বিকল্প ভাবনা ছড়িয়ে দিয়ে
চন্দননগর ইস্পাত সংঘ
বইমেলার পোস্টার প্রকাশ
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকে পথ চলা শুরু। বিকল্প সংস্কৃতি রক্ষার বার্তা নিয়ে ২৩ শে ডিসেম্বর শুরু হতে চলেছে ইস্পাত সংঘ আয়োজিত ২৫ তম চন্দননগর বইমেলা। চন্দননগর হাসপাতাল মাঠে এই মেলা আয়োজিত হতে চলেছে। সম্প্রতি বইমেলার প্রগারে একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে ইস্পাত সংঘ। এদিন ইস্পাত সংঘের পক্ষে সুশান্ত সিংহ জানান
নতুন শতাব্দীর ২০০০ সালে ২৩ ডিসেম্বর পথচলা শুরু ইস্পাত সংঘের চন্দননগর বইমেলার। উদ্বোধন করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক কবি সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, জননেতা সুভাষ চক্রবর্তী, তৎকালীন বিধায়ক তড়িৎবরণ তোপদার, ড: দেবকুমার বসু। চন্দননগরে তখন সবকিছুই ছিলো সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল একটা প্রগতিশীল ছত্রছায়া ঐতিহাসিক স্থান কিন্তু যেটা ছিলোনা সেটা হল বইমেলা। ২০০০ সালে নতুন শতাব্দী থেকে বইমেলা শুরু করি। নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকেই আমরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলাম। সেই থেকেই ইস্পাত সংঘের পথচলা শুরু। আমরা ইস্পাত থেকে শিখেছি সারা জীবন ধরে এমন কাজ করে যাবো যাতে মানব মুক্তি সুনিশ্চিত করা যায়। ইস্পাত সংঘ শুধু বইমেলা নয় সারা বছরের কাজের মধ্য দিয়ে এই লক্ষ্য কে পরিপূর্ন করতে চায়। এই মুক্তি আস্তে পারে মানুষের শিক্ষা স্বাস্থ্য বাসস্থানের মাধ্যমে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য সেই শিক্ষা কে ছড়িয়ে দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই বইমেলা এবং সামাজিক কাজ। বইমেলায় যত বইয়ের সম্ভার থাকবে আগামী প্রজন্ম ততই সমৃদ্ধ হবে। অশোক মিত্র আমাদের উদ্বোধনের সময় এসে বলেছিলেন শুধু বইমেলা প্রাথমিক উদ্যেশ্য হতে পারেনা। বহু গরীব ছেলেমেয়ে দারিদ্রতার জন্য পড়াশুনা করতে পারেনা। তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা সেই বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ৮ বছর অবৈতনিক কারিগরি শিক্ষার ক্যাম্পাস ও চাকরির প্রশিক্ষণ দেবার কাজ শুরু করেছি। ৬৫ জন ছাত্রছাত্রী কে কারিগরি শিক্ষা দিয়ে টি সি এস র মতো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছি। আমরা একটা নজির সৃষ্টি করেছি সাধারণ মানের স্নাতক সাধারণ মানের ছাত্রছাত্রীরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে কারগরী প্রশিক্ষণ পেয়ে টিসিএস র মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ পেতে পারে। আমরা আমাদের অবৈতনিক স্কুলের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষার প্রশিক্ষন দিচ্ছি মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের। আমাদের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর হয়েছে টেকনিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সুপ্রীম নলেজ গ্ৰুপ অফ ইনস্টিটিউশন মানকুণ্ডুর সাথে। এই বছর আমাদের নতুন শেশন শুরু করে একজনকে কারিগরি শিক্ষার জন্য পাঠাতে পেরেছি। তবে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা আমরা প্রতিবছর ৬ জন শিক্ষার্থীকে এই দুই প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষার ট্রেনিং র জন্য পাঠাতে পারবো। আগেরবছর ৭০ টা স্টল ছিলো বইমেলায়। এবার ৭৫ টি স্টল হবে। আমরা চন্দননগরের অজানা বিপ্লবী দের শ্রদ্ধা জানিয়েছি। তার পোশাকী নাম যে ধ্রুবতারা। ২৫ বছরের বইমেলায় ২৩ জন অজানা বিপ্লবী কে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। ২৪ জন বিপ্লবীর বৈপ্লবিক কর্মকান্ডের অজানা কথা কে লিখিত আকারে একটি বই প্রকাশ করতে চলেছি যার নাম যে ধ্রুবতারা সংকলন। বইটির মূল্য ৬৫০ টাকা চন্দননগর বইমেলার অফিস থেকে এই বইটি পাওয়া যাবে। চন্দননগর বইমেলার ২৫ টি বছর তুলে ধরা যাবে। মেলা চলবে ২৩ শে ডিসেম্বর থেকে ১ লা জানুয়ারি পর্যন্ত।
style="text-align: justify;">








মন্তব্যসমূহ