পোস্টগুলি

ফ্লোটিলার আলো আর মানুষের জেগে থাকা

ছবি
ফ্লোটিলার আলো  আর মানুষের  জেগে থাকা অয়ন মুখোপাধ্যায় পৃথিবীর ইতিহাসে এমন মুহূর্ত অনেকবার এসেছে, যখন অচেনা মানুষ একে অপরের জন্য দাঁড়িয়েছে। কোনও ভূখণ্ডের সীমান্তের মধ্যে আটকে না থেকে, কোনও জাতীয়তাবাদী গর্বে না ভেসে গিয়ে, তারা দাঁড়িয়েছে কেবল মানুষ হিসেবেই। আজ যখন আমরা ভাবছি, আদর্শ বলে কিছু বাকি নেই, স্বপ্ন বলে কিছু নেই, প্রত্যেক মানুষ শুধু নিজের মুনাফা গোনে, নিজের আরামের ঘেরাটোপে লুকিয়ে থাকে—ঠিক সেই সময়ে সমুদ্রের বুকে ভেসে উঠেছে এক অভাবনীয় দৃশ্য। ফ্লোটিলা। এটা কোনও বাণিজ্যিক বহর নয়, কোনও রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও নয়। প্রায় ৪৪টি দেশের পাঁচ শতাধিক মানুষ একসাথে সমুদ্রযাত্রায় নেমেছেন। লক্ষ্য একটাই—ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো। গাজার রক্তাক্ত মাটির জন্য, শ্বাসরুদ্ধ মানুষের জীবনের জন্য, স্বাধীনতার ডাকের জন্য তারা পাড়ি দিয়েছে এক অনিশ্চিত সমুদ্রপথে। ভেসে চলেছে বারোটি জাহাজে, ঝড়ের ভয় উপেক্ষা করে। সেই যাত্রার সঙ্গী হয়েছে ডলফিনের দলও। প্রকৃতিও যেন এই স্বপ্নযাত্রার অংশীদার। কিন্তু বাস্তব কতটা নিষ্ঠুর। গভীর রাতে ইজরায়েলি নৌসেনা থাবা বসিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করেছে বারোটি জাহাজ। ...

দশমীতেই শেষ নয় একাদশীতে নয়া রুপে দূর্গোৎসব জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়িতে

ছবি
দশমীতেই  শেষ নয়  একাদশীতে  নয়া রুপে  দূর্গোৎসব   জলপাইগুড়ি  ও শিলিগুড়িতে  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : আজ একাদশী হিসেব মতো দুর্গাপূজা শেষ মা জগদম্বা তার ধাম কৈলাসে ফিরে গেছেন দোলায় চড়ে। কিন্তু তাতে কি এই বাংলার বুকে এই একাদশী থেকেই শুরু অন্যরকম দুর্গাপূজা। আজ্ঞে হ্যাঁ ঠিক ই শুনছেন। তিস্তার তীরে জলপাইগুড়ি তে দেবী দূর্গার আরাধনা হয় এই একাদশী তিথি থেকে। দেবীর নাম এখানে বন্ধনী। আজকের কথা নয় বিগত ৫০০ বছর ধরে ময়নাগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে এই পূজা হয়ে আসছে।  স্থানীয় বিশ্বাস বিজয়া দশমীর দিন মা দূর্গা কৈলাসে যাওয়ার আগে বিশ্রাম নেবার জন্য নেমেছিলেন তিস্তার পাড়ে। পশুপালক দের সঙ্গে তিনি ছিলেন এই এলাকায়। দেবীর ভোগ হিসেবে স্থানীয় পশুপালক রা ছাগল, পায়রা বলি দিতেন। বন্ধনীর পূজোর পর দেবী কৈলাসে চলে যান। দেবীর যাওয়ার পর প্রকৃতি ফসলে নাকি ভরে ওঠে। তাই স্থানীয় বিশ্বাসে বন্ধনীর পূজো হয় জলপাইগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সম্প্রদায় বন দূর্গা দেবী হিসেবে মহামায়ার পূজা করেন। 

মণিপুরে ৫৪ কোটির মাদক উদ্ধার করলো নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো ও আসাম রাইফেলস

ছবি
মণিপুরে  ৫৪ কোটির  মাদক উদ্ধার  করলো  নারকোটিক্স  কন্ট্রোল ব্যুরো  ও  আসাম রাইফেলস ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : আসাম রাইফেলস ও এন সি বি র যৌথ তৎপরতায় আজ ধরা পড়লো প্রায় ৫৪ কোটি টাকার মাদক। মনিপুর রাজ্যের চান্দেল জেলা থেকে এই বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার হয়েছে। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর বিশেষ ইন্টেলিজেন্ট ইনপুট সূত্রে খবর পেয়ে আমরা মাদক বিরোধী অপারেশন শুরু করেছিলাম। তরিঘড়ি সমস্ত চেকপোষ্টে মোবাইল ভেহিকেল চেক পয়েন্ট তৈরী করা হয়েছিলো চান্দেল জেলার বালায়। ভারত মায়ানমার বর্ডারের কাছে এই চেকপয়েন্ট করা হয়েছিলো।  নজরদারির সময় একটি সাদা জিপসি গাড়ি ও একটি মোটরবাইক চেকপয়েন্ট থেকে কিছু দূরে দাঁড়িয়ে পড়ে। অস্বাভাবিক লাগায় নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান রা গাড়ি চেক করতে এগিয়ে যান। ততক্ষনে অবশ্য যারা এসেছিলো গাড়ি চালিয়ে তারা চম্পট দিয়েছে কাছের জঙ্গলে। ঐ সাদা জিপসি গাড়ি থেকেই মাদক উদ্ধার হয়েছে।

বিজয়ার কথা 🔴 বিজয়ার গল্প

ছবি
বিজয়ার কথা  🔴  বিজয়ার গল্প শুভ্রজ্যোতি মজুমদার ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : আমার ছেলেবেলা থেকেই বিজয়া দিনটায় মন খারাপ করতাম। আগে থাকতাম গঙ্গার ধারে। বাড়ির ছাদ থেকে দেখা যেতো প্রশস্ত মাঠ মাঠ পেরোলেই গঙ্গা। ছাদে উঠে দেখতাম প্রতিমার সারি একে একে ঘাট পেরিয়ে গঙ্গার জলে মিলিয়ে যেতো। ছাদের এক কোণে বসে মন খারাপ করতাম।  আমার বাড়ির সামনে বারোয়ারি দুর্গাপুজো হত। কাছেই গঙ্গার ঘাট তাই গভীর রাতে ঠাকুর জলে পড়তো। আর গান ও ঢাকের তালে আত্মবিস্মৃত নাচ আমাদের পাড়ার বৈশিষ্ট্য ছিলো। পূজোর অন্যদিন গুলিতে সমকালীন গান বাজানো হলেও দশমীর দিন কুমার শানু আর কিশোর কুমার ছিলো মাস্ট।  ঠাকুর জলে পড়ার পর আমাদের রীতি আছে বাড়ির বড়দের প্রণাম করার। ঠাকুমা বেঁচে থাকতে ঠাকুমা পিসি ঠাকুমা কে নমস্কার করে বিজয়া সারা হত। ঠাকুমা মারা যাবার পর পিসি ঠাকুমা কে প্রণাম করতাম। আগে বাবা তারপর আমি। বাড়িতে বিশেষ কিছু আয়োজন হতোনা তবে ঢাকীদের জন্য কেজি খানেক মিহিদানা ছোট গজা আসতো। ঢাকীদের বিলোনোর পরে মিহিদানা বাঁচলে আমরা মুড়ি দিয়ে বা এমনি খেয়ে ফুরিয়ে ফেলতাম। আমি ছেলেবেলা থেকে অম্বল দুর্বল লিভারের জন্য সমস্যায় ভুগি। তাই অম্বল নিয়...

ফিরে দেখা কুমারী পূজা

ছবি
ফিরে দেখা  কুমারী পূজা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  আজ দশমী দিকে দিকে বিদায়ের সুর এই দিনে ফিরে যাবো অষ্টমীর কুমারী পূজোর স্মৃতিতে। কারণ দুঃখের মাঝে ফেলে আসা দিন গুলিকে মনে রাখা দরকার। কালীকা পুরাণ ও কালী সহস্রনামে বলেছে- कुमारीपूजनरता कुमारीव्रतचारिणी। कुमारीभक्तिसुखिनी कुमारीरूपधारिणी॥ कुमारीपूजकप्रीता कुमारीप्रीतिदप्रिया। कुमारीसेवकासङ्गा कुमारीसेवकालया॥ দেবী দূর্গার বিশুদ্ধ রূপ হল দেবী কুমারী। তন্ত্রে বলেছে পরাশক্তির যদি কোন শুদ্ধ রূপ থেকে থাকে সেটা মা কুমারী বা ষোড়শী বা কুমারী ত্রিপুরাসুন্দরী। শ্রী তন্ত্রে বলেছে স্বয়ং ত্রিদেবের জন্ম যিনি দিয়েছেন সেই পরাশক্তির আদি রূপ কালী। কিন্তু তার বিশুদ্ধ রূপ কুমারী। সারা জগতের মা হয়েও তিনি কুমারী। তাই সন্তান ত্রিদেবের দাকে তার আবির্ভাব। তন্ত্রে তো এটাও বলেছে পরাশক্তি নিরাকার তার কোন প্রাকৃত মূর্তি নেই তিনি পরাপ্রকৃতি।  চন্ডী ও দেবী ভগবৎ অনুসারে কুমারী পূজা শ্রেষ্ঠ পূজা। দূর্গা পূজার পূর্ণ ফল পেতে কুমারী পূজা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রথা অনুসারে অষ্টমীর সকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান কার্যালয় বেলুড়মঠে পালিত হচ্ছে কুমারী পূজো। এবারের কুমারী...

বিস্মৃত বিপ্লবী নিকুঞ্জ সেন: ইতিহাসের আড়ালে এক নাম

ছবি
 বিস্মৃত বিপ্লবী  নিকুঞ্জ সেন:  ইতিহাসের  আড়ালে  এক নাম অয়ন মুখোপাধ্যায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস যতবার স্মরণ করা হয়, ততবারই কিছু পরিচিত নাম সামনে চলে আসে। রাইটার্স বিল্ডিং-এর অভিযানের কথা উঠলেই বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তকে মনে করা হয়। তাঁদের আত্মাহুতির কাহিনি স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রম থেকে শুরু করে সাহিত্য-চর্চায়ও বহুবার আলোচিত হয়েছে। কিন্তু সেই অভিযানের পেছনে যিনি পরিকল্পক, যিনি শিক্ষক, যিনি মূলত বিপ্লবী তরুণদের মানস গঠনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন—তিনি প্রায় বিস্মৃত। তাঁর নাম নিকুঞ্জ সেন। ইতিহাসের এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য হলো, সব নায়ক সমান আলো পায় না। কয়েকজন কাহিনির কেন্দ্রে থেকে খ্যাতি অর্জন করেন, আর বহুজন থেকে যান আড়ালে। নিকুঞ্জ সেন সেই দ্বিতীয় দলের একজন। অথচ তাঁর জীবনকে না জানলে রাইটার্স অভিযানের ইতিহাস আসলে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শৈশব ও শিক্ষাজীবন ১৯০৬ সালের ১লা অক্টোবর জন্ম নিকুঞ্জ সেনের, অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার কামারখাড়ায়। এক সাধারণ পরিবারে বড় হলেও তাঁর চিন্তার জগৎ ছিল অসাধারণ। প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা শেষ করেন ঢাকায়, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল...

অশোকনগরে যুবতীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার বিজয়া দশমীর ভোরে

ছবি
অশোকনগরে যুবতীর   ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার  বিজয়া দশমীর ভোরে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : দশমীর ভোরে ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী থাকলো অশোকনগর।  উদ্ধার হল এক যুবতীর ক্ষতিবিক্ষত দেহ। অশোকনগরে পূজা মণ্ডপের কিছু দূরেই এই দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স আসার আগেই মৃতার সঙ্গে যে দুজন ছিলো তারা চম্পট দেয়।  পুলিশেসূত্রে খবর যুবতীটিকে অশোকনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতাল তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সূত্রে খবর মেয়েটির বাবা প্রাক্তন সেনাকর্মী। কিভাবে মৃত্যু আদৌ কোন ষড়যন্ত্র আছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে যশোর রোড এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বলে খবর।