পোস্টগুলি

নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

ছবি
  নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ অয়ন মুখোপাধ্যায়  ভূমিকা নেপালের রাস্তায় তরুণদের ক্ষোভ এখন শুধু স্থানীয় আন্দোলন নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট করার মতো এক বিস্ফোরক বাস্তবতা। কাঠমান্ডুর রাজপথে পতাকা হাতে দাঁড়ানো এই প্রজন্ম একদিকে নিজেদের ভবিষ্যৎ দাবি করছে, অন্যদিকে গোটা দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থির করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র নেপালের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ হলো বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। জাতীয় আয়ের এক-চতুর্থাংশের বেশি আসে রেমিট্যান্স থেকে। কিন্তু এই প্রবাস নির্ভরতা নেপালের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারকে দুর্বল করেছে। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন কমছে। শিল্পায়ন কার্যত স্থবির। শিক্ষিত তরুণদের বড় অংশ চাকরির জন্য দেশ ছাড়ছে। ফলে দেশের ভেতরে কোনো টেকসই অর্থনীতি গড়ে উঠছে না। এই শূন্যতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে ক্ষোভ। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুব ক্ষোভ রাজতন্ত্র পতনের পর গণতন্ত্র এলেও নেপাল স্থিতিশীল হয়নি। জোট ভাঙা-গড়া, দুর্নীতি, এবং ক্ষমতার দৌড়ে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে বারবার। যুবকেরা আজ বুঝে গেছে—শুধু ক্ষমতার লড়াই ...

আলিপুর চিড়িয়াখানা র গাফিলতিতে দুদিনে মারা গেলো দুটি বাঘ

ছবি
আলিপুর চিড়িয়াখানা র  গাফিলতিতে  দুদিনে মারা গেলো  দুটি বাঘ পুলক চক্রবর্তী : ১১ সেপ্টেম্বর - প্রথমে বিরল প্রজাতির জীব উধাও হয়েছিলো কলকাতা চিড়িয়াখানা থেকে। এখন দুদিনে দুটি বাঘ মারা গিয়ে ফের খবরের শিরোনামে সেই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার ও বুধবার ২ দিনে দুই বাঘিনীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় বাঘিনীর পায়েলের। পায়েল হলুদ কালো ডোরা কাটা বাঘ। পায়েলকে বাইরে থেকে আনা হয়েছিল। এখন তার বয়স হয়েছিল ১৭ বছর। অন্যদিকে আরও এক বাঘিনীর মৃত্যু হল গতকাল তার নাম রূপা।রূপার বয়স হয়েছিল ২১ বছর। রূপার জন্ম হয় এখানেই। রূপা সাদা বাঘ যা বিশ্বে অত্যন্ত বিরল।  ৩ জন পশু চিকিৎসক দের দল গঠন হয়েছে। তারা ময়নাতদন্ত করবেন ও খতিয়ে দেখবেন কি কারণে মৃত্যু। সূত্রের খবর বয়স হয়েছিল সেই বয়স জনিত কারণেই মৃত্যু। তদন্ত করে দেখছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। পায়েলকে আনা হয় ২০১৬ সালে উড়িষ্যার নন্দন কানন থেকে। রূপা ২০০৪ সালে জন্ম। বাবার নাম অনির্বাণ,মায়ের নাম কৃষ্ণা ভিসেরা পরীক্ষা করা হবে বলে খবর। আলিপুর চিড়িয়াখানার পশুদের যত্ন হয়না ঠিকমতো এই অভিযোগ ছিলই। এখন সেই সন্দেহ ...

চন্দননগরে বাঁশবাগানে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার

ছবি
 চন্দননগরে বাঁশবাগানে  অজ্ঞাত পরিচয়  মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ মিললো চন্দননগরে।কর্পোরেশনের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রামে চন্দননগর স্টেশন রোডের পাশে আশা ইলেকট্রিকের পেছনে আমবাগানের পাশে একটি বাঁশ বাগানে আজ দুপুরে মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। বাঁশ বাগানের পাশের একটি বিল্ডার্সের পাথর তোলার কাজ করছিলেন শ্রমিকরা তারাই দেখতে পান। খবর যায় ভদ্রেশ্বর থানায়।পুলিশ এসে মৃতদেহের ভিডিও গ্রাফি করে। মহিলার পড়নে শাড়ি,দুই হাতে নোয়া।মৃতদেহের পাশে একটি বটুয়া তাতে কিছু খুরচো পয়সা ছিল। দেহ থেকে কয়েক হাত দূরে কার্বোলিক অ্যাসিডের শিশি পড়ে দেখতে পায় পুলিশ। মৃতদেহের পাশে ছিপি পড়ে ছিল। স্থানীয়দের অনুমান বাইরে থেকে এসেছিলেন ওই মহিলা। প্রাথমিক ভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। দেহ চুঁচুড়া ইামাবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানেই ময়না তদন্ত হবে বলে খবর।

সুকুমার রায় : মৃত্যুর ওপারে অমর কল্পনার আয়না

ছবি
 সুকুমার রায় : মৃত্যুর ওপারে  অমর কল্পনার আয়না অয়ন মুখোপাধ্যায়  ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর—একটি তারিখ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্যালেন্ডারে চিরকাল কালো দাগ টেনে রেখেছে। সেদিন চলে গেলেন সুকুমার রায়। মাত্র ছত্রিশ বছরের জীবন, অথচ তাঁর সৃষ্টির ঝলক আজও যেন চোখ-ধাঁধানো আতশবাজির মতো আকাশে ছড়িয়ে আছে। মৃত্যু তাঁকে নেয়নি, মৃত্যু কেবল তাঁর শারীরিক উপস্থিতিকে মুছে দিয়েছে। কারণ, তাঁর লেখা, তাঁর হাসি, তাঁর কল্পনার দুনিয়া আজও জীবন্ত, আমাদের প্রতিদিনের ভাষা, অভ্যাস, মজা আর দুষ্টুমির ভেতর দিয়ে। সুকুমার রায়কে যদি আমরা কেবল শিশু-কিশোর সাহিত্যের লেখক বলি, তাহলে তাঁকে ভয়ানকভাবে ছোট করে ফেলা হবে। সত্যি কথা বলতে, তিনি ছিলেন কল্পনার এক অসাধারণ স্থপতি। তিনি যে ছড়া লিখেছেন, তার ভেতরে যেমন আছে শিশুমনকে উল্লসিত করার হালকা খুনসুটি, তেমনি রয়েছে সমাজের ভণ্ডামি আর গোঁড়ামিকে খোঁচা দেওয়ার সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ। তাঁর লেখা হ-য-ব-র-ল পড়লে আমরা হাসতে হাসতে আবিষ্কার করি—অর্থহীনতার ভেতর দিয়েও কী অসাধারণ অর্থ তৈরি করা যায়। তাঁর ছড়ার ভেতর যে শব্দের খেলা, সেই শব্দচাতুর্য বাংলা ভাষাকে এমন এক দিশা দেখি...

স্মৃতি মন্ধানাকে নিয়ে গান বাঁধলেন অধ্যাপক বশিষ্ঠ

ছবি
স্মৃতি মন্ধানাকে নিয়ে গান  বাঁধলেন অধ্যাপক বশিষ্ঠ শুভ্র মুখোপাধ্যায় : মহিলাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেট দরজায় টোকা মারছে। ভারতের মাঠে হবে এই মেগা ইভেন্ট। এই বড় আসরে সকলের আকর্ষণ ভারতের নামী তারকা স্মৃতি মন্ধানার ওপর। তিনি দলের মূল কান্ডারী। এই স্টাইলিশ ব্যাটারকে নিয়ে মেগা আসরের আগে গান রচনা করলেন কেরালার কালিকট বিশ্ববিদ্যালয় এর ইতিহাসের অধ্যাপক এম এ বশিষ্ঠ। তিনি গান লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন। গানটি গেয়েছেন শিলু ফতিমা। গানটির একটা ভিডিও অ্যালবাম করা হয়েছে। বিশ্বকাপের সময় এই অ্যালবামটি অধ্যাপক তুলে দেবেন স্মৃতির হাতে। 

বাঘাযতীন : এক বিপ্লবীর মৃত্যু এক জাতির পুনর্জন্ম

ছবি
 বাঘাযতীন : এক বিপ্লবীর মৃত্যু  এক জাতির পুনর্জন্ম অয়ন মুখোপাধ্যায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যেগুলোকে শুধু বিপ্লবী বলে চিহ্নিত করলে অন্যায় হয়। তারা ছিলেন রাজনৈতিক দার্শনিক, নৈতিক দিশারি, এবং জাতীয় আত্মমর্যাদার প্রতীক। যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, যিনি আমাদের কাছে বাঘাযতীন নামে পরিচিত, সেই বিরল শ্রেণির একজন। ১৮৭৯ সালে কুষ্টিয়ার কয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি শৈশব থেকেই একরকম ব্যতিক্রমী। জনসমক্ষে এক বাঘের সঙ্গে লড়াই করে তাকে পরাস্ত করার কাহিনি তাঁকে যে নাম দিয়েছিল—“বাঘাযতীন”—তা শুধু শারীরিক সাহসের প্রতীক নয়। ভবিষ্যতের যে ইতিহাস তিনি লিখবেন, তার পূর্বাভাস ছিল এই নামের ভেতরেই। একদিন তিনি সত্যিই দাঁড়াবেন পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে, একা এবং অনমনীয়। যুগান্তর ও বিপ্লবী চেতনা বঙ্গীয় বিপ্লবী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি। যুগান্তর দলের প্রধান সংগঠক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল দ্বিমুখী—একদিকে গোপনে সশস্ত্র বিপ্লবীদের সংগঠিত করা, অন্যদিকে তাদের ভেতর আত্মমর্যাদার চেতনা জাগিয়ে তোলা। তিনি বুঝেছিলেন, স্বাধীনতা কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার প্...

অমৃতলোকের পথে চলে গেলেন প্ৰখ্যাত ডাক্তার ডঃ সুব্রত হালদার

ছবি
অমৃতলোকের পথে  চলে গেলেন  প্ৰখ্যাত ডাক্তার  ডঃ সুব্রত হালদার ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : অমৃতলোকের পথে চলে গেলেন প্ৰখ্যাত ডাক্তার ডঃ সুব্রত হালদার। মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করার পর বিদেশ থেকে মধুমেহ বিষিয়ে উচ্চশিক্ষা করেছিলেন। পেশায় ছিলেন চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার। ছোট বড় দুর্ঘটনা হোক বা বাড়াবাড়ি।মানুষের বিপদে বন্ধু ছিলেন ডাক্তার সুব্রত হালদার। এই জেন জি জেনারেশনের যুগে যখন বাড়িতে গিয়ে কোন চিকিৎসক রোগী দেখেন না। তখন বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা করতেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৬৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তার বাড়ি বৈদ্যবাটী কাজীপাড়ার কাছে জিটি রোডের পশ্চিম দিকে। বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটি চেম্বারে রোগী দেখতেন। ক্যান্সারের জন্য অসুস্থ থাকলেও। অসুস্থতার মাঝেও রোগী দেখেছেন। গরীব মানুষের কাছ থেকে অনেক সময়েই ফি নিতেন না। এমন অনেক সময় গিয়েছে যে মানুষ কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে বা দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত হয়েছে ডাক্তারবাবু দেখেছেন এবং চন্দননগর হাসপাতালে রেফার করে দিয়েছেন। হাউস ফিজিশিয়ন শব্দটা এখন মুছে গিয়েছে। কিন্তু তিনি শব্দ টিকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। বৈদ্যবাটী শুধু নয় চন্...