পোস্টগুলি

চাঁপদানী পৌর সভার পলতা ঘাটে জগদ্ধাত্রী মাতার মন্দিরে পালিত হচ্ছে সম্প্রতির জগদ্ধাত্রী পূজা:-

ছবি
 চাঁপদানী পৌর সভার  পলতা ঘাটে  জগদ্ধাত্রী মাতার  মন্দিরে পালিত হচ্ছে  সম্প্রতির জগদ্ধাত্রী পূজা:- পুলক চক্রবর্তী , কোন্নগর,২৯ অক্টোবর:- চাপদানী পৌর সভার পলতা ঘাটে জগদ্ধাত্রী মাতার মন্দিরে পালিত হচ্ছে জগদ্ধাত্রী পূজা। ধর্ম যে যার উৎসব সবার এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় বিভিন্ন ধরনের পৌরসভার পলতা ঘাটে জগদ্ধাত্রী পুজোয় সামিল হন। হিন্দি ভাষাভাষীদের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব সূর্য দেবতার ছট পূজা হলেও এই জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসব ও ধনী দরিদ্র সকলেই সমবেত হয়। যারা দরিদ্র এবং দুঃস্থ মানুষ তাদের অনেকেই হয়তো বস্ত্র কিনতে পারেনি তাদের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় চাঁপদানী পৌরসভার পৌর প্রধান সুরেশ মিশ্রার উদ্যোগে চাঁপদানী পৌরসভার পলতা ঘাটে দুঃস্থ মানুষদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় বস্ত্র। এই জগদ্ধাত্রী পুজোয় ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা মিশ্রা মহিলা সমিতির কর্মীদের সাথে নিয়ে পূজার আয়োজন করেন। এই পূজার সাথে যুক্ত আছেন স্থানীয় সংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি, স্থানীয় বিধায়ক অরিন্দম গুইন, ১৯ নম্বর ...
ছবি
চিন্তার আলোক  রেখায়:  পাঠকের প্রতি  এক নীরব প্রশ্ন   অয়ন মুখোপাধ্যায়  কখনো ভেবেছেন, একটি লেখা কাকে স্পর্শ করে? লেখককে, না পাঠককে?নাকি স্পর্শটাই দুজনের মাঝে ঘটে—একটি অদৃশ্য স্থানে, যেখানে শব্দ কেবল মাধ্যম, আর ভাবনা হয়ে ওঠে সংলাপের রূপক? আমি জানতে চাই এই যে বিগত কয়েক মাস ধরে অনর্গল লিখে গেলাম, লিখেই গেলাম, কোথাও গড় গড় করে কোথাও হর বড়িয়ে সেই অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে এ প্রশ্ন আমার একান্ত আপনাদের কাছে আমার পাঠক আমার ফেসবুক বন্ধু যারা আমার লেখা পড়েছেন (বা পড়েননি, টাইমলাইনে কিছু পড়ে নিতে পারেন)আমার প্রশ্ন-আমার গল্প, আমার কবিতা, আমার ভাবনা—আপনাকে কি সত্যিই নাড়া দিতে পেরেছে? আমার লেখা কি আজকের এই সময়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারছে? আপনার কোথাও পড়তে পড়তে মনে হয়েছে বাহ এটা তো একটা নতুন দিক? এইসব আরকি জানতে চাই। এবং জানতে চাই আপনি কি কখনো পড়তে পড়তে থেমেছেন, ভেবেছেন, "এই প্রশ্নটা তো আমারও!" নাকি কেবল চোখ বুলিয়ে গেছেন, যেমন শহরের ভিড়ে আমরা মুখগুলো দেখি, কিন্তু নাম জানি না? অথবা পড়তে পড়তে কখনো কি আমার নিজস্ব লিখন ভঙ্গিমা খুঁজে পেয়েছেন যা দিয়ে আম...
ছবি
বিকল্প ভাবনা ছড়িয়ে দিয়ে  চন্দননগর ইস্পাত সংঘ  বইমেলার পোস্টার প্রকাশ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো :  নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকে পথ চলা শুরু। বিকল্প সংস্কৃতি রক্ষার বার্তা নিয়ে ২৩ শে ডিসেম্বর শুরু হতে চলেছে ইস্পাত সংঘ আয়োজিত ২৫ তম চন্দননগর বইমেলা। চন্দননগর হাসপাতাল মাঠে এই মেলা আয়োজিত হতে চলেছে। সম্প্রতি বইমেলার প্রগারে একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে ইস্পাত সংঘ। এদিন ইস্পাত সংঘের পক্ষে সুশান্ত সিংহ জানান নতুন শতাব্দীর ২০০০ সালে ২৩ ডিসেম্বর পথচলা শুরু ইস্পাত সংঘের চন্দননগর বইমেলার। উদ্বোধন করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক কবি সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, জননেতা সুভাষ চক্রবর্তী, তৎকালীন বিধায়ক তড়িৎবরণ তোপদার, ড: দেবকুমার বসু। চন্দননগরে তখন সবকিছুই ছিলো সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল একটা প্রগতিশীল ছত্রছায়া ঐতিহাসিক স্থান কিন্তু যেটা ছিলোনা সেটা হল বইমেলা। ২০০০ সালে নতুন শতাব্দী থেকে বইমেলা শুরু করি। নিকোলাই অস্ত্রভস্কির ইস্পাত থেকেই আমরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলাম। সেই থেকেই ইস্পাত সংঘের পথচলা শুরু। আমরা ইস্পাত থেকে শিখেছি সারা জীবন ধরে এমন কাজ করে যাবো যাতে মানব মুক্তি সুনিশ্চিত করা যায়। ইস্পাত সংঘ শুধু বইমেলা নয় ...
ছবি
অমৃতলোকে চলে গেলেন  মহাভারতের কর্ণ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  চলে গেলেন মহাভারতের কর্ণ পঙ্কজ ধীর। বি আর চোপড়ার মহাভারত সিরিজে কর্ণের ভূমিকায় অভিনয় করে প্রসিদ্ধ হয়েছিলেন সারা দেশে। কুমারী মায়ের পুত্র কর্ণের জীবনযন্ত্রনা স্বয়ং আদিত্য র পুত্র হওয়া শস্ত্র বিদ্যায় মহা পারদর্শী কর্ণের ভূমিকা অপূর্ব উপস্থাপন করেছিলেন। চন্দ্রকান্ত দ্যা গ্রেট মারাঠা, যুগ, বড় বহু, সড়ক, সোল্ডার, বাদশা, টারজান দ্যা ওয়ান্ডার কার সিনেমায় সাইড রোল করেছিলেন। ভিলেনের ভূমিকায় ধীরের অভিনয় ফিল্ম সমালোচকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘদিন মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ১৯৫৬ সালে পাঞ্জাবে অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। বিভিন্ন ফিল্মে অভিনয় করলেও মহাভারতের মতো জনপ্রিয়তা ধীর অন্য কোন ফিল্মে পাননি। রেখে গেলেন স্ত্রী অনিতা ধর সহ অভিনেতা পুত্র নিকিতীন ধীর বর্তমান। এদিন সালমান খান পঙ্কজ ধীরের বাড়িতে গিয়ে পরিবার কে সমবেদনা জানাতে যান। ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো পঙ্কজ ধীরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছে। তার প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি।

লাইনে ফাটলের জেরে ব্লু লাইনে বিভ্রাট থমকে গেলো কলকাতা মেট্রোর চাকা

ছবি
 লাইনে ফাটলের জেরে  ব্লু লাইনে বিভ্রাট  থমকে গেলো  কলকাতা মেট্রোর চাকা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  লাইনে ফাটলের জেরে বন্ধ কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইন পরিষেবা। বুধবার মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন এলাকায় লাইনে ফাটল ধরা পড়ে। তরিঘড়ি ময়দান থেকে দমদম মেট্রো পরিষেবা ক্যানসেল করে দেওয়া হয়। দুপুর ১২ টা বেজে ৪০ মিনিট থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কলকাতা মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। স্টেশনে স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা লক্ষ করা যায়। অনেকে ট্রেনের মধ্যে আটকা পড়েন। দীর্ঘক্ষন পর চাঁদনী চক মেট্রো স্টেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স মেলার পর মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।
ছবি
দলিত হবার অপরাধে   উঠপীড়নের শিকার  খোদ এডিজিপি  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  দলিত হওয়ার অপরাধে অপমানিত হরিয়ানা পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার। হরিয়ানায় এ ডি জি পি পূরণ কুমারের বাসভবন থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। তিনি একটি চিঠিতে লিখেছেন দুর্নীতির সঙ্গে তিনি কোনোদিন আপোষ করেন নি। কিন্তু হরিয়ানা পুলিশের আই জি দলিত হবার জন্য তার ডানা ছাটার চেষ্টা করছেন। দুর্নীতিগ্রস্থ দের অতিরিক্ত সুযোগ দিচ্ছেন।  দেশের সংবিধান বলছে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। তাহলে সরকারী একজন আমলাকে এরকম ভাবে অপমানিত করা হবে কেন? শত সহস্রাব্দ ধরে যারা সমাজের উঠপীড়নের শিকার এই একবিংশ শতাব্দীতেও তাদের ওপর অত্যাচার হবে কেন? এই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে ভারতবর্ষের বর্তমান চিত্র। যেখানে দলিত শুধু ভোটে আছে বাকি সারা বছর তাদের ছায়া গায়ে লাগাও পাপ।
ছবি
 এবারের কালীপুজো  এবং দীপাবলী  হয়ে উঠুক আলো  আর মিলনের উৎসব  দূষণের বিভীষিকা নয়  আইনজীবী বিশ্বজিৎ মুখার্জি দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা পরিবেশ আকাদেমির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মহল এবং সাধারণভাবে সকলের কাছে এই আবেদন নিবেদন করে এসেছি যেন দীপাবলি ও কালীপুজো সহ অন্যান্য উৎসবগুলি পালিত হয় কেবলমাত্র প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় । এতো দিনে আমরা সকলেই জেনে গেছি চোখ ঝলসানো আতশবাজি এবং বিশেষ করে শব্দবাজি কি কি ভাবে আমাদের ক্ষতি সাধন করে ।  সাধারণভাবে এই সব বাজি ব্যবহার করার কারণে বাতাসে দূষণের মাত্রা এমন ভয়ংকর জায়গায় পৌঁছোয় যে সেই বিষাক্ত ধোঁয়া আমাদের চোখের রেটিনাকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে অকাল অন্ধত্ব ডেকে আনতে পারে । ফুসফুস আক্রান্ত হতে পারে । শব্দবাজির ফলে উদ্ভূত শব্দদূষণের কারণে কানের পর্দা ফেটে গিয়ে কেউ সারাজীবনের জন্য বধিরও হয়ে পড়তে পারেন । স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে মস্তিষ্ক বিকল হতে পারে । মাত্রারিক্ত আওয়াজের ফলে আমাদের হার্ট এরও মারাত্মক ক্ষতি হয় । এমনকি হার্ট ফেল করে মৃত্যুও অসম্ভব নয় । প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বুকে বহু বেআইনি বাজি কারখানা এখনও বিদ্যমান । ...