অমৃতলোকের পথে চলে গেলেন প্ৰখ্যাত ডাক্তার ডঃ সুব্রত হালদার
অমৃতলোকের পথে
চলে গেলেন
প্ৰখ্যাত ডাক্তার
ডঃ সুব্রত হালদার
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : অমৃতলোকের পথে চলে গেলেন প্ৰখ্যাত ডাক্তার ডঃ সুব্রত হালদার। মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করার পর বিদেশ থেকে মধুমেহ বিষিয়ে উচ্চশিক্ষা করেছিলেন। পেশায় ছিলেন চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার। ছোট বড় দুর্ঘটনা হোক বা বাড়াবাড়ি।মানুষের বিপদে বন্ধু ছিলেন ডাক্তার সুব্রত হালদার। এই জেন জি জেনারেশনের যুগে যখন বাড়িতে গিয়ে কোন চিকিৎসক রোগী দেখেন না। তখন বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা করতেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিলো ৬৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তার বাড়ি বৈদ্যবাটী কাজীপাড়ার কাছে জিটি রোডের পশ্চিম দিকে। বাড়ির গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটি চেম্বারে রোগী দেখতেন। ক্যান্সারের জন্য অসুস্থ থাকলেও। অসুস্থতার মাঝেও রোগী দেখেছেন। গরীব মানুষের কাছ থেকে অনেক সময়েই ফি নিতেন না। এমন অনেক সময় গিয়েছে যে মানুষ কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে বা দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত হয়েছে ডাক্তারবাবু দেখেছেন এবং চন্দননগর হাসপাতালে রেফার করে দিয়েছেন। হাউস ফিজিশিয়ন শব্দটা এখন মুছে গিয়েছে। কিন্তু তিনি শব্দ টিকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। বৈদ্যবাটী শুধু নয় চন্দননগর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হবার জন্য হুগলী জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রেই রোগীদের মধ্যে এম আর দের দেওয়া স্যাম্পেল মেডিসিন দিয়ে দিতেন।
বাড়িতে তার স্ত্রী, কন্যা, পুত্র ও পুত্রবধূ রয়েছে। হায়দ্রাবাদে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন শেখানেই শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। আজ রাতের বিমানে তার পার্থিব দেহ বাড়িতে ফিরবে বলে জানা গিয়েছে। আজ রাতে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে খবর।
ভারতের কণ্ঠ র পক্ষ থেকে প্রয়াত চিকিৎসকের পরিবারকে সমবেদনা। এমন মহান পেশার মানুষের মৃত্যু শুধু বৈদ্যবাটী বা হুগলী জেলা নয় রোগী দের জন্য ক্ষতির। ডঃ সুব্রত হালদারের পর আর লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা করার বোধহয় কেউ রইলো না।
এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে
যোগাযোগ করতে পারেন
মূল্য মাত্র ৩০০ টাকা


style="text-align: justify;">




মন্তব্যসমূহ