পোস্টগুলি

পূজো পূজো ভাব আর ঢাকীর অভাব? কেমন আছেন বাংলার ঢাকীরা?

ছবি
 পূজো পূজো ভাব  আর ঢাকীর অভাব?  কেমন আছেন  বাংলার ঢাকীরা? দূর্গা পুজা আসতেই ঢাকীপাড়ায় ঢাক সারাতে ব্যস্ত ঢাকী শিল্পীরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঢাকি পাড়ায় এই ছবি ই ধরা পড়লো। পুজো আসে আর পূজো যায়। অন্যকে আনন্দ দিতে ব্যস্ত থাকে এই ঢাকি শিল্পীরা কিন্তু তাদের খবর সারা বছর কে রাখে? বাঙালির শ্রেষ্ঠ পূজা দুর্গা পূজা, আর সেই দুর্গাপূজায় পরিবার থেকে অনেক দূরে থাকতে হয় এদের। শুধুমাত্র বেশি অর্থ উপার্জনের জন্যই এরা পূজোর কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন জায়গার মন্ডপে মন্ডপে পাড়ি দেয়। আমরা আজকে পাখিরা পাড়ার এইসব মানুষদের কিছু কথা শোনাবো। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না ব্লকের পরমানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই পাখিরা পাড়া। এই পাড়ার প্রায় দেড়শটি পরিবার এই বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে তাদের জীবিকা অর্জন করে। পূর্বপুরুষের হাত ধরে এই পাখিরা পাড়ার প্রত্যেকটি পরিবারের মানুষ ঢাক বাজিয়ে তাদের পরিবারের জীবন যাপন অতিবাহিত করে। কিন্তু বর্তমান সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে অনেকে তাসা পাটি বাজিয়েও অর্থ উপার্জন করে। সারা বছর স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ছোটখাটো পূজার্চনায় তা...

কোন্নগরের রাজরাজেশ্বরী মঠে নবরাত্রি উৎসব

ছবি
 কোন্নগরের রাজরাজেশ্বরী  মঠে নবরাত্রি উৎসব পুলক চক্রবর্তী, কোন্নগর ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে শারদীয়া নবরাত্রি উৎসব শঙ্করাচার্য স্বামী স্বরূপানন্দ সরস্বতী প্রতিষ্ঠিত কোন্নগর রাজরাজেশ্বরী মঠে একই নিয়মে চলছে নবরাত্রি উৎসব। প্রতিবছর মহালয়ার পরের দিন শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় নবরাত্রি উৎসব। এই উপলক্ষে কোন নগরের রাজরাজেশ্বরী মঠে জ্বালানো হয়েছে ২০০১ একটি অখন্ড প্রদীপ, যা অখন্ড জ্যোতি নামে প্রচলিত। একটা না নয়দিন ধরেই প্রদীপ জ্বালানো থাকবে মায়ের গর্ভ মন্দিরের নীচে। এছাড়া অষ্টমীর দিন নব দূর্গা রূপে নয় জন কুমারী ও একজন বালককে এই গ্রুপে পূজা করা হয়। পাশাপাশি ১০০১ কুমারীকে উপহার সহ ভোজন ও বিশেষভাবে পূজা করা হয়। এই নবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত মঠে পুজো দিতে আসেন। প্রতিদিন ভজন কীর্তন সহ মা জগদম্বা রাজরাজেশ্বরী কে নয় দিন ধরে নব দূর্গা রূপে পুজো করা হয়। মঠের প্রধান পুরোহিত ব্রহ্মচারী সচিচৎ স্বরূপ এবং ব্রহ্মচারী শ্রীধর দ্বিবেদী বলেন আজ মায়ের পুজোর ঘট স্থাপন করা হয়েছে, এবং বিশ্ববাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রা...

জলমগ্ন রাজ্য জলমগ্ন কলকাতা পুজোতে ভাসাতে পারে নিম্নচাপ

ছবি
জলমগ্ন রাজ্য  জলমগ্ন কলকাতা  পুজোতে ভাসাতে পারে  নিম্নচাপ                       ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : পূজো আসছে বাতাসে পূজো পূজো গন্ধ সেগুড়ে বালি ঢালতে প্রস্তুত অকাল নিম্নচাপ। আই এম ডি সূত্রে জানা গিয়েছে ২৩-২৭ সেপ্টেম্বর, ওড়িষ্যা, ছত্রিশগড়, সহ একাধিক রাজ্যে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা। আই এম ডি র রেডার ইমেজে স্পষ্ট বঙ্গোপসাগরে সাগরদ্বীপ থেকে পারাদ্বীপ হয়ে বিশাখাপত্তনম পর্যন্ত একটি গভীর নিম্নচাপের অক্ষরেখা ক্রমশঃ শক্তি বৃদ্ধি করছে। যার জেরে পূজোর কটাদিনেও ভুগতে হতে পারে বঙ্গ বাসীদের।  কাল থেকেই কলকাতার অবস্থা বেহাল রাস্তায় রাস্তায় জল। প্রবল বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত ব্যান্ডেল হাওড়া ট্রেন পরিষেবা। কলকাতা জলমগ্ন, আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, বেহালা, কসবা, তোপসিয়া, গার্ডেনরিচ খিদিরপুরে জল জমেছে। ময়দান মেট্রো জল জমার জেরে ব্যাহত। এই পর্যন্ত বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে তিনজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে কলকাতায়। বেনিয়াপুকুরের ব্যবসায়ী নির্মল প্রধান সহ পথচলতি মানুষ বলছেন উন্নয়নের জোয়ারে লন্ডন তো ভাসবেই।  রাজ্য জুড়ে নিকাশী ব্যবস্থা অপ্রতু...

আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের হাতে বস্ত্র তুলে দিলো চন্দননগর ইস্পাত সংঘ

ছবি
আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া  মানুষদের হাতে  বস্ত্র তুলে দিলো  চন্দননগর ইস্পাত সংঘ  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : চন্দননগর ইস্পাত সংঘ ও বইমেলা বান্ধব সমিতির উদ্যোগে মহা সমারোহে পালিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ যারা দুর্গোৎসবের আনন্দ বঞ্চিত তাদের ১৭০ জন কে নতুন উপহার তুলে দিলো ইস্পাত সংঘ বইমেলা বান্ধব সমিতি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংঘ সভাপতি সুশান্ত সিংহ, সম্পাদক শিবশঙ্কর ঢালী, তনুশ্রী ঘোষ প্রমুখ। সুশান্ত সিংহ জানান দরিদ্র নিরণ মানুষ পূজোর আনন্দ পাবেনা এটা হতে পারেনা। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের কিছুটা ছোঁয়া সব মানুষের প্রাপ্য। আমাদের সহ নাগরিক আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষকে আমাদের সাধ্যমতো কিছুটা সাহায্য করার চেষ্টা করলাম। প্রয়োজনের তুলনায় হয়ত সামান্য তবে এই প্রয়াস অন্যদের অনুপ্রাণিত করুক আমরা চাই। ইস্পাত সংঘ একটা প্রতিষ্ঠান নয় একটা উন্নত ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠুক এটাই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।       

প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তামিলনাড়ু তে বৃদ্ধ কে বাঁচালেন আর পি এফ কর্মী মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও

ছবি
প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তামিলনাড়ু  তে বৃদ্ধ কে বাঁচালেন  আর পি এফ কর্মী  মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই শহরের চেন্নাই পার্ক রেল স্টেশনে ব্যস্ততাম দিন সোমবার। সবে প্লাটফর্ম থেকে একটি ই এম ইউ ট্রেন ছেড়েছে এক বয়বৃদ্ধ দৌড়ে গেলেন ট্রেন ধরতে। কিন্তু সামলাতে না পেরে ট্রেনের চাকার নীচে চলে যাচ্ছিলেন। এমন সময় ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে এলেন রেল পুলিশ কর্মী। এক হেঁচকা টানে বাঁচিয়ে তুললেন বৃদ্ধ যাত্রী কে। ভাইরাল ভিডিও টি প্রকাশ করেছে ভারতীয় রেল যদিও ঐ বৃদ্ধ যাত্রী বা ট্রেন সম্পর্কে কিছু প্রকাশ করেনি।      

অনু গল্প খোঁজ

ছবি
  অনু গল্প খোঁজ অয়ন মুখোপাধ্যায়  ট্রামটা ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল কলেজ স্ট্রিটের ভিড়ের ভেতর দিয়ে। জানলার বাইরে বইয়ের দোকানগুলো পেছনে সরে যাচ্ছিল। সাদা-কালো অক্ষর ভেসে আসছিল চোখে, অথচ কোনো শব্দের মানে দাঁড় করাতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল কোথাও যেন আগে এসেছি, কোথাও আগে বসেছি, কিন্তু তার নামটা মনে পড়ছে না। পাশের সিটে বসা লোকটা হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করল, —“কোথায় নামবেন?” আমি মুখ খুলে কিছু বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ঠোঁট দিয়ে বেরোল একেবারেই অন্য শব্দ। আমি নিজেই যেন চিনতে পারলাম না সেই উত্তর। লোকটা একটু অবাক হয়ে তাকাল, তারপর হাসল, আবার নিজের দিকে ফিরল। ট্রামটা কাঁপতে কাঁপতে এগোচ্ছিল। আমি পকেট থেকে টিকিট খুঁজতে গিয়ে বের করলাম একটা পুরনো কাগজ—চিঠি হবে হয়তো। অর্ধেক মুছে যাওয়া অক্ষর, কালি ছড়ানো। উপরের দিকটা কেটে ফেলা, ঠিকানাটুকু নেই। লিখেছিলাম কাকে? কবে? মনে নেই। শুধু দেখেই বুকের ভেতর কেমন হাহাকার উঠল। আজকাল তো চিঠি উঠে গেছে তাহলে এইসব পকেটে এলো কি করে। জানলার ধারে হেলান দিলাম। রাস্তার নামগুলো চোখে পড়ছিল— এমনকি বিদ্যাসাগর , কলেজ হেকে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় সবকিছুই… পরিচিত, অথচ কোথাও যেন ...

মহালয়ার পূন্যলগ্নে শুভ উদ্বোধন ওয়ার্ড দর্পন শারদ সংখ্যার

ছবি
মহালয়ার পূন্যলগ্নে  শুভ উদ্বোধন  ওয়ার্ড দর্পন শারদ সংখ্যার ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : বিকল্পের ভাবনা নিয়ে মহালয়ার পুন্য লগ্নে পথ শুরু করা পত্রিকা ওয়ার্ড দর্পনের শারদ সংখ্যা প্রকাশ হল চন্দননগরে। রবিবার মহালয়ার দিন পিতৃপক্ষের শেষ দেবী পক্ষের শুরু। এই পূন্য শাশ্বত লগ্নে পত্রিকার শারদ সংখ্যার উদ্বোধন করেন নাট্যকার শিবশঙ্কর চক্রবর্তী, অর্ধেন্দু শেখর গোস্বামী, সাহিত্যিক অরুণ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। শুরুতে আগমনী গানের মধ্য দিয়ে শুভ শক্তির আবাহন করেন গানের স্কুল স্বরবিতান র সমবেত সংগীতশিল্পীরা। প্রচ্ছদ তৈরী করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী রবীন দাস। সম্পাদক শ্রীহির সুর প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার উপদেষ্টা প্রাক্তন বিধায়ক রতন ব্যানার্জী। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এলাকার পৌর প্রতিনিধি অশোক গাঙ্গুলি। শ্রীহির সুর বলেন মূলত আমাদের কাউন্সিলার যে উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন তা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। মানুষকে সাংস্কৃতিক ভাবে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে পথচলা শুরু ওয়ার্ড দর্পন পত্রিকার। প্রাক্তন বিধায়ক রতন ব্যানার্জী বলেন চন্দননগরে ওয়ার্ডে এতো পৌরসদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আমরাও ভাবিনি ওয়ার্ড এ...