কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুটে যাত্রীদের ন্যায্য দাবি

 কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুটে

  যাত্রীদের ন্যায্য দাবি

অয়ন মুখোপাধ্যায়



কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুট পূর্ব রেলের প্রাণরেখা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই লাইনের উপর নির্ভর করে জীবিকা, শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা নিত্য প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। অথচ বছরের পর বছর ধরে এই রুটে যাত্রী পরিষেবা শোচনীয় অবস্থায় পড়ে আছে। ট্রেন সংখ্যা সীমিত, সময়সূচি বেহাল, গাদাগাদি ভিড়—এসব যেন নিয়মিত যাত্রীদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে।

অবাক করার বিষয়, ২০২২–২৩ অর্থবছরে আয় বেড়েছে—যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১.১৯ শতাংশ বেশি। আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা যেখানে গর্বের বিষয় হওয়ার কথা, সেখানে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রেলের আয় বাড়ছে, অথচ যাত্রীদের সুবিধা বাড়ছে না। বরং প্রতিদিনের যাত্রা হয়ে উঠছে দুর্বিষহ।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্টেশন আধুনিকীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়নের কাজের দোহাই দিলেও মূল সমস্যা থেকে যাচ্ছে অমীমাংসিত। ট্রেন সংখ্যা না বাড়ালে আধুনিক স্টেশন বা ঝকঝকে প্ল্যাটফর্ম কোনও যাত্রীকে স্বস্তি দিতে পারবে না। সকাল-বিকেলের ভিড়ের সময় দাঁড়াবার মতো জায়গা পাওয়া যায় না, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীরা বাড়তি ট্রেন চালানো, লোকাল ও প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, সময়সূচির সঠিকতা রক্ষা এবং নিরাপত্তা ও কোচের মানোন্নয়নের মতো সাধারণ দাবিগুলি বারবার জানিয়ে এসেছেন। এগুলি কোনও বিলাসী দাবি নয়, বরং নিত্যযাত্রীদের মৌলিক অধিকার।

যাত্রীদের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, অথচ কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। মনে রাখতে হবে, রেলের আয় বাড়ে যাত্রীদের ঘামে–রক্তে, তাদের ভাড়ার টাকায়। তাই তাদের ন্যায্য দাবি অগ্রাহ্য করা এক প্রকার সামাজিক অবিচার। কাটোয়া–ব্যান্ডেল রুটে দ্রুত ট্রেন সংখ্যা না বাড়ালে এই ক্ষোভ একদিন বিস্ফোরণে রূপ নেবে। সময় থাকতে রেল কর্তৃপক্ষের উচিত যাত্রীদের পাশে দাঁড়ানো।

তথ্য ঋণ এবার কালনা




এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে

 যোগাযোগ করতে পারেন

 মূল্য মাত্র ৩০০ টাকা 






style="text-align: justify;">


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জালিয়াতি করে চলছে রেস্টুরেন্ট দোকানের মালিকের অভিযোগে বাতিল জাল ট্রেড লাইসেন্স

চন্দননগর ইস্পাত সংঘে চলছে টি সি এস এ চাকরির ট্রেনিং

বৈদ্যবাটী সীতারাম বাগানে দম্পতির রক্তাক্ত দে উদ্ধার