সিঙ্গুরে নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যু নার্সের ফের আর জি কর কাণ্ডের ছায়া বলছেন বিক্ষোভকারীরা
সিঙ্গুরে নার্সের
অস্বাভাবিক মৃত্যু
নার্সের ফের আর জি কর
কাণ্ডের ছায়া বলছেন
বিক্ষোভকারীরা
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: অভয়া এখনও বিচার পায়নি, তার মধ্যেই একই ঘটনা ঘটে গেল সিঙ্গুরে। তেলের মোড় সংলগ্ন শিবম নার্সিংহোমে ট্রেনি নার্স মারা গেলেন। বুধবার রাতে ওই নার্সিংহোমের চারতলা একটি ঘর থেকে ওই নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিক্ষোভ ছড়ায় নার্সিংহোমের বাইরে। পথ অবরোধ করেন বিভিন্ন সংগঠন সহ স্থানীয়েরা।
দিন কয়েক আগে সিঙ্গুরের ওই নার্সিংহোমে নার্সের কাজে যোগ দিয়েছিলেন বছর চব্বিশের নন্দীগ্রামের রায়নগরের বাসিন্দা এই নার্স। তাঁর বাবা জানান, বেঙ্গালুরু থেকে নার্সিং পড়ে বাড়ি ফিরেছিলেন দিন কয়েক আগে। এক বান্ধবীর সূত্র ধরে চাকরি পান সিঙ্গুরের বোড়াই তেমাথা এলাকায় শিবম সেবাসদন নার্সিংহোমে। বুধবার রাতে সেই নার্সিংহোমের একটি ঘর থেকে পাওয়া যায় তাঁর কন্যার ঝুলন্ত দেহ। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করলেও, মৃতার পরিবারের দাবি, খুন করা হয়েছে!
মৃতার বাবার অভিযোগ, বুধবার রাত ১১টা নাগাদ নার্সিংহোম থেকে ফোন করে আসার জন্য জানানো হয়। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলা হয়, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁর কন্যা। ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ পরিবারের অন্য লোকদের নিয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছোন বাবা। কিন্তু সেখানে কন্যাকে দেখতে পাননি তাঁরা। মৃতার বাবার কথায়, ‘‘আমাদের বলা হয়, পুলিশ এসে দেহ নিয়ে গিয়েছে। কেন আমাদের না দেখিয়ে পুলিশ দেহ নিয়ে গেল? আমার মেয়ে কোনও দিন আত্মহত্যা করতে পারে না। আমার মেয়েকে ওরা খুন করেছে। ওই নার্সিংহোমের মালিকের শাস্তি চাই।’’ নার্সিংহোমের তরফে আত্মহত্যার কথা বললেও মৃতার পরিবার খুনের অভিযোগ তুলেছে। বিকেলেও একাধিক সংগঠনের উদ্যোগে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল ঘেরাও করেন। বিকেল চারটে নাগাদ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে আসে। কিন্তু তদন্তকারী আধিকারিক ও মেজিস্ট্রেট ছাড়া ময়নাতদন্ত করা যায়না বলে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভ কারীরা। পরে ময়নাতদন্তর সময় অতিক্রান্ত হবার জন্য অর্থাৎ সূর্যাস্ত হয়ে যাওয়ায় দেহ মর্গে রেখে দেওয়া হয়। বিক্ষোভ কারীরা দেখান একটি মাত্র সিসিটিভি মর্গের পেছনে থাকলেও সেটি ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে। একজন বিক্ষোভকারী জানান এই মাত্র ভাঙ্গা হয়েছে সিসিটিভি। মর্গের ভেতরে যাবার একাধিক অরক্ষিত রাস্তার দিকে ইঙ্গিত করেন। রাতের অন্ধকারে দেহ যাতে লোপাট না হয় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয় তার জন্য সওয়াল করেন শ্রীরামপুর কোর্টের উপস্থিত আইনজীবী ও বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীরা বলেন নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা ওয়ালশে থাকবো। কাল সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তদন্ত করতে হবে।
class="separator" style="clear: both; text-align: center;">.jpg)
এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন
খরচ মাত্র ৩০০ টাকা।


style="text-align: justify;">

মন্তব্যসমূহ