পোস্টগুলি

কূটনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে কি নতুন বন্ধু খোঁজার পথে?

ছবি
 "মেরেছো কলসির কানা  তাবলে কি প্রেম দেবোনা?" কূটনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে কি  নতুন বন্ধু খোঁজার পথে? (মতামত লেখকের নিজস্ব পত্রিকা এই মতামতের জন্য কোনভাবে দায়ী নয়) কালভৈরব   "মেরেছো কলসির কানা তাবলে কি প্রেম দেবোনা?" এমন দৃশ্য দেখেও সুখ গো। এ যেন ঘোর শাক্ত ও বৈষ্ণবের মহামিলন। কালী কৃষ্ণ সবাকার। রাধাঅষ্টমী তে রাধাভাবে এমন প্রেম যে দেখবো ভাবতে কষ্ট হয়। না মহামানব নিয়ে আমি কিস্যু বলবো না।  কিছু জিনিস মনে করবো। একটা উগ্র দক্ষিণপন্থী সরকার আর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কোন ভরত মিলাপ হচ্ছে না। এটা স্বার্থের সংযোগ। এটার প্রয়োজন হতোনা যদি ভারতের বর্তমান সরকার ও তাদের কূটনৈতিক উপদেষ্টা রা পঞ্চশীল ও জোট নিরপেক্ষ নীতিকে সমর্থন করতেন তো। আমেরিকার প্রতি পক্ষপাত করতে গিয়ে ভারতীয় কূটনীতি ব্যর্থতায় ডুবেছে। এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।  তখন কেন্দ্রে দ্বিতীয় ইউ পি এ সরকার। তখন মসনদ থেকে ভাজপা মাইল খানেক দূরে। ২০০৭ থেকে ২০০৯ আমেরিকায় আবাসন শিল্পে মহামন্দা দেখা যায়। ব্যাপক ঋণ রিকোভারি করার ব্যর্থতা। ও ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গুলিকে ঋণ দেওয়া রোধ করার জন্য মহামন্দা দেখা যায়। সার...

মায়াপুর ইসকনে মহাসমারোহে পালিত হল রাধাঅষ্টমী মহোৎসব

ছবি
মায়াপুর ইসকনে  মহাসমারোহে পালিত হল  রাধাঅষ্টমী মহোৎসব পুলক চক্রবর্তী, ৩১শে আগস্ট, রবিবার ইসকনের প্রধান কেন্দ্র শ্রীধাম মায়াপুর সহ বিশ্বব্যাপী সমস্ত শাখা কেন্দ্রীয় শ্রীমতি রাধারানীর শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব রাধা অষ্টমী যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও রীতিনীতি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাঁকজমক সহকারে পালন করা হয়। রসিক গৌরাঙ্গঁ দাস জনসংযোগ আধিকারিক ইসকন শ্রী মায়াপুর বলেন, রবিবার শ্রীমতি রাধারানীর আবির্ভাব মহোৎসব রাধা অষ্টমী পালন করা হচ্ছে। মন্দির প্রাঙ্গণ ফুল ও আলোকমালায় সুসজ্জিত করা হয়েছে, জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশ-বিদেশের বহু ভক্তই উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। রাধা এবং কৃষ্ণ এক ও অভিন্ন, দুজনেই সমান, যেমন দুধ এবং তার ধবলত্ব, অগ্নি এবং তার দাহিকা শক্তি, যেমন অভেদ করা যায় না তদরুপ রাধা কৃষ্ণ এক আত্মা দুই তনুধারী। ভগবান যুগে যুগে ধরাধামে অবতীর্ণ হন লীলা বিলাসের জন্য। যেমন ক্রেতা যুগে ভগবান শ্রী রামচন্দ্র লীলা সঙ্গিনী রূপে সীতা দেবীকে নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন ,দ্বাপর যুগে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ শ্রী রাধারানী অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ত্রিতাপ দগ্ধ দুঃখ ...

পৃথিবীর টেলিস্কোপে ধরা পড়লো নতুন গ্রহের জন্ম মুহুর্ত

ছবি
পৃথিবীর টেলিস্কোপে  ধরা পড়লো  নতুন গ্রহের জন্ম মুহুর্ত  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: মহাকাশে গরম গ্যাস খেয়ে বড় হচ্ছে একটা পিন্ড। চক্কর খাচ্ছে একটি ছোট নক্ষত্রের চারিদিকে। এমন আশ্চর্য ছবি ধরা পড়লো অ্যারিজোনার লার্জ বাইনকুলার টেলিস্কোপে।  লক্ষ কোটি বছর আগে আমাদের সৌরজগতে গ্রহ তৈরীর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে চারশো আলোকবর্ষ দূরের ঘটনাটি। এমন মত জ্যোতির্বিজ্ঞানী দের। সূর্যের মতো নক্ষত্রের বাইরের গ্যাসের উজ্বল ডিস্ক'র চারিপাশের ছোট শূন্যস্থানে গ্রহটিকে ঘুরতে দেখা গেছে। অস্ট্রোফিজিক্যাল জারনালে এ বিষয়ে বিস্তারিত লেখা হয়েছে বলে খবর। নেদারল্যান্ডের লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী রিচেল ভ্যান কেপেনবেললে ও তার টিম উইশপ্যাট ২ নাম একটি নক্ষত্রের ওপর গবেষণা করছিলেন। পৃথিবী থেকে চারশো আলোকবর্ষ দূরে এর অবস্থান। অ্যারিজোনার লার্জ বাইনোকুলার টেলিস্কোপ মহাকাশ থেকে আসা ইনফ্রারেড তরঙ্গ থেকে উক্ত তারার প্রোটো প্ল্যানিটরি ডিস্ক থেকে একটি বৃহস্পতি গ্রহের মতো গ্যাসিয় গ্রহ আবিষ্কার করেন। গ্যাসীয় দৈত্য গ্রহটি প্রোটো প্লানেটোরি ডিস্ক থেকে হাইড্রোজেন সহ গরম গ্যাস সংগ্রহ করে বড় হচ্ছে এমনটাই দেখা গেছে...

বলাগড়ে বন্দর পরিবেশরক্ষা ও সমন্বয়: বামপন্থী দের দাবি

ছবি
 বলাগড়ে বন্দর পরিবেশরক্ষা  ও সমন্বয়: বামপন্থী দের দাবি   অয়ন মুখোপাধ্যায় বাংলার বুকে, বিশেষত বলাগড়ের মতো নদীমুখে অবস্থিত অঞ্চলগুলো জেগে উঠেছে এক নতুন চ্যালেঞ্জ ও গল্পের মায়াজালে। নব্বইয়ের দশকে বাম সরকারের আমলে সিএসসির জন্য অধিগৃহীত জমি এখন নতুন করে বন্দরের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবেশ রক্ষার প্রশ্ন, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং উন্নয়নের বাঁকা পথ। এলাকার মানুষের দাবি সরল—“পরিবেশ বাঁচুক, স্থানীয় ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থান হোক, আর জমির উপর দখল হোক কেবল পরিবেশ-বান্ধব ও মানুষের উপযোগী।” এই দাবির ভিতরেই বামপন্থীদের পুরনো অবস্থান প্রতিফলিত হচ্ছে। কারণ তারাই প্রথম এই জমিতে রাস্তা ও মৌলিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন করেছিলেন—এলাকার দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন মাথায় রেখে। পরিবেশবান্ধব বন্দর: একটি যৌক্তিক বিকল্প প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা: গঙ্গার তীরে শিল্পায়ন মানেই নদীর জৈবিক ও ভূতাত্ত্বিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা। নব্বইয়ের দশকে বাম সরকারের আমলে সিএসসির জন্য যে সুউচ্চ রাস্তা ও অবকাঠামো তৈরি হয়েছিল, তা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অঞ্চলটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। আজ সেই অঞ্চ...

“১৯৫৯ সালের খাদ্য আন্দোলন: ক্ষুধা যখন রাজনৈতিক ইতিহাসকে গড়ে দিল”

ছবি
 “১৯৫৯ সালের  খাদ্য আন্দোলন:  ক্ষুধা যখন রাজনৈতিক  ইতিহাসকে গড়ে দিল”   অয়ন মুখোপাধ্যায় স্বাধীনতার মাত্র এক যুগ পরে পশ্চিমবঙ্গ আবার ক্ষুধার অভিঘাতে কেঁপে উঠেছিল। ১৯৫৯ সালের খাদ্য আন্দোলন কেবল একটি দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী সংকটের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি ছিল জনগণের ন্যূনতম জীবিকা অর্জনের মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে রাষ্ট্রের প্রতি এক ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ। প্রেক্ষাপট ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে বাংলার লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল। স্বাধীনতার পর সেই অভিজ্ঞতা যেন বারবার ফিরে আসে খাদ্যাভাবের আকারে। ১৯৫৮-৫৯ সালে খাদ্যশস্যের উৎপাদন কমে যায়, মজুতদার ও কালোবাজারির দৌরাত্ম্যে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়, অথচ প্রশাসন ছিল উদাসীন। সরকারের ব্যর্থতায় মানুষের ক্ষোভ জমাট বাঁধতে থাকে। আন্দোলনের বিস্তার ১৯৫৯ সালের আগস্ট মাসে কলকাতা ও গ্রামীণ বাংলায় লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্যের দাবিতে পথে নামে। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, গৃহিণী—সবাই এক কণ্ঠে স্লোগান তোলে: “খাদ্য দাও, বাঁচতে দাও।” নেতৃত্ব দেয় বামপন্থী দলগুলো। ১৬ আগস্ট কলকাতার রাজপথে ইতিহাস রচিত হয়—প্রায় লক্ষাধিক মানুষের মিছিল নেমেছিল। দমননীতি ও শহিদ কিন্...

চন্দননগর ইস্পাত সংঘের ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে টিসিএস এ চাকরি পেলো ৫৯ জন

ছবি
চন্দননগর ইস্পাত সংঘের  ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে টিসিএস  এ চাকরি পেলো ৫৯ জন ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: আরও একটা পালক জুড়লো চন্দননগর ইস্পাত সংঘের টুপিতে। ইস্পাত সংঘ ও টাটা কনসাল্টেন্সি সার্ভিসের যৌথ উদ্যোগে কোর্স চলছিল চন্দননগরে। ১৮৬ জন ছাত্র ছাত্রী নথিভুক্ত হয়েছিলেন। ট্রেনিং র পরে লিখিত পরীক্ষা ও দুদফার ইন্টারভিউ র পরে ৫৯ জন সিলেক্ট হয়েছে টি সি এস এ। ইস্পাত সংঘের পক্ষে সুশান্ত সিংহ জানান চাকরির এই দুর্দিনের বাজারে ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে এটাই তো বড় খবর। ধন্যবাদ প্রাপ্য টি সি এস র যারা ছেলেমেয়েদের যোগ্যতা যাচাই করে তাদের চাকরী দিয়েছেন। আমরা এই পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবো। এটাই আমাদের অঙ্গীকার। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: justify;">

উৎসব যার যার, দূষণ সবার

ছবি
 উৎসব যার যার, দূষণ সবার বিশ্বজিৎ মুখার্জি  পরিবেশকর্মী ও আইনজীবী  *মুখপাত*  মানুষের সামাজিক জীবনে উৎসব একটি অন্যতম চিরায়ত আনন্দধারা। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ উৎসবের মধ্য দিয়ে সুস্থ অনাবিল আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করে। সমাজে নানান বর্ণময় উৎসবের মধ্যেই থাকে দূষণের অশনি সংকেত। উৎসবের দিনগুলোতে আমরা পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করে একে আরও বিপন্ন করে তুলি। আমাদের অভিজ্ঞতায় এটি স্পষ্ট, সামাজিক উৎসবের সময় অতিমাত্রায় লাউডস্পিকারের ব্যবহার, দীর্ঘসময় ধরে একই জায়গায় মাত্রাতিরিক্ত জনসমাবেশ, যানজট, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ও জলের ব্যবহার, বেশি পরিমাণে বর্জ্য পদার্থের সৃষ্টি ইত্যাদি এক স্থানীয় পরিবেশ সমস্যা ডেকে আনে।  *উৎসবজাত দূষণ নিয়ন্ত্রণ – ফিরে দেখা* মানুষের সামাজিক জীবনের এই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ উৎসবের মধ্য দিয়েই দীর্ঘকাল ধরে মাত্রাছাড়া দূষণ ঘটছে। একে নিয়ন্ত্রণ করতে রাজ্য সরকারের পরিবেশ দপ্তর ২০০৮ সালে বিভিন্ন পুজো আয়োজকদের মধ্যে পরিবেশগত ভাবে ‘সেরাদের সেরা নির্মল পূজা পুরস্কার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এই আয়োজনের অন্যতম ধারক-বাহক হিশেবে পরিবেশ দপ্তর নানান স্বেচ্ছাসে...