বছর বছর প্রতিশ্রুতি মিলেছে কিন্তু কংক্রিটের ব্রিজ গঠন হয় নি
বছর বছর প্রতিশ্রুতি মিলেছে
কিন্তু কংক্রিটের ব্রিজ
গঠন হয় নি
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : গ্রামের মানুষ নিজেদের পকেটের টাকায় খানাকুলে বাঁধ গড়তে চাইছেন কিন্তু সরকারী তরফ থেকে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন গ্রামবাসীরা। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে বালিপুরে রাধানগর, ছত্রশাল গ্রামের অগণিত বাসিন্দা বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসিরা। খানাকুল ১ ব্লকের বালিপুর ও তাঁতিশালের মাঝে রয়েছে হরিণাখালি খাল। এক দুই কিমি অন্তর বেশ কয়েকটি গ্রাম জুড়ে দুই পাড়ের যাতায়াত নির্ভর করে বাঁশের ব্রিজের ওপর। নাহলে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে যাবে এলাকাগুলি। প্রশাসনিক কাজে আরামবাগ যেতে মুন্ডেশ্বরী রূপনারায়ণ পেরিয়ে যেতে হবে। কিন্তু বালিপুর এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকা বিচ্ছিন্ন রয়েছে হরিণখোলা খালের ওপর কোন কংক্রিটের পাকা ব্রিজ নেই। খানাকুলের কনকপুর গ্রামের মানুষ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ ৬০ লক্ষ টাকা খরচা করে একটা লোহার ব্রিজ তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চাঁদা তুলে নিজস্ব উদ্যোগে। কনকপুর গ্রামের মানুষ সরাসরি পথে নামেন, পার্শ্ববর্তী বালিপুর, পূর্ব রাধানগর গ্রামের কিছু মানুষ ও এই আন্দোলনে সামিল হন।
এই ব্রীজ নির্মাণ হলে পূর্ব রাধানগর, ছত্রসাল, জগন্নাথপুর, কুরকুড়ি, অমরপুর , পূর্বরাধানগর সহ আরো পার্শ্ববর্তী গ্রামের হাজার হাজার পরিবারের নদী পারাপারের সমস্যা মিটবে। অসুস্থ রোগীর জন্য গ্রামে কোনো বড় গাড়ি প্রবেশ করতে পারে না , কারণ পারাপারের জন্য শক্ত পোক্ত কোনো সেতু নেই। এই জন্য সময়মতো হাসপাতালে না যেতে পেরে প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যান। মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়ে বলছেন সরকার কেন গ্রামীণ সমস্যার দায় নেবেনা? আপনার পাড়া আপনার সমাধানের জন্য প্রতি বুথে দশ লক্ষ টাকা বরাদ্দ নাকি করেছে সরকার তাহলে কেন পকেটের টাকা খরচা করে, গ্রামের মানুষদের নিজেদের সমস্যা মেটাতে নিজেদের পকেটের টাকা খরচা করতে হবে?
এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে
যোগাযোগ করতে পারেন
মূল্য মাত্র ৩০০ টাকা
style="text-align: justify;">






মন্তব্যসমূহ