পোস্টগুলি

আগস্ট ২৩, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বৈদ্যবাটী বনমালী স্কুলে বিজ্ঞান মনস্কতা দিবস পালন বিজ্ঞানমঞ্চের

ছবি
বৈদ্যবাটী বনমালী স্কুলে  বিজ্ঞান মনস্কতা দিবস  পালন বিজ্ঞানমঞ্চের  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: বিজ্ঞান মনস্কতা দিবস (২০ আগষ্ট) উপলক্ষ্যে, আজ পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ, বৈদ্যবাটী বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্যোগে, বৈদ্যবাটী বনমালী মুখার্জী ইনস্টিটিউশনের সহযোগিতায় ওই বিদ্যালয়ে একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে সাপ সংক্রান্ত ভ্রান্ত ধারণা দূর করার জন্য ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে একটি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বক্তা ছিলেন সর্পবন্ধু মাননীয় শ্রী অরিন্দম চক্রবর্তী মহাশয়। বিজ্ঞান মনস্কতা দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় শ্রী অমরনাথ ঘোষাল মহাশয়, ড. নরেন্দ্র অচ্যুত দাভলকর সম্বন্ধে বক্তব্য রাখেন বৈদ্যবাটী বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহ-সম্পাদক মাননীয় শ্রী সৈকত পাত্র মহাশয়। অনুষ্ঠানে প্রায় একশো জন ছাত্র ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বৈদ্যবাটী বিজ্ঞান কেন্দ্রের কার্য্যকরী সভাপতি শ্রী কণিষ্ক কুমার বসু মহাশয়, কার্য্যকরী কমিটির সদস্য শ্রী সৌমিক মুখার্জী মহাশয়, মাননীয় শিক্ষক শ্রী সুমন্ত নন্দী ও শ্রী...

সাতদিন ধরে বঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা

ছবি
বঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা  সাত দিন এই দুর্যোগ  চলবে বলে খবর                       INSAT 3 উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি                                     IMD সূত্রে প্রাপ্ত ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বঙ্গে। ফের একদফা নিম্নচাপের ঘনঘটা বঙ্গপসাগরে। আই এম ডি প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে আন্দামান থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরী হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে। আই এম ডি সূত্রে খবর আগামী ১ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৩-২৮ বজ্রবিদ্যুৎ সহ এই প্রবল বৃষ্টিপাত চলবে বলে মত হওয়া অফিসের। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড়ে প্রবল বৃষ্টিপাত হবে বলে মত হওয়া অফিসের। আজকের কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমান ৯১%। তাপমাত্রা গড়ে ২৭ ডিগ্রি। বায়ুর গতি ঘন্টায় নয় মিটার। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে ...

সুকান্ত ভট্টাচার্য: একবিংশ শতকের প্রেক্ষাপটে এক ‘অকালপক্ব’ কবির পুনরাবিষ্কার

ছবি
সুকান্ত ভট্টাচার্য: একবিংশ  শতকের প্রেক্ষাপটে এক  ‘অকালপক্ব’ কবির  পুনরাবিষ্কার অয়ন মুখোপাধ্যায়  কোনো কোনো কবিকে আমরা তার কবিতা পড়ে নয়, তার জীবনদীপ হঠাৎ নিভে যাওয়ার মুহূর্তে আবিষ্কার করি। সুকান্ত ভট্টাচার্য তার নিখাদ উদাহরণ। মাত্র ২১ বছরে ফুসফুস যক্ষ্মায় শেষ হয়ে গেলেন, কিন্তু চলে যাওয়ার আগে বাংলা কবিতার শরীরে গেঁথে দিয়ে গেলেন এক চিরস্থায়ী কাঁটা—ক্ষুধা, অভাব, প্রতিবাদ আর বিদ্রোহের কাঁটা। আজকের পাঠক যখন তাঁর লেখা পড়ে, তখন আশ্চর্য হয়—এই তরুণ কবি কি সত্যিই ১৯৪০-এর দশকে লিখছিলেন? নাকি আজকের গ্লোবাল অনিশ্চয়তা, যুদ্ধ, শরণার্থী সংকট, কৃষকের আত্মহত্যা, শহুরে বেকারত্বের জন্যই শব্দ বানাচ্ছিলেন? ক্ষুধার ভাষা, চাঁদের উপমা “চাঁদকে আমি দেখেছি পোড়া রুটির মতো।” বাংলা কবিতায় এমন চিত্রকল্প খুব কমই আছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে এতটা প্রাসঙ্গিক থেকে গেছে। কবিতার ইতিহাসে চাঁদ বরাবরই ছিল রোমান্টিকতার প্রতীক। সুকান্ত সেই ঐতিহ্যকে বিদ্রোহের হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেললেন। এক মুহূর্তে রূপকথার চাঁদ নেমে এল বাংলার দুর্ভিক্ষপীড়িত রান্নাঘরে। এই কাব্যিক দৃষ্টিভঙ্গি সমালোচক অরুণকুম...