्रिया। कुमारीसेवकासङ्गा कुमारीसेवकालया॥ দেবী দূর্গার বিশুদ্ধ রূপ হল দেবী কুমারী। তন্ত্রে বলেছে পরাশক্তির যদি কোন শুদ্ধ রূপ থেকে থাকে সেটা মা কুমারী বা ষোড়শী বা কুমারী ত্রিপুরাসুন্দরী। শ্রী তন্ত্রে বলেছে স্বয়ং ত্রিদেবের জন্ম যিনি দিয়েছেন সেই পরাশক্তির আদি রূপ কালী। কিন্তু তার বিশুদ্ধ রূপ কুমারী। সারা জগতের মা হয়েও তিনি কুমারী। তাই সন্তান ত্রিদেবের দাকে তার আবির্ভাব। তন্ত্রে তো এটাও বলেছে পরাশক্তি নিরাকার তার কোন প্রাকৃত মূর্তি নেই তিনি পরাপ্রকৃতি।  চন্ডী ও দেবী ভগবৎ অনুসারে কুমারী পূজা শ্রেষ্ঠ পূজা। দূর্গা পূজার পূর্ণ ফল পেতে কুমারী পূজা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রথা অনুসারে অষ্টমীর সকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান কার্যালয় বেলুড়মঠে পালিত হচ্ছে কুমারী পূজো। এবারের কুমারী...

বিস্মৃত বিপ্লবী নিকুঞ্জ সেন: ইতিহাসের আড়ালে এক নাম

ছবি
 বিস্মৃত বিপ্লবী  নিকুঞ্জ সেন:  ইতিহাসের  আড়ালে  এক নাম অয়ন মুখোপাধ্যায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস যতবার স্মরণ করা হয়, ততবারই কিছু পরিচিত নাম সামনে চলে আসে। রাইটার্স বিল্ডিং-এর অভিযানের কথা উঠলেই বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তকে মনে করা হয়। তাঁদের আত্মাহুতির কাহিনি স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রম থেকে শুরু করে সাহিত্য-চর্চায়ও বহুবার আলোচিত হয়েছে। কিন্তু সেই অভিযানের পেছনে যিনি পরিকল্পক, যিনি শিক্ষক, যিনি মূলত বিপ্লবী তরুণদের মানস গঠনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন—তিনি প্রায় বিস্মৃত। তাঁর নাম নিকুঞ্জ সেন। ইতিহাসের এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য হলো, সব নায়ক সমান আলো পায় না। কয়েকজন কাহিনির কেন্দ্রে থেকে খ্যাতি অর্জন করেন, আর বহুজন থেকে যান আড়ালে। নিকুঞ্জ সেন সেই দ্বিতীয় দলের একজন। অথচ তাঁর জীবনকে না জানলে রাইটার্স অভিযানের ইতিহাস আসলে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শৈশব ও শিক্ষাজীবন ১৯০৬ সালের ১লা অক্টোবর জন্ম নিকুঞ্জ সেনের, অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার কামারখাড়ায়। এক সাধারণ পরিবারে বড় হলেও তাঁর চিন্তার জগৎ ছিল অসাধারণ। প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা শেষ করেন ঢাকায়, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল...

অশোকনগরে যুবতীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার বিজয়া দশমীর ভোরে

ছবি
অশোকনগরে যুবতীর   ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার  বিজয়া দশমীর ভোরে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : দশমীর ভোরে ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী থাকলো অশোকনগর।  উদ্ধার হল এক যুবতীর ক্ষতিবিক্ষত দেহ। অশোকনগরে পূজা মণ্ডপের কিছু দূরেই এই দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স আসার আগেই মৃতার সঙ্গে যে দুজন ছিলো তারা চম্পট দেয়।  পুলিশেসূত্রে খবর যুবতীটিকে অশোকনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতাল তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সূত্রে খবর মেয়েটির বাবা প্রাক্তন সেনাকর্মী। কিভাবে মৃত্যু আদৌ কোন ষড়যন্ত্র আছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে যশোর রোড এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বলে খবর।

পুতিন আসতে চলেছেন ভারতে

ছবি
পুতিন আসতে চলেছেন ভারতে  ভারতীয় স্টেলথ যুদ্ধ বিমান  গড়ার ক্ষেত্রে রুশ সাহায্য  মিলতে পারে বলে জল্পনা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  ডিসেম্বরের শুরুতে ভারতে আসতে চলেছেন ব্লাদিমির পুতিন। বার্ষিক আলোচনায় তিনি যোগ দেবেন বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। বিশ্বের একজন হাই প্রোফাইল মানুষ এদেশে আসছেন তার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে এখন থেকেই। দুদিন পুতিন ভারতে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। পুতিনের আগে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ পুতিনের আসার আগে কি কি পরিকল্পনা দুদেশের মধ্যে হতে চলেছে তার বার্তা দেবেন বলে জানা গিয়েছে।  এ এম সি এ নিয়ে কার্যত কোন সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছেনা। ওদিকে শত্রু দেশ গুলি স্টেলথ টেকনোলজি তে আধুনিক হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভারত ও রুশ সামরিক সহায়তা স্টেলথ যুদ্ধ বিমান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিতে পারে। রুশ টমেন্সকি জেট প্রপালশন ও হ্যাল যৌথ উদ্যোগ নিলে সামনের এক দুই বছরের মধ্যে এ এম সি এ একটা রূপ পেতে পারে বলে খবর। এ এম সি এ তৈরির ব্যাপারে রুশ ও ভারত একসাথে গাঁটছড়া বাধঁতে চলেছে রুশ রাষ্ট্রপতির ভারতে আসার প্রসঙ্গে সে...

অনুগল্প- "খিদে!"

ছবি
অনুগল্প- "খিদে!" শুভ্রজ্যোতি মজুমদার নবমী র মধ্যরাত। দেবীর বিদায়ের আগের কয়েক ঘন্টা আগের অন্তিম মধ্যযাম। এই সময়টা ছেলেবেলা থেকেই অস্থির হত ছেলেটা। শোনা যায় নয়ের দশকের প্রথমদিক কাটোয়ার কাছে গঙ্গার ধারে একটা গ্রামের শ্মশানে অচৈতন্য হয়ে পড়ে ছিলো ছেলেটা। সেদিনেও ছিলো নবমী। হারিকাঠ চকচকে চন্দ্রহাস খড়্গ সব ই তৈরী ছিলো। কিন্তু সেই রাতের অন্ধকার অন্য কিছু পরিকল্পনা করেছিল। তান্ত্রিক চেয়েছিলেন অমর হতে। এক সিঁদুর লেপা প্রস্তর খন্ড আর পঞ্চমুন্ডির আসনের সামনে হাড়িকাঠ পেতে বলির জন্য তৈরী ও ছিলেন। বিড় বিড় করে মন্ত্র পড়ছিলেন তিনি। আর সামনে জ্বলা আগুনে আহুতি দিচ্ছিলেন অল্প অল্প সামগ্রী।  গাছপালা ঘেরা নির্জন শ্মশান। সকালেই লোকে ভয়ে এদিক মাড়ায় না। রাতে তো কোন ছাড়। আর অজ গ্রামে রাতে তেমন মড়া পোড়ানো হয়না। সেদিনেও তেমন কেউ শ্মশানে যায়নি। নিঝুম রাতে চারিদিক কিরকম যেন থমথমে। যেন পিন পড়লেও কানের পর্দা ফেটে যাবে। এমন শান্ত আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তন শুরু হল। তান্ত্রিক হাতে খাঁড়া হাতে রেডি। মাথা টা আলাদা করতে যেই যাবে! চোখ বুজে ফেলে ছেলেটা অস্ফুট শব্দে বিড়বিড় করে ওফ বীভৎস!  এই সব দৃশ্য চোখের সামনে ঘোরাফ...