পোস্টগুলি

রামমোহন থেকে রাইট টু ইনফরমেশন : প্রশ্নের ভেতরেই স্বাধীনতা

ছবি
রামমোহন থেকে  রাইট টু ইনফরমেশন :  প্রশ্নের ভেতরেই স্বাধীনতা অয়ন মুখোপাধ্যায়  রামমোহন রায়কে আমরা যতই ভক্তিভরে স্মরণ করি না কেন, তিনি আসলে ছিলেন একেবারে অস্বস্তিকর মানুষ। কারণ তিনি প্রশ্ন করতে জানতেন। সমাজ যখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিল, তখন তিনি এসে বললেন—“বিধবাকে কেন পুড়তে হবে?” সমাজ যখন ভেবেছিল, মেয়েদের শিক্ষার দরকার নেই, তখন তিনি বললেন—“মেয়ে মানুষ, ওদেরও মাথা আছে।” একে তখনকার গোঁড়ারা দেখলেন ভয়ঙ্কর ধাক্কা হিসেবে। প্রশ্ন মানেই আসল সমস্যা। অন্ধকারে সবাই ভালো ঘুমোয়, আলো জ্বলে উঠলেই চোখে ঝাঁঝ ধরে। আজ যখন 2025 এ আমরা নিজেদের গর্ব করে বলি—আমরা গণতান্ত্রিক নাগরিক। কিন্তু এই নাগরিকের পরিচয়টাই আসলে তৈরি হয় প্রশ্ন করার ভেতর দিয়ে। আর সেই প্রশ্ন করার আইনগত অধিকার আমাদের দিয়েছে Right to Information। নাম শুনলেই অনেকে কুঁকড়ে যান। কারণ RTI মানে তো সরকারকে, আমলাকে, নেতাকে, ঠিকাদারকে, দপ্তরকে জবাব দিতে হবে। অথচ তাঁরা তো অভ্যস্ত প্রশ্ন করতে, উত্তর দিতে নয়। ফলে RTI-র আবেদন পড়লে অনেক দপ্তরের অবস্থা হয় ঠিক যেমন রামমোহনের বক্তৃতা শুনে পাড়ার গোঁড়াদের হতো—মুখ গম্ভীর, ভুরু কুঁচকানো, ঠোঁট থেকে ভাঁটার ...

ভাঙবে তবু মচকাবে না ইসরায়েল প্যালেষ্টাইন রাষ্ট্র ঘোষণা গলায় ধারালো অস্ত্র রাখার মতো : নেতানিয়াহু

ছবি
ভাঙবে তবু মচকাবে না  ইসরায়েল  প্যালেষ্টাইন রাষ্ট্র ঘোষণা  গলায় ধারালো অস্ত্র রাখার  মতো : নেতানিয়াহু ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  ভাঙবে তবু মচকাবে না ইসরায়েল। শুক্রবার জাতিপূঞ্জে ভাষণ দিতে গিয়ে প্যালেষ্টাইন কে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি কে ইসরায়েলের জাতীয় বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা করলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন "আমরা আপনাদের একটি সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র নামের ধারালো অস্ত্র আমাদের গলায় বিধিয়ে দিতে দেবোনা। তিনি প্যালেষ্টাইনে গণহত্যাকে সন্ত্রাসবাদী দমন হিসেবে দেখিয়ে গণহত্যার দাবীকে উড়িয়ে দিয়েছেন কার্যত। ইয়োরোপে ইসরায়েলের বিপক্ষে আন্দোলন তীব্র হয়েছে। একপ্রস্থ ইয়োরোপের মানুষ প্যালেষ্টাইনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। সেটাকেই নাম না করে ধিক্কার জানিয়েছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

অবশেষে গ্রেফতার হলেন সোনম ওয়াংচুক

ছবি
অবশেষে গ্রেফতার হলেন  সোনম ওয়াংচুক ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : গ্রেফতার হলেন আবহাওয়া ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতা লাদাখের সোনম ওয়াংচুক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারতীয় সংবিধানের ষষ্ঠ তফশিল অনুযায়ী লাদাখ কে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক। তার নামে অভিযোগ প্রতিবাদের নাম করে তিনি লাদাখে হিংসা ছড়িয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে লাদাখের ডিজিপি এস ডি জামওয়ালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী সোনম ওয়াংচুক কে লেহ থেকে গ্রেফতার করেন। আজ ভারতীয় সময় দুপুর ২:০০ য় সোনম ওয়াংচুক র একটি প্রেস কনফারেন্স করার কথা ছিলো। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। লাদাখ কে রাজ্যের মর্যাদা দিতে হবে এই নিয়ে গৃহ মন্ত্রকের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াংচুক ও তার পরিচিত রা ১৫ দিন ধরে অনশন করছিলেন। ঠিক পনের তম দিনে লাদাখে হিংসা ছড়ায়। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা বলেছেন ওয়াংচুকের গ্রেফতারি হতাশাজনক।

জিরাট পঞ্চায়েতে বাজে স্ল্যাব বসার আগেই ভেঙে যাচ্ছে

ছবি
 জিরাট পঞ্চায়েতে বাজে স্ল্যাব  বসার আগেই ভেঙে যাচ্ছে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : জিরাট পঞ্চায়েত এলাকায় সরকারি কাজকর্মে আবারও উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। পঞ্চায়েতের উদ্যোগে আনা কংক্রিটের স্ল্যাবগুলি বসানোর আগেই ভেঙে যাচ্ছে। ট্রাকভর্তি ওই স্ল্যাব নামানোর সময়ই দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি স্ল্যাবের প্রান্তে ফাটল, ভেতরে লোহার রড উন্মুক্ত, এমনকি হাত দিলেই চুন-বালির মতো ভেঙে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, “মানহীন সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। সরকারি অর্থ খরচ করে যে কাজ হচ্ছে, তা টেকসই হবে না।” তাঁদের দাবি, শাসক দলের আশীর্বাদে ঠিকাদাররা নিম্নমানের মাল জোগান দিচ্ছে। দুর্নীতির গন্ধ আরও স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায়, ট্রাক থেকে নামানো স্ল্যাবগুলির বেশিরভাগই ব্যবহারযোগ্য নয়। এমনকি কিছু স্ল্যাব ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থায়। বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন— কেন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় মান যাচাই করা হয়নি, আর কারা এই নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ করছে? এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীরা বলছেন, পঞ্চায়েত যদি নজরদারি না করে তবে কাজের কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তা বা নির্মাণ ধসে পড়বে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে তদন্ত করে দোষী...

বিদ্যাসাগর রি-ভিজিটেড : সমকালীন সংকটে উত্তর

ছবি
  বিদ্যাসাগর রি-ভিজিটেড :  সমকালীন সংকটে উত্তর অয়ন মুখোপাধ্যায় বিদ্যাসাগরকে নিয়ে আমরা প্রায়শই ভক্তিভরে বলি—‘দয়ার সাগর’। এই একটি বিশেষণে তাঁর জীবনকে বেঁধে ফেলা সহজ। কিন্তু তাঁর মধ্যে কেবল দয়া নয়, ছিল যুক্তি, দৃঢ়তা, বিদ্রোহ, মানবিকতা। তাঁর জীবন আসলে এক দীর্ঘ লড়াই—শিক্ষার জন্য, নারীর অধিকার রক্ষার জন্য, সাম্যের জন্য। সেই লড়াই আমাদের আজও প্রশ্ন করে, আজও পথ দেখায়। একবিংশ শতকের সমাজ যতই প্রযুক্তি-নির্ভর হয়ে উঠুক, বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ততই প্রাসঙ্গিক। শিক্ষার প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক। বিদ্যাসাগর ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সৈনিক। সংস্কৃত কলেজে তিনি প্রাচীন একচেটিয়া শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন। শুধু উচ্চবর্ণের ছেলে নয়, নিম্নবর্গেরও শিক্ষার অধিকার আছে—এই দাবিই ছিল তাঁর মূল কথা। একাধারে তিনি নতুন পাঠক্রম চালু করলেন, বাংলা ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করলেন, আবার মফস্বলে অসংখ্য স্কুল খুললেন। এমনকি গরিব ছাত্রদের বই নিজে কিনে দিতেন। প্রশ্ন হচ্ছে, আজকের দিনে এই পাঠ কোথায় দাঁড়ায়? শিক্ষা এখন এক বিরাট বাজার। প্রাইভেট স্কুলের ফি সাধারণ পরিবারের নাগালের বাইরে। ...

মানুষের মনে কি ভীড় করছে অসম্ভব হিংস্রতা?

ছবি
 মানুষের মনে কি ভীড় করছে  অসম্ভব হিংস্রতা? অধ্যাপিকা সুজাতা মুখোপাধ্যায় ফেইসবুকে একটা ভাইরাল পোস্ট দেখে এই লেখাটা। সম্প্রতি হাবরায় জুডিও এর শোরুম এর উদ্বোধন হলো। এই নিয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটার দের মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা বা উন্মাদনা ছিল। কাজের খাতিরে ওদের এসব করতে হয় যাতে কন্টেন্ট এর প্রতি মানুষের এনগেজমেন্ট বাড়ে । এরকম ভাবেই বিভিন্ন জায়গায় শ্রীলেদার্স এর শোরুম খোলা হয়। কোথাও পলাশ শাড়ি এম্পোরিয়াম এ নজিরবিহীন সেল অথবা কোয়েস্ট মল এ আল্ডো ব্যাগ 2000 টাকায় দেওয়া হচ্ছে পুজোর সময়। সেটা ঘিরেই মানুষের উত্তেজনা।  উত্তেজনা আমাদের সময়েও ছিল। নতুন খাবার, নতুন জুতোর দোকান জামার দোকান নিয়ে আলাদাই আনন্দ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এবং মানুষের ব্যবহার, তাদের কর্য্যালাপ আমাকে ভাবতে বাধ্য করছে যে আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য কি সমাজ আমরা তৈরি করে যাচ্ছি। ফেসবুক এর ছবিতে দেখলাম কি ভাবে জুডিও এর শোরুম এ জুতো ট্রায়াল দেওয়ার নাম করে ফুটপাথ এ যেভাবে জুতো পড়ে থাকে সেভাবে ফেলে রেখেছে। মেকআপ এর টেস্টার, পারফিউম ব্যবহার করে সেগুলো কে ফেলে ভেঙে একাকার করে রেখেছে। জামাকাপড় ছত্রাকার ...

পূজোর সাতকাহন

ছবি
    বৈদ্যবাটী   জোড়া অস্বথ্বতলা  দূর্গা পূজা কমিটি   🔴 এবারে জোড়া অস্বথ্বতলা  পূজা কমিটি র পূজা  ৫৭ বছরে পড়েছে।  তাদের থিমের মূল বিষয় জীবন।  জীবনের নানা টানা পোড়েন  নানা আঙ্গিক ফুটে উঠেছে  তাদের এবারের থিমে।  থিম আধুনিক হলেও প্রতিমা একচালা সাবেকি।  এখনো মণ্ডপ সজ্জার কাজ সম্পন্ন হয়নি।