পোস্টগুলি

ফার্মাসিউটিক্যাল ফিল্ড কর্মীদের শ্রম আধিকারিক আদালতে ঐতিহাসিক জয়

ছবি
 ফার্মাসিউটিক্যাল  ফিল্ড কর্মীদের  শ্রম আধিকারিক  আদালতে ঐতিহাসিক জয়  নিউজ ব্যুরো: রাজ্য শ্রম দফতরের যুগ্ম শ্রম আধিকারিক (পি) শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা ঘোষ ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের শেষে নিজেদের প্রাপ্য গ্র্যাচুইটির টাকা আদায় করতে সক্ষম হল অ্যাডোনিস ল্যাবরেটরিস কোম্পানির ১৩ জন প্রাক্তন ফিল্ড কর্মী। আদালতের রায়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মিটিয়ে দিতে বাধ্য হল কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, কোভিড-পরবর্তী সময় থেকেই এই বিরোধের সূত্রপাত। অভিযোগ, কোভিড কালে ফিল্ড কর্মীদের ওপর চাপ বজায় রেখে সম্পূর্ণ হিসাব বুঝে মুনাফা ঘরে তোলার পরও প্রতিশ্রুত প্রাপ্য অর্থ প্রদান থেকে সরে আসে অ্যাডোনিস কর্তৃপক্ষ। বকেয়া বেতন ও গ্র্যাচুইটির দাবি তুলতেই কর্মীদের ওপর শুরু হয় মানসিক চাপ, হুমকি এবং অশালীন ভাষায় নির্দেশ জারি করার অভিযোগও ওঠে। এই পরিস্থিতিতে ২৬ জন ফিল্ড কর্মী সম্মিলিতভাবে কোম্পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং পদ্ধতিগতভাবে ইস্তফা দেন। কিন্তু চাকুরী-নিবৃত্তি সংক্রান্ত বকেয়া বেতন, গ্র্যাচুইটি ও অন্যান্য প্রাপ্য অর্থ দিতে অস্বীকার করে কোম্পানি। বারবার অন...

দুই মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভদ্রেশ্বরে মৃত ৩

ছবি
দুই মোটর  সাইকেলের  মুখোমুখি সংঘর্ষে  ভদ্রেশ্বরে মৃত ৩ সংবাদাতা প্রবীর বসু - হুগলির চন্দননগর পুলিশ কমিশনারের অন্তগত ভদ্রেশ্বর থানার এলাকার গেটবাজারের শ্যামনগর জুট মিলের কাছে। দুটি মটর সাইকেলের মুখোমুখি ধাক্কায় তিন জনের মৃত্যুর ও একজন আহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে দুই যুবকের বাড়ি চন্দননগরের কাপালিপাড়ায় ও লিচুতলায় অন্য এক মৃতের বাড়ি চাপদানির এঞ্জাসে।ঘটনার খবর ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা দুজনকে মৃত বলে জানায়।পরে আপর আরো একজনের মৃত্যু হয়। তবে এই ঘটনায় দুটি মটর সাইকেলে চারজন ছিলেন বলে এলাকার বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা। তবে একজন আহত অবস্থায় কলকাতায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ। ঘাতক মটর সাইকেল দুটি ভদ্রেশ্বর থানা আটক করেছেন।মৃতদেহ ময়নার তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

গীতাপাঠের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে সহজপাঠের ভাবনা

ছবি
 গীতাপাঠের আড়ালে  হারিয়ে যাচ্ছে  সহজপাঠের ভাবনা শ্রুতিনাথ প্রহরাজ আরামবাগের শেখ রিয়াজুল কে চিনি তো আমরা। ওই যে নিরীহ ছেলেটা, পেটের দায়ে প্যাটিস বিক্রি করতে ময়দানে গিয়েছিল। আর এস এস- এর উন্মত্ত গুন্ডা বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েও বরাত জোরে বেঁচে গেছে ও। শুধু রিয়াজুল কেন, সারা বছর ময়দান চত্বরে সকাল সন্ধ্যা রিয়াজুলের মতো আরো অনেকেই আসেন তাদের পসরা নিয়ে। কেউ পেয়ারা, কেউ শসা, কেউ কাঠি ভাজা ছোলা-বাদাম ভাজা লজেন্স, আবার কেউবা সেঁকা পাঁপড় নিয়ে বসেন। তাছাড়া হরেক কিসিমের গরম চা আর রকমারি জিনিসের পসরা তো আছেই। ময়দানে জনসভার ভীড় থাকলে ওদের বিক্রি বাট্টা একটু ভালো হয়, সংসারে বাকি লোক গুলোর মুখে হাসি ফোটে। শুধু ময়দান কেন, পাড়ার অন্য কোন জায়গাতেও কোনদিন প্রকাশ্য কোন অনুষ্ঠানে (খেলা মেলা সভা সমাবেশ সে যাই হোক) একটু বেশি মানুষের সমাগম হবে এমন খবর পেলে পসরা নিয়ে হাজির হয় ওরা। এভাবেই সামান্য বিক্রিবাট্টা করে দিন গুজরান করতে হয় ওদের। গ্রামে তো বিকল্প কোন কাজের সুযোগ নেই। গতানুগতিক পরিযায়ী শ্রমিকদেরর ভীড়ে নাম না লেখানো এই মানুষগুলো তাই নিত্যদিন পেটের তাগিদে...

মেসির ভারত সফরের স্মৃতিতে যুবভারতীর নামই এল না! লিখলেন বাকি তিন শহর নিয়ে

ছবি
 মেসির ভারত সফরের  স্মৃতিতে যুবভারতীর  নামই এল না!  লিখলেন বাকি  তিন শহর নিয়ে শুভ্র মুখোপাধ্যায় কলকাতা: তিলোত্তমা কলকাতায় ২০১১ সালে ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার ‘ক্যাপ্টেনস আর্মব্যান্ড’ পরে সেইপ্রথম দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ম্যাচে। মেসির অভিষেক হয়েছিল যে মাঠে, সেই মঞ্চই ১৪ বছর পরে কলঙ্কিত হয়ে গিয়েছে। যুবভারতীতে দেড় ঘণ্টা থাকার কথা ছিল। অনেক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী, সৌরভদের সঙ্গে। সবটাই বানচাল হয়ে যায় দর্শকদের বিক্ষোভে। মেসি ভারত সফর শেষ করে বার্সেলোনায় ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে যে ভিডিও পোস্ট করেছেন, সেখানে একবারের জন্যও যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের কথা উল্লেখ নেই। বরং বাকি তিন শহর, মুম্বাই, হায়দরাবাদ ও দিল্লির কথা রয়েছে। কলকাতার স্মৃতি হিসেবে মেসি উল্লেখ করেছেন লেকটাউনে তাঁর ৭০ ফুটের মূর্তির কথা।  অবাক হতে হয়, রাজ্যের ‘সদ্য প্রাক্তন’ ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, যিনি মেসির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মরিয়া ছিলেন, তাঁর কথাও মেসি কিছু জানাননি। বরং তিনি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা, পার্থ জিন্দা...

নিছকই একটা গল্প! না অন্য কিছু?

ছবি
নিছকই একটা গল্প! না অন্য কিছু? সীতাংশু মজুমদার আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলো দেবাংশুর। অফিসে যেতে ইচ্ছে না হলেও যেতে হবে। প্রতিদিন এর মতো নমির হাতে চা জলখাবার খেয়ে অফিসে র গাড়ি আসতেই বেরিয়ে গেল দেবাংশু। রিসেপশনিষ্ট: স্যার আপনাকে বড় সাহেব স্মরণ করে ছিলেন। আপনি আসলে ওনাকে জানাতে বলেছেন। গ্লাস এ চুমুক দেয় দেবাংশু কথা শুনতে শুনতে। চা এর অর্ডার দিয়ে ফোন এ হাত দিলো। ঘরের আলোচনা করা'র এই ফোন । দেবাংশু: হ্যালো কি ব্যাপার হঠাৎ তলব? বড় সাহেব: ও প্রান্ত আজ এতো দেরি কেনো? দেবাংশু বস হিসেবে জিজ্ঞাসা না কি?  ও প্রান্ত: দাদা হিসেবে বলা যায় না  ও প্রান্তঃ শোন আজ এক সাথে লাঞ্চ করবো। কথা আছে। গৌতম: বেয়ারাকে বলে বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে ছিলো গৌতম। ফিস ফ্রাই/স্যালাড /সামান্য ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন । ফ্রাই ভাঙতে ভাঙতে( সাহেবি কায়দায় ফ্রাই ভেঙে ফর্ক দিয়ে মুখের কাছেই এনে) গৌতম বলে। মানুষের দিন শেষ হয়ে আসছে দেবু। আমাদের কাজের জায়গায় হাত দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দেবাংশু: হ্যাঁ ঠিক বলেছো সৌন্দর্যের দুনিয়া তে ভাগ বসিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। গৌতম: তুই কি দেখেছিস একটি ফ্যাশন পত্রিকা অগাস...

নিছকই একটা গল্প! না অন্য কিছু?

ছবি
নিছকই একটা গল্প! না অন্য কিছু? সীতাংশু মজুমদার শ্যামবাজার এ দত্ত বাড়ি, প্রতিষ্ঠিত এবং বনেদী। সে বাড়ি র ছোট ছেলে সত্য সাধন। কমপিউটার সায়েন্সের ছাত্র ছিলেন। কিছু দিন বিদেশে ঘুরে এসেছেন।  বর্তমানে একটা বড় কোম্পানি র উচ্চপদে আছেন। তিনি একটু বেশি বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর'ই মেয়ে পরমা। পরমা তখন উচ্চ মাধ্যমিক দেবে। হঠাৎ ভোরে পরমা'র বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক পড়ে পাড়ার ছেলে দেবু আর গৌতমের। তারা দুজনে ডাক্তার ডাকা থেকে নার্সিং হোম সবটাই নিজেদের দায়িত্বে করে। পরমার সাথে তখনই আলাপ। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বাভাবিক ভাবে ই মেয়ে হিসেবে পরমা দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়েছে। দেবু দা গৌতম দা তাকে সান্তনা দেয়। তুমি চিন্তা করো না বাবা ভালো হয়ে যাবে।  নার্সিং হোম থেকে ছাড়া পেলেও পরমার বাবা আর স্বাভাবিক কাজ কর্মে যেতে পারেন না। ফলে জমানো পুঁজি তে হাত। পরমা তখন কলেজে পড়ে। একদিন দুপুরে, সম্ভবতঃশনিবার হবে এবং সে দিন গৌতমের অফিস ছিলো না। গৌতম দেবাংশু কে বাড়ি তে ডেকে জিজ্ঞেস করলো, চাকরি করবি? আমাদের অফিসে সেলস ম্যানেজার নেবে। তুই তো পড়াশোনায় ভালো, চল না! গৌতম বহু জাতিক সংস্থার ডেপুটি ম্যানেজ...

কুকুরের কামড়ে জখম লক্ষীপেঁচা

ছবি
কুকুরের কামড়ে জখম  লক্ষীপেঁচা  ছবি : অনন্ত সাঁতরা কুকুরের কামড়ে জখম হয়েছে একটি লক্ষীপেঁচা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার সময় সিঙ্গুর থানার বাসুবাটি পঞ্চায়েতের কাঁসারিপুকুর মাঠে ধানের জমিতে ইঁদুর শিকারের জন্য প্যাঁচটি বসেছিল। সেই সময় একদল কুকুর পেঁচাটিকে দেখতে পেয়ে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পেঁচাটি ধরে কুকুরে টানাহ্যাঁচড়া করতে থাকে। এই ঘটনা দেখে স্হানীয় গ্রামবাসীরা ছুটে গিয়ে কুকুরের কামড়ে থেকে তাঁকে উদ্ধার করে।   পেঁচাটির ডানদিকের ডানা রক্তাক্ত হয়ে অকেজো হয়ে গেছে । জখম অবস্থায় পেঁচাটিকে মাঠের ধারে শ্রীরামপুর গ্রামের একটি বাড়িতে খাঁচার মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক শুশ্রূষা চলছে ক্ষতস্থানটি সারানোর । সেই সঙ্গে তাঁকে খেতে দেওয়া হচ্ছে। গ্রামবাসীরা জানান, পেঁচাটি সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে।