কোন্নগরের রাজরাজেশ্বরী মঠে নবরাত্রি উৎসব

 কোন্নগরের রাজরাজেশ্বরী

 মঠে নবরাত্রি উৎসব



পুলক চক্রবর্তী, কোন্নগর ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে শারদীয়া নবরাত্রি উৎসব শঙ্করাচার্য স্বামী স্বরূপানন্দ সরস্বতী প্রতিষ্ঠিত কোন্নগর রাজরাজেশ্বরী মঠে একই নিয়মে চলছে নবরাত্রি উৎসব। প্রতিবছর মহালয়ার পরের দিন শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় নবরাত্রি উৎসব। এই উপলক্ষে কোন নগরের রাজরাজেশ্বরী মঠে জ্বালানো হয়েছে ২০০১ একটি অখন্ড প্রদীপ, যা অখন্ড জ্যোতি নামে প্রচলিত। একটা না নয়দিন ধরেই প্রদীপ জ্বালানো থাকবে মায়ের গর্ভ মন্দিরের নীচে। এছাড়া অষ্টমীর দিন নব দূর্গা রূপে নয় জন কুমারী ও একজন বালককে এই গ্রুপে পূজা করা হয়। পাশাপাশি ১০০১ কুমারীকে উপহার সহ ভোজন ও বিশেষভাবে পূজা করা হয়। এই নবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত মঠে পুজো দিতে আসেন। প্রতিদিন ভজন কীর্তন সহ মা জগদম্বা রাজরাজেশ্বরী কে নয় দিন ধরে নব দূর্গা রূপে পুজো করা হয়। মঠের প্রধান পুরোহিত ব্রহ্মচারী সচিচৎ স্বরূপ এবং ব্রহ্মচারী শ্রীধর দ্বিবেদী বলেন আজ মায়ের পুজোর ঘট স্থাপন করা হয়েছে, এবং বিশ্ববাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা জানানো হয় মা জগদম্বার কাছে। উপ-প্রধান পুরোহিত শ্রীধর দ্বিবেদী বলেন যত বেশি মায়ের আরাধনা করবেন ততই মায়ের কৃপা লাভ করা যাবে এই বছরে পুজোরআয়োজনে আছেন সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরাই। কুমারীদের পরিবারের সদস্যরা তাদেরকে নিয়ে আসবেন মঠে। মূল মন্দিরের পশ্চিম দিকে হবে কুমারী পুজো। দুস্থ মানুষদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হবে। সংস্কৃতে নবরাত্রি নয় রাত এই নটি রাতে লোকেরা উপবাস পালন করে এবং মা দুর্গার নয়টি রূপের উদ্দেশ্যে বিশেষ প্রার্থনা করে। দেবী দুর্গা দেবী পার্বতীর অবতার তিনি মহিষাসুরকে ধ্বংস করার জন্য দেবী দুর্গার অবতার গ্রহণ করেছিলেন। শারদীয়ার নবরাত্রি প্রথম দিনে দেবী দুর্গার নামে ঘট স্থাপন করা হয়। এই দিন থেকে শুরু হয় নবরাত্রি পূজা। প্রথম দিনে দেবী দুর্গার প্রথম রূপ শৈল পুত্রীরপূজা করা হয়। তামার একটি বড় ঘট স্থাপন করা হয়। প্রথমে ঘটের উপর হলুদ লাগানো হয়, গঙ্গা থেকে জল এনে তারপরে ঘটে জল ভরে দেওয়া হয়, রুপোর টাকা ঘটের মধ্যে রাখা হয়, এরপর একটি লাল রঙের নতুন কাপড়ে নারকেল জড়িয়ে ঘটের উপর রাখা হয়, হলুদ ও কুমকুম দিয়ে ঘটে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা হয়, নরম মাটি দিয়ে একটি বৃত্তের আকার তৈরি করে তার উপর তামার ঘটটি বসানো হয়, মাটির ৪০০ টি সরায় শস্যগুলি পুতে এবং মাটি দিয়ে তাদের ঢেকে দেওয়া হয়, মাটির ওপর কিছুটা জল ছিটিয়ে তার উপর রাখা হয়, ঘটে ফুলের মালা দেওয়া হয়, প্রদীপ জ্বালানো হয়, এবং ঘটে পুজো করা হয়। পান পাতা, ফুল, কিছু শস্য, ফল এবং দুধ দেওয়া হয়। ভোগে থাকে পায়েস, খিচুড়ি, পোলাও, সবজির তরকারি, পনির, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি। দেবী দুর্গার আরতী করা হয়। নবরাত্রি উপলক্ষে পুজোর আয়োজনে রয়েছেন ব্রহ্মচারী হৃত্বিক মিশ্রা, সৌরভ মিশ্রা, রবি চৌবে, প্রভাত পাচৌরি সহ-প্রমুখরা।

     




এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে

 যোগাযোগ করতে পারেন 

১ মাসের বিজ্ঞাপন খরচ

 মাত্র ৩০০ টাকা 






style="text-align: justify;">


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জালিয়াতি করে চলছে রেস্টুরেন্ট দোকানের মালিকের অভিযোগে বাতিল জাল ট্রেড লাইসেন্স

চন্দননগর ইস্পাত সংঘে চলছে টি সি এস এ চাকরির ট্রেনিং

বৈদ্যবাটী সীতারাম বাগানে দম্পতির রক্তাক্ত দে উদ্ধার