মালদার ভূতনীতে বন্যা কবলিত এলাকায় এক রাতে দু’টি মৃত্যু
মালদার ভূতনীতে
বন্যা কবলিত এলাকায়
এক রাতে দু’টি মৃত্যু
পুলক চক্রবর্তী : ১৮ সেপ্টেম্বর - মালদার মানিকচক ব্লকের ভূতনী বন্যা কবলিত অঞ্চলে ফের ঘটল পরপর দু’টি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এক রাতের ব্যবধানে জলে তলিয়ে গেল দুই প্রাণ—এক কিশোরী ও এক যুবক। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।
সকালে ভূতনীর পশ্চিম নারায়ণপুরের মহেন্দ্রটোলা এলাকায় ঘটে প্রথম দুর্ঘটনা। জানা গেছে, এদিন ১২ বছরের হেমাঙ্গিনী মন্ডল বন্যার জলে স্নান করতে নামে তারই সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে। হঠাৎ করেই তলিয়ে যায় সে। পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা নৌকা ও জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টার পর উদ্ধার হয় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর নিথর দেহ। হেমাঙ্গিনীর বাবা বিজয় মন্ডল পেশায় কৃষক। মেয়ের অকাল মৃত্যুতে পরিবার শোকে ভেঙে পড়ে। পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।এর আগের দিন একই অঞ্চলের জুলাব্দিটোলা এলাকায় ঘটে আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা। বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ হারায় ২১ বছরের রোজ সেখ নামে এক যুবক। জানা গেছে, রোজ ছিলেন এলাকার এক মেধাবী ছাত্র। কিছুদিন আগে বাইরে পড়াশোনা থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। সেদিন তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে সাইকেল নিয়ে বন্যা কবলিত রাস্তা দিয়ে ফিরছিলেন। পথে একটি স্থানে গঙ্গার জল প্রবল বেগে ঢুকছিল। সেই জায়গা সাইকেল নিয়ে পার হতে গিয়েই ঘটে দুর্ঘটনা। মুহূর্তের মধ্যে জলের তোড়ে ভেসে যায় রোজ। স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে নেমে অনেক চেষ্টা করে অবশেষে তার নিথর দেহ উদ্ধার করেন। পরে দেহটি মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।এক রাতের ব্যবধানে দুই তরতাজা প্রাণ ঝরে পড়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকায়। দুই পরিবারের আহাজারিতে গোটা গ্রাম শোকে স্তব্ধ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বন্যার জলে প্রতিনিয়ত এমন দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। প্রশাসনকেও নিরাপত্তার দিক থেকে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন তারা।মানিকচকের ভূতনীতে পরপর প্রাণহানি ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।
এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে
যোগাযোগ করতে পারেন
মূল্য মাত্র ৩০০ টাকা
style="text-align: justify;">






মন্তব্যসমূহ