সরকারী গাফিলতি ও কোম্পানির অমানবিকতায় সংকটে গিগ ওয়ার্কার দের জীবন
সরকারী গাফিলতি ও
কোম্পানির অমানবিকতায়
সংকটে গিগ ওয়ার্কার
দের জীবন
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: সল্টলেকে ঝলসে মৃত্যু অ্যাপ বাইক চালকের। রাস্তা খারাপ তারপর নির্দিষ্ট স্পিড লিমিট নেই। কোম্পানির চাপ আর কাজের লোড এগুলোই প্রাণ নিচ্ছে বললেন গিগ ওয়ার্কারেরা।
সৌমেন মন্ডল বাসন্তীর ছেলে কত আর বয়স হবে গোটা কুড়ি। পড়াশুনা করে কাজের সন্ধান এই রাজ্যে নেই তাই পড়াশুনা ছেড়েই হয়ত বাধ্য হয়েছে গিগ ওয়ার্কার হতে। জীবন্ত জ্বলে রাস্তায় মৃত্যু হল ছেলেটির। দায়ী কে? একজন মদ্যপ গাড়ি যেটিকে এখনো খুঁজে পায়নি পুলিশ।
সারা রাজ্যে লক্ষাধিক ছেলে এখন গিগ ওয়ার্কার হিসাবে কর্মরত। একটি লোন করে কেনা বাইক আর সামান্য মাইনে তাদের সম্বল। কোম্পানির মুনাফা নির্ভর করছে নিয়মিত সঠিক সময়ে পরিষেবা দেওয়ার মধ্যে। কোম্পানি দেখছে না ছেলেমেয়ে গুলো ঐ নির্দিষ্ট সময়ে কিভাবে পৌঁছাবে। রাস্তার অবস্থা বেহাল। সিগন্যাল সামলানোর জন্য প্রশিক্ষিত পুলিশ কর্মী নেই। স্পিড লিমিট ভাঙতে বাধ্য হচ্ছে ছেলেগুলি শুধুমাত্র পেটের টানে। ২০-২১ বছরের তরতাজা প্রাণের মূল্য না জোমেটো, সুইগি, ফ্লিপকার্ট, আমাজন দেবে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গিগ ওয়ারকার নেতৃত্ব চীনাংশুক দাস বলেন "ছেলেটি এক্সিডেন্ট এ মারা গেছে। কত আর বয়স হবে গোটা কুড়ি টাকা। এদের ইন্সুরেন্স বা মেডিকেল বেনিফিট কোম্পানি দেয়না। আধঘন্টার মধ্যে ডেলিভারী না হলে ডেলিভারী ক্যানসেল কিন্তু রাস্তাটাকে তো আমরা মাপছি না। ডিজিটাল ম্যাপে তো রাস্তা দেখে নিচ্ছি কিন্তু রাস্তায় জ্যাম আছে কিনা বা রাস্তার অবস্থাটাই বা কি এটা তো দেখা যাচ্ছেনা। এই সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তারওপর ট্রাফিক আইন কোথাও মানা হচ্ছে কোথাও মানা হচ্ছেনা। ট্রাফিক আইন টাই কন্ট্রোল হয় আন প্রফেশনাল কিছু সিভিক দিয়ে। তারপর শিক্ষান্তে কাজের সুযোগ পশ্চিমবাংলায় নেই তাই পড়াশুনা ছেড়ে ২০ বছরের ছেলেকে পড়াশুনা ছেড়ে সংসারের হাল ধরার তাগিদে গিগ ওয়ার্কারের কাজ করতে হচ্ছে। এর দায় কি সরকার এড়াতে পারে তুমি বলো?"
class="separator" style="clear: both; text-align: center;">.jpg)
এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন
খরচ মাত্র ৩০০ টাকা।


style="text-align: justify;">

মন্তব্যসমূহ