পোস্টগুলি

চন্দননগরে সুকান্ত স্মরণে

ছবি
চন্দননগরে সুকান্ত স্মরণে সংবাদদাতা প্রণব সেন: কবি সুকান্তের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষ্যে সুকান্ত স্মরণ মঙ্গলবার ধাড়াপাড়ায় কমল চট্টোপাধ্যায় স্মৃতিপাঠাগার এর ভবানী মুখার্জি কক্ষে। ভারতীয় গণনাট্য সংঘ উন্মেষ শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্য জন্ম শত বর্ষ অনুষ্ঠান। সুকান্ত জীবনের সংগ্রামের ইতিহাস, কবিতা লিখন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন উন্মেষের সভাপতি ডাক্তার প্রবুদ্ধ ঘোষ, ও ডাক্তার শ্যামলী ঘোষ,. সুকান্ত র কবিতা সলিল চৌধুরীর সুরের জাদুতে উত্তাল সংগীত " বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকে", রানার, ঠিকানা, পরিবেশন করলেন বিশ্বনাথ গাঙ্গুলী র পরিচালনায় 12 জন শিল্পী, অংশ গ্রহন গোপা মিশ্র,আত্রেয়ী ভট্টাচার্য্য, সঞ্চিতা চট্টোপাধ্যায়, গীতা দাস, সন্দীপা ব্যানার্জী, কাবেরী চৌধুরী, সোহিনী ভৌমিক পত্রলেখা বসু আশীষ চ্যাটার্জী, সংগতে অশোক নন্দী, সুকান্তর কবিতা সলিলের সুরে নব আংগীকে অসাধারণ পরিবেশন করলেন শিল্পীরা। সুকান্ত র গোটা রেল পরিবারের সদস্য অর্থাৎ লাইন ইঞ্জিন।  কামরা, সিগন্যাল প্রভৃতি অংশের আত্ম জীবনী র বঞ্চনার কাহিনী নিয়ে লেখা " হরতাল " পাঠ করেন প্রশান্ত মিত্র, নৃত্য পরিবেশন করেন। বিশে...

১৪ বছর কাজ করা ম্যানেজার কে বিনা ক্ষতিপূরণ দিয়ে ছাটাই টিসিএস র

ছবি
১৪ বছর কাজ করা ম্যানেজার  কে বিনা ক্ষতিপূরণ দিয়ে  ছাটাই টিসিএস র  বেসরকারি  চাকরির ক্ষেত্রে ভীতির আবহ  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ না দিয়েই ১৪ বছর কাজ করা ম্যানেজার কে ছাটাই টি সি এস র। লে অফ নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ দেশজুড়ে। টি সি এস আগামী ভবিষ্যতের জন্য তৈরী হতে কর্মী ছাটাই করতে চলেছে। সংস্থা মারফত এই ঘোষণার পরেই দেশ জুড়ে টি সি এসর কর্মচারীরা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ব্যক্ত করেছিলেন কি ভয়াবহ ভাবে তাদের ছাটাই করছে নামকরা এই সংস্থা। একজন এক্স হ্যান্ডেলে লিখছেন মাত্র ১৫ মিনিট ভাবতে বলেছে কাজ ছাড়বে কিনা। এতদিন কাজ করছি হঠাৎ যদি কেউ বলে কাল থেকে আপনার চাকরি নেই কিরকম লাগে। মনে হচ্ছে যেন আমার হাতে কেউ রিভলবার ধরিয়ে দিয়েছে তাই দিয়ে রাশিয়ান রুলেট্ খেলছি। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মীরা কর্পোরেট দুনিয়ার যে ছবি তুলে ধরেছেন তা দেখে আতঙ্কিত দেশের বেসরকারি ক্ষেত্রের কর্মচারীরা। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-a...

লিটল ম্যাগাজিনের আজকের সংকট:

ছবি
 লিটল ম্যাগাজিনের  আজকের সংকট:  প্রতিবাদের বদলে আত্মপ্রচার  অয়ন মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ভুবনে লিটল ম্যাগাজিন একসময় ছিল বিকল্প চেতনার প্রাণকেন্দ্র। ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত অসংখ্য ক্ষুদ্র পত্রিকা জন্ম নিয়েছিল প্রতিবাদী সাহসিকতার ভিতর দিয়ে। তারা মূলধারার বাজার-চালিত সাহিত্যকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, রাষ্ট্রের দমননীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আবার সাধারণ মানুষের সংগ্রামকেও সাহিত্যের আলোয় এনেছিল। ইতিহাস সাক্ষী, মনে পড়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছিল কলকাতার একদল তরুণ কবির সম্পাদিত ছোট পত্রিকার পাতায়; নকশালবাড়ির আন্দোলনের পক্ষে তীব্র কণ্ঠস্বর তুলেছিল এই ক্ষুদ্র পত্রিকাগুলোই; এমনকি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বহু লিটল ম্যাগাজিন বিশেষ সংখ্যা বের করেছে, শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা ও পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরতা প্রকাশ্যে এনেছে। সংখ্যার দিক থেকেও তখনকার বিস্তার ছিল বিস্ময়কর। ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি এসে পশ্চিমবঙ্গে সাত-আটশ ক্ষুদ্র পত্রিকা নিয়মিত বা অনিয়মিতভাবে প্রকাশিত হতো। কোন একটি নাম নয় এইরকম অসংখ্য লিটিল আজও ইতিহাসের অংশ। পরবর্তী সময়ে হাল আমলে স...

ডায়মন্ড হারবার FC কে জেতাতে ম্যাচ ফিক্সিং হয়েছে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকের

ছবি
ডায়মন্ড হারবার FC কে  জেতাতে ম্যাচ ফিক্সিং হয়েছে  অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল  সমর্থকের  (প্রকাশ্যে বলার জন্য  মিললো হুমকি) ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: ডুরান্ড কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল "ইস্টবেঙ্গল বনাম ডায়মন্ড হারবার এফসি" ম্যাচ গড়াপেটা হয়েছে এই অভিযোগ করে ও এই ম্যাচের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন এই দাবী করে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করার কারণে ডানকুনি কালীপুরের বাসিন্দা কট্টর ইস্টবেঙ্গল সমর্থক তন্ময় ভৌমিককে মধ্যরাতে শ্রীরামপুর ২ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা কৌশিক গুহ 79803045** এই নাম্বার দিয়ে কল করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দুই কর্মকর্তা প্রশান্ত দত্ত(ভাই) ও গৌতম দাস (তারক) এর নাম করে,প্রাণনাশের হুমকির কল পেয়ে তন্ময় ভৌমিক ও তার পরিবার,আত্মীয়স্বজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে,পরবর্তী ক্ষেত্রে তন্ময় ভৌমিক ডানকুনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে কৌশিক গুহ'র নামে,ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে গুনজন চায়ের ঠেকে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষকর্তা তার দুই সহযোগীর নির্দেশেই প্রাণনাশের হুমকি দেয় কৌশিক গুহ, এমনি দাবী করেছে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। প্রমান সহ অডিও ক্লিপ নীচে ...

অমৃত লোকের পথে চলে গেলেন অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
অমৃত লোকের পথে  চলে গেলেন  অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: চলে গেলেন সামাজিক ছবির স্বর্ণ যুগের তারকা জয় ব্যানার্জী। ফুসফুস জনিত ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে সম্প্রতি মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানেই তিনি আজ শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন। অঞ্জন চৌধুরীর সান্যিধ্যে সোপ অপেরা অর্থাৎ পারিবারিক সামাজিক ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছিলেন। চুমকি চৌধুরী কে ভালোবাসতেন দুজনের জুটি জনপ্রিয় হয়েছিলো সেই সময়। অনেক ছবিতেই অভিনয় করেছিলেন যেমন হীরক জয়ন্তী, অভাগিনী, মা এক মন্দির, জীবন মরণ প্রভৃতি। তার শ্রেষ্ঠতম অভিনয় হল ১৯৮৩ সালে নাগমতি, ১৯৮২ সালের নিমালুর বনবাস, ১৯৮৭ সালের চপার। পরিচালক নবেন্দ্যু চ্যাটার্জির চপার ছবিতে অভিনয়ে তিনি তার সেরাটা দিয়েছিলেন। চপারের ছবির ভাবনাটা ছিলো অসাধারণ। সত্তরের দশকের একটি মধ্যবিত্ত পরিবার। দাদা ট্রেড ইউনিয়ন লিডার ভাই বেকার। একদিকে বেকারত্ব অন্যদিকে পরিণতি না পাওয়া প্রেম আর শোষক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি ঘৃণা। একটা যুবকের মনে হিংসা র জন্ম দিয়েছিল। সে চপার কিনে তার মতে শত্রু দের খুন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। একটা উগ্রবাম মনোভাবের ছবিতে শ...

নিঃসঙ্গতার কালো চশমা, চির প্রশান্ত বাগচীর কবিতা

ছবি
 নিঃসঙ্গতার কালো চশমা,  চির প্রশান্ত বাগচীর কবিতা অয়ন মুখোপাধ্যায় ১  বাংলা কবিতার মানচিত্রে চিরপ্রশান্ত বাগচীর নাম উচ্চারণ করলেই এক অদ্ভুত শীতলতা নেমে আসে। তিনি যে ক’টি কবিতা লিখেছেন, সেখানে নেই কোনও সান্ত্বনা, নেই কোনও ভরসার আলো। আছে শুধু মৃত্যুর ঘন ছায়া, শোকের রক্তমাখা চিহ্ন, আর অবসানের অন্তহীন প্রতিধ্বনি। কিন্তু আশ্চর্যের কথা, এই মৃত্যুমুখী কবিতাগুলো পড়তে পড়তে পাঠক বিচলিত হলেও ছুঁড়ে ফেলতে পারেন না। কারণ কবিতা কেবল জীবনকে নয়, মৃত্যুকেও সত্য করে তোলে। জীবনানন্দ দাশ একদিন লিখেছিলেন—     “প্রত্যেক দিনই মৃত্যুদিন।” এই উচ্চারণের উত্তর-স্বর যেন শোনা যায় চিরপ্রশান্তর কবিতায়  ২ “পুনশ্চ মৃত্যু”-তে তিনি বলেন— “মরণমধ্যেই মৃত্যু খুব কাছে এসে যায়— সেদিন আমার অন্ধকার থেকে অনিবার্য নিস্ফলতার কথা মনে পড়ে।” এখানে মৃত্যু আসছে দূর থেকে নয়, বরং জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই দেহে-দেহে ঘাপটি মেরে বসে আছে। আমাদের প্রতিটি নিশ্বাসেই তার ছায়া। চিরপ্রশান্তর কবিতা এই ভয়কে ঘৃণা করে না, আড়ালও করে না—বরং প্রকাশ্যে টেনে আনে। পাঠককে দাঁড় করিয়ে দেয় মৃত্যুর আয়নার সামনে। এই দৃষ্টিকোণেই তাঁর কবিতা ...

বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় পৃথিবী রাশিয়ার পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা ইউক্রেনের

ছবি
বিশ্বযুদ্ধের দোরগোড়ায় পৃথিবী  রাশিয়ার পারমানবিক  বিদ্যুৎকেন্দ্রে  হামলা ইউক্রেনের             আজও জ্বলছে রাশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনার পরেও হামলা অব্যাহত রাখলো ইউক্রেন। গতকাল বিকেলে ইউক্রেনের এক গুচ্ছ সামরিক ড্রোন। হামলা করে রাশিয়ার কার্সক শহরের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, কাল বিকেলে কার্স্ক শহরের পারমানবিক শক্তি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গুলিকে টার্গেট করেছিল ইউক্রেন ব্যবহৃত কামিকাজী ড্রোন। যদিও রুশ সূত্রে জানা গিয়েছে তেজষ্ক্রিয়তা বা আগুন লাগার ঘটনা বা রাসায়নিক লিক করার ঘটনা ঘটেনি। যদিও এটিকে বড় ধরণের প্ররোচনা হিসেবেই দেখছে রাশিয়া। ইউনাইটেড নেশনের পারমানবিক নিয়ামক সংস্থা অবশ্য জানিয়েছে সামরিক অভিযানের জন্য পাওয়ার প্লান্টে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-al...