পোস্টগুলি

অক্টোবর ১৮, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
চিন্তার আলোক  রেখায়:  পাঠকের প্রতি  এক নীরব প্রশ্ন   অয়ন মুখোপাধ্যায়  কখনো ভেবেছেন, একটি লেখা কাকে স্পর্শ করে? লেখককে, না পাঠককে?নাকি স্পর্শটাই দুজনের মাঝে ঘটে—একটি অদৃশ্য স্থানে, যেখানে শব্দ কেবল মাধ্যম, আর ভাবনা হয়ে ওঠে সংলাপের রূপক? আমি জানতে চাই এই যে বিগত কয়েক মাস ধরে অনর্গল লিখে গেলাম, লিখেই গেলাম, কোথাও গড় গড় করে কোথাও হর বড়িয়ে সেই অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে এ প্রশ্ন আমার একান্ত আপনাদের কাছে আমার পাঠক আমার ফেসবুক বন্ধু যারা আমার লেখা পড়েছেন (বা পড়েননি, টাইমলাইনে কিছু পড়ে নিতে পারেন)আমার প্রশ্ন-আমার গল্প, আমার কবিতা, আমার ভাবনা—আপনাকে কি সত্যিই নাড়া দিতে পেরেছে? আমার লেখা কি আজকের এই সময়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারছে? আপনার কোথাও পড়তে পড়তে মনে হয়েছে বাহ এটা তো একটা নতুন দিক? এইসব আরকি জানতে চাই। এবং জানতে চাই আপনি কি কখনো পড়তে পড়তে থেমেছেন, ভেবেছেন, "এই প্রশ্নটা তো আমারও!" নাকি কেবল চোখ বুলিয়ে গেছেন, যেমন শহরের ভিড়ে আমরা মুখগুলো দেখি, কিন্তু নাম জানি না? অথবা পড়তে পড়তে কখনো কি আমার নিজস্ব লিখন ভঙ্গিমা খুঁজে পেয়েছেন যা দিয়ে আম...
ছবি
বিকল্প ভাবনা ছড়িয়ে দিয়ে  চন্দননগর ইস্পাত সংঘ  বইমেলার পোস্টার প্রকাশ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকে পথ চলা শুরু। বিকল্প সংস্কৃতি রক্ষার বার্তা নিয়ে ২৩ শে ডিসেম্বর শুরু হতে চলেছে ইস্পাত সংঘ আয়োজিত ২৫ তম চন্দননগর বইমেলা। চন্দননগর হাসপাতাল মাঠে এই মেলা আয়োজিত হতে চলেছে। সম্প্রতি বইমেলার প্রগারে একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে ইস্পাত সংঘ। এদিন ইস্পাত সংঘের পক্ষে সুশান্ত সিংহ জানান নতুন শতাব্দীর ২০০০ সালে ২৩ ডিসেম্বর পথচলা শুরু ইস্পাত সংঘের চন্দননগর বইমেলার। উদ্বোধন করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক কবি সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, জননেতা সুভাষ চক্রবর্তী, তৎকালীন বিধায়ক তড়িৎবরণ তোপদার, ড: দেবকুমার বসু। চন্দননগরে তখন সবকিছুই ছিলো সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল একটা প্রগতিশীল ছত্রছায়া ঐতিহাসিক স্থান কিন্তু যেটা ছিলোনা সেটা হল বইমেলা। ২০০০ সালে নতুন শতাব্দী থেকে বইমেলা শুরু করি। নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকেই আমরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলাম। সেই থেকেই ইস্পাত সংঘের পথচলা শুরু। আমরা ইস্পাত থেকে শিখেছি সারা জীবন ধরে এমন কাজ করে যাবো যাতে মানব মুক্তি সুনিশ্চিত করা যায়। ইস্পাত সংঘ শুধু বইমেলা নয় ...