পোস্টগুলি

তারাতলা ও রিভাইন রোডের বেহাল দশা রোজ ঘটছে দুর্ঘটনা

ছবি
তারাতলা ও রিভাইন রোডের  বেহাল দশা  রোজ ঘটছে দুর্ঘটনা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম রাস্তা মেন রোড তারাতলা রাস্তার অবস্থা বেহাল। খোয়া উঠে এদিক ওদিক ছিটকে যাচ্ছে। রাস্তার মাঝে কিছু দূর অন্তর হয়ে গেছে গর্ত। এবং ধুলোবালি উড়ছে তার মধ্যে থেকেই ট্রাফিক পুলিশ মুখে রুমাল দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলে খবর। তারাতলা এবং রিভাইন রোড বেহাল অবস্থা গত ছয় থেকে সাত মাস ধরে চলছে। প্রতিদিন ছোট বড় দুর্ঘটনা প্রায় লেগেই আছে। তারাতলা ও রিভাইন রোড এরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রোজ হাজারে হাজারে গাড়ি এই পথ দিয়ে যায়। রাস্তার বেহাল অবস্থায় নাকাল পথচারী থেকে বাইক ও চারচাকার চলোকেরা।

ডিভিসির জলের স্রোতে ভেসে গেলেন বৃদ্ধা

ছবি
ডিভিসির জলের স্রোতে ভেসে গেলেন বৃদ্ধা  অনেক্ষন ভাসার পর  অবশেষে উদ্ধার ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  ডিভিসির ছাড়া জলে ভেসে গেলেন বর্ধমানের এক বৃদ্ধা। ৪৫-৫০ কিমি বয়ে যাওয়ার পর অবশেষে উদ্ধার করা গিয়েছে বলে খবর। মাতুরি টুডু বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়না জেলার ঝটকা গ্রামে। আজ দুপুরে তিনি দামোদর নদে চান করতে গিয়েছিলেন। ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের তোড়ে তিনি ভেসে যান বলে অনুমান। পুলিশ ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করা গেছে। এবং জামালপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘক্ষন জলে থাকায় ফুসফুসে জল জমেছে বলে ডাক্তার সূত্রে খবর। 

আমেরিকা কে টপকে পণ্য পরিবহণে দ্বিতীয় স্থানে ভারতীয় রেল

ছবি
আমেরিকা কে টপকে পণ্য  পরিবহণে দ্বিতীয় স্থানে  ভারতীয় রেল  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : ১.২ বিলিয়ন টন পণ্য পরিবহন করে। আমেরিকা কে টপকে পণ্য পরিবহণে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছেছে ভারতীয় রেল। রেল প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে পণ্য পরিবহণে বিশ্বে প্রথম স্থানে অবস্থান করছে চীন, ভারতীয় রেল দ্বিতীয় স্থানে, তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমেরিকা। এদিন রেল সূত্রে খবর পণ্য পরিবহন করতে ৬৮ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়েছে ভারতীয় রেল। প্রতিদিন ১২৯৪ টি রেল রেক লোডিং করেছে ভারতীয় রেল। তিন লক্ষ পাঁচ হাজার পাঁচশো উনসত্তর টি বগি এই বিপুল পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করেছে ভারতীয় রেল। এই কাজে ১৪ হাজার ১২২ টি লোকমোটিভ ব্যবহার করা হয়েছে।

কোন্নগরে রাজরাজেশ্বরী সেবা মঠে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আয়োজন

ছবি
 কোন্নগরে রাজরাজেশ্বরী  সেবা মঠে  কোজাগরী লক্ষ্মী  পূজার আয়োজন পুলক চক্রবর্তী, কোন্নগর, ৬ই অক্টোবর সোমবার:- কোন্নগর রাজেশ্বরী মহালক্ষী মাতার মন্দিরে হিন্দু শাস্ত্র বিধি মেনে পালিত হল কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা। জগৎ গুরু শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত রাজ রাজেশ্বরী মন্দির তথা সেবা মঠের উক্ত দিবসে প্রথমে সিদ্ধি দাতা গণেশের আরাধনা করে শাস্ত্রবিধি অনুসারে কোজাগরি লক্ষী মাতার পূজা সুসম্পন্ন হল। এমনিতেই এই মন্দিরে মহালক্ষ্মী রাজরাজেশ্বরী মাতার পিঠস্থান তার মধ্যে হিন্দু শাস্ত্র বিধি অনুসারে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার প্রচলন যা ঘরে ঘরে পালিত হয়ে আসছে সেই উৎসব এই রাজরাজেশ্বরী মাতার মন্দিরে বিপুল সমারোহে পালিত হলো। এই দিন সকলে দেবীরূপ কে বা যোগিনীদের পূজা করা হয়। পঞ্চামৃত তে অভিষেক করানো হয়। মহালক্ষী মাতার কোজাগরী রূপের পূজা তথা শস্য দানার পূজা করা হয়। এই দিন মাতা রাজরাজেশ্বরী বা মহালক্ষী মাতা কে বেনারসি এবং ওড়না সাজে অলংকৃত ও সুসজ্জিত করা হয়। শ্রীযন্ত্রের ও শঙ্খের পূজা বিশেষভাবে করা হয়, এছাড়া হোম যজ্ঞ করা হয়। এই মন্দিরে শ্রী যন্ত্র তথা মাতা কে বিভিন্ন প্রকার ভোগ নিবেদন করা হয়। অন্ন ...

বন্যা ভাসায় উত্তরবঙ্গ, ঢাকের তালে নাচে শহর

ছবি
 বন্যা ভাসায় উত্তরবঙ্গ,  ঢাকের তালে নাচে শহর  অয়ন মুখোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ জলমগ্ন। নদীর জল উপচে পড়েছে বাঁধ ভেঙে গেছে , রাস্তা ভেসে গেছে, ঘরবাড়ি ডুবে আছে। কোমর জলে মানুষ কেউ গাছের ডালে বসে বাঁচার চেষ্টা করছে, কেউ প্লাস্টিকের বোতল বেঁধে বানানো ভেলায় করে খাবার আনছে। সরকারি খবরে বলা হচ্ছে—“সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” কিন্তু যাদের ঘর ভেসে গেছে, তারা জানে সেই ব্যবস্থার নামটা কেবল কাগজে থাকে, মাটিতে নয়। এইদিকে কলকাতায় চলছে উৎসব। আলো, সাজ, বাজনা। মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে হাসছেন, তাল মিলিয়ে নাচছেন, মাইকে চলছে তার কণ্ঠে গান। বলা হচ্ছে—“এটা আগেই ঠিক করা ছিল।” যেন বিপর্যয়টা দেশের বাইরে ঘটেছে, আমাদের জীবনে নয়। দুই বাংলার ছবি এক নয়, দুই জগৎ। উত্তরবঙ্গে মানুষ খুঁজছে শুকনো খাবার, দক্ষিণবঙ্গে মানুষ খুঁজছে ভালো অ্যাঙ্গেল—সেলফি তোলার জন্য। টেলিভিশনে দেখা যায়, একদিকে ত্রাণ শিবিরের ভিড়, আর অন্যদিকে কনসার্টের ভিড়। এই সময়ে মানুষ খেয়ালই করে না—আমরা কতটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি নির্লিপ্ত থাকতে। কেউ মরে গেলে খবরটা আমাদের চোখে এক মিনিটও থাকে না, আমরা স্ক্রিনটা বদলে ফেলি। পরের ভিডিও, পরের গান, পর...

আখের বিক্রি তে লক্ষীলাভ আখ চাষীদের

ছবি
আখের বিক্রি তে লক্ষীলাভ  আখ চাষীদের  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : (পুলক চক্রবর্তী) লক্ষ্মীপুজোর আগে আখ বিক্রি করে লক্ষ্মী লাভ চাষিদের। পাইকারি বাজারে প্রতি পিস আখের দাম এখন ৮ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার আখচাষিরা। লক্ষ্মীপুজোয় আখের বিশেষ চাহিদা থাকে, সামনেই আবার ছটপুজো— ফলে বাজারে চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা চাষিদের। এক বিঘা জমিতে আখ চাষে খরচ হয় প্রায় ২০-৩০ হাজার টাকা, আর বিক্রির সময়ে মিলছে প্রায় এক লাখ টাকার কাছাকাছি লাভ। একই জমিতে সাথী ফসল ফলানোয় দ্বিগুণ মুনাফা পাচ্ছেন কৃষকরা। নাদনঘাট থানার গোয়ালপাড়া রাজ্যের অন্যতম বড় আখের পাইকারি বাজার। এখান থেকে আখ যায় কলকাতা, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত। স্থানীয় আখচাষি সাহেব আলি শেখ বলেন, এবার আখের ভালো দাম মিলছে। আরেক চাষি শেখ সের মণ্ডলের কথায়, আখ চাষে পরিশ্রম অনেক, কিন্তু লাভও তার চেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে উৎসব মরশুমে আখ চাষেই হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।

পুরোহিত, হস্তরেখা ও শাসকের সত্য

ছবি
 পুরোহিত, হস্তরেখা ও  শাসকের সত্য অয়ন মুখোপাধ্যায় শান্তা দত্তের উক্তিটি একাধারে দার্শনিক, সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক। তিনি বলেছেন, পুরোহিত জানেন ভগবান বলে কিছু নেই, হস্তরেখাবিদ জানেন হাতের দাগে ভবিষ্যৎ লেখা নেই, আর শাসক জানেন স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। এই তিনটি দৃষ্টান্ত আসলে একই সূত্রে গাঁথা। প্রতিবারই যাঁরা একটি ব্যবস্থার ভেতরে প্রবেশাধিকার পান, যাঁরা তার অন্তর্লোক দেখেন, তাঁরাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন সেই ব্যবস্থার ভেতরে কতটা ফাঁপা আর কতটা ভ্রান্তি লুকিয়ে আছে। সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে যা বিশ্বাস করে, যা ভক্তিভরে মেনে চলে, ভেতরের মানুষ জানেন তার প্রকৃত রূপ। ধর্মের ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন স্পষ্ট। সাধারণ মানুষ দেবতার কাছে প্রার্থনা করে, দুঃখে কাতর হলে মন্দিরে যায়, পূজার্চনায় মন দেয়। কিন্তু পুরোহিত জানেন দেবতা আসলে মূর্তির মধ্যে নেই, তাঁর কাছে দেবতা হচ্ছে আচার, মন্ত্র আর প্রতীক। পুরোহিতের অস্তিত্ব টিকে আছে ভক্তের বিশ্বাসের উপর, অথচ পুরোহিত নিজে জানেন সেই বিশ্বাসের কতটা মায়া। ইতিহাসে দেখা যায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বহু সময়েই মানুষের আবেগকে শাসনের হাতিয়ার বানিয়েছে। দেবতা বা ঈশ্বরের অস্তিত্বকে রাজনৈত...