পোস্টগুলি

ছবি
অমৃতলোকে চলে গেলেন  মহাভারতের কর্ণ ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  চলে গেলেন মহাভারতের কর্ণ পঙ্কজ ধীর। বি আর চোপড়ার মহাভারত সিরিজে কর্ণের ভূমিকায় অভিনয় করে প্রসিদ্ধ হয়েছিলেন সারা দেশে। কুমারী মায়ের পুত্র কর্ণের জীবনযন্ত্রনা স্বয়ং আদিত্য র পুত্র হওয়া শস্ত্র বিদ্যায় মহা পারদর্শী কর্ণের ভূমিকা অপূর্ব উপস্থাপন করেছিলেন। চন্দ্রকান্ত দ্যা গ্রেট মারাঠা, যুগ, বড় বহু, সড়ক, সোল্ডার, বাদশা, টারজান দ্যা ওয়ান্ডার কার সিনেমায় সাইড রোল করেছিলেন। ভিলেনের ভূমিকায় ধীরের অভিনয় ফিল্ম সমালোচকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘদিন মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। ১৯৫৬ সালে পাঞ্জাবে অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। বিভিন্ন ফিল্মে অভিনয় করলেও মহাভারতের মতো জনপ্রিয়তা ধীর অন্য কোন ফিল্মে পাননি। রেখে গেলেন স্ত্রী অনিতা ধর সহ অভিনেতা পুত্র নিকিতীন ধীর বর্তমান। এদিন সালমান খান পঙ্কজ ধীরের বাড়িতে গিয়ে পরিবার কে সমবেদনা জানাতে যান। ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো পঙ্কজ ধীরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছে। তার প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি।

লাইনে ফাটলের জেরে ব্লু লাইনে বিভ্রাট থমকে গেলো কলকাতা মেট্রোর চাকা

ছবি
 লাইনে ফাটলের জেরে  ব্লু লাইনে বিভ্রাট  থমকে গেলো  কলকাতা মেট্রোর চাকা ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  লাইনে ফাটলের জেরে বন্ধ কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইন পরিষেবা। বুধবার মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন এলাকায় লাইনে ফাটল ধরা পড়ে। তরিঘড়ি ময়দান থেকে দমদম মেট্রো পরিষেবা ক্যানসেল করে দেওয়া হয়। দুপুর ১২ টা বেজে ৪০ মিনিট থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য কলকাতা মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। স্টেশনে স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা লক্ষ করা যায়। অনেকে ট্রেনের মধ্যে আটকা পড়েন। দীর্ঘক্ষন পর চাঁদনী চক মেট্রো স্টেশন থেকে ক্লিয়ারেন্স মেলার পর মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।
ছবি
দলিত হবার অপরাধে   উঠপীড়নের শিকার  খোদ এডিজিপি  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  দলিত হওয়ার অপরাধে অপমানিত হরিয়ানা পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার। হরিয়ানায় এ ডি জি পি পূরণ কুমারের বাসভবন থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। তিনি একটি চিঠিতে লিখেছেন দুর্নীতির সঙ্গে তিনি কোনোদিন আপোষ করেন নি। কিন্তু হরিয়ানা পুলিশের আই জি দলিত হবার জন্য তার ডানা ছাটার চেষ্টা করছেন। দুর্নীতিগ্রস্থ দের অতিরিক্ত সুযোগ দিচ্ছেন।  দেশের সংবিধান বলছে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। তাহলে সরকারী একজন আমলাকে এরকম ভাবে অপমানিত করা হবে কেন? শত সহস্রাব্দ ধরে যারা সমাজের উঠপীড়নের শিকার এই একবিংশ শতাব্দীতেও তাদের ওপর অত্যাচার হবে কেন? এই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে ভারতবর্ষের বর্তমান চিত্র। যেখানে দলিত শুধু ভোটে আছে বাকি সারা বছর তাদের ছায়া গায়ে লাগাও পাপ।
ছবি
 এবারের কালীপুজো  এবং দীপাবলী  হয়ে উঠুক আলো  আর মিলনের উৎসব  দূষণের বিভীষিকা নয়  আইনজীবী বিশ্বজিৎ মুখার্জি দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা পরিবেশ আকাদেমির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মহল এবং সাধারণভাবে সকলের কাছে এই আবেদন নিবেদন করে এসেছি যেন দীপাবলি ও কালীপুজো সহ অন্যান্য উৎসবগুলি পালিত হয় কেবলমাত্র প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় । এতো দিনে আমরা সকলেই জেনে গেছি চোখ ঝলসানো আতশবাজি এবং বিশেষ করে শব্দবাজি কি কি ভাবে আমাদের ক্ষতি সাধন করে ।  সাধারণভাবে এই সব বাজি ব্যবহার করার কারণে বাতাসে দূষণের মাত্রা এমন ভয়ংকর জায়গায় পৌঁছোয় যে সেই বিষাক্ত ধোঁয়া আমাদের চোখের রেটিনাকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে অকাল অন্ধত্ব ডেকে আনতে পারে । ফুসফুস আক্রান্ত হতে পারে । শব্দবাজির ফলে উদ্ভূত শব্দদূষণের কারণে কানের পর্দা ফেটে গিয়ে কেউ সারাজীবনের জন্য বধিরও হয়ে পড়তে পারেন । স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে মস্তিষ্ক বিকল হতে পারে । মাত্রারিক্ত আওয়াজের ফলে আমাদের হার্ট এরও মারাত্মক ক্ষতি হয় । এমনকি হার্ট ফেল করে মৃত্যুও অসম্ভব নয় । প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বুকে বহু বেআইনি বাজি কারখানা এখনও বিদ্যমান । ...
ছবি
 রাজনীতির ভাষা  ও  সভ্যতার সংকট অয়ন মুখোপাধ্যায় (মতামত লেখকের নিজস্ব) গণতন্ত্রে ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়,তা রাষ্ট্রের নৈতিক পরিমাপ ও বটে।একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে যে ভাষা উচ্চারিত হয়,তা প্রশাসনের মানসিকতা, দায়িত্ববোধ ও নাগরিক সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটায়।সেই কারণেই রাজনৈতিক বক্তব্য কোনো ব্যক্তিগত মতামত নয় এটি এক প্রাতিষ্ঠানিক বার্তা, যা জনমানসে গভীর প্রতিধ্বনি তোলে।এই মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে যে ভাষার স্খলন আমরা প্রত্যক্ষ করছি,তা কেবল রাজনৈতিক আক্রমণ নয়;এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবক্ষয়েরও স্পষ্ট চিহ্ন। ১. ভাষার সংকট, শালীনতার অবক্ষয় রাজনীতির ভাষা একসময় ছিল বিতর্কের, যুক্তির, এবং মতের সংঘর্ষের।আজ তা ক্রমশ পরিণত হচ্ছে কটূক্তির, ব্যঙ্গের এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের মঞ্চে।বাংলার রাজনীতি তে সাম্প্রতিক কালে যে সব মন্তব্য উঠে এসেছে,বিশেষত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে নারীদের উদ্দেশে করা কিছু বক্তব্য—তা আমাদের গণতন্ত্রের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।একজন নারী নেতা, যিনি তিন দশকেরও বেশি রাজনৈতিক সংগ্রামের ফলশ্রুতিতেরাজ্যের সর্বোচ্চ পদে আসীন,তাঁর কাছ থেকে সমাজ অন্য...

অমর শিল্পী কিশোর কুমারের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ শ্রদ্ধাঞ্জলি

ছবি
 অমর শিল্পী কিশোর কুমারের  প্রয়াণ দিবসে স্মরণ শ্রদ্ধাঞ্জলি পুলক চক্রবর্তী, ১৩ই অক্টোবর চুঁচুড়া: ১৩ ই অক্টোবর ২০২৫ সোমবার অমর শিল্পী কিশোর কুমারের ৩৮ তম প্রয়াণ দিবস চুঁচুড়া শ্রদ্ধাঞ্জলি ইউনিট চুঁচুড়ার প্রতাপপুর পার্কে কিশোর কুমারের স্মৃতিচারণ করেন। মাল্যদান করেন সংগঠনের সদস্য সদস্যরাশ্রদ্ধাঞ্জলি ইউনিটের সম্পাদক সঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান আগামী ডিসেম্বর মাসের ৬ থেকে ৯ তারিখ দিল্লিতে একটি বিরাট পথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে, সারা ভারতবর্ষের কিশোর প্রেমী মানুষ সেই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন এবং মাননীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জমা দেবেন যাতে কিশোর কুমার কে মরণোত্তর ভারতরত সম্মানে ভূষিত করা হয় এবং মধ্যপ্রদেশের খান্ডয়ার ওনার পৈত্রিক বাড়ি যাতে হেরিটেজ বিল্ডিং হিসেবে ঘোষণা করা হয় সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ডাক্তার নীলাঞ্জন পাঠক বলেন কিশোর কুমার আজ ও প্রাসঙ্গিক কিশোর কুমার কখনো মরতে পারেন নাএই দিনে বিভিন্ন পথ চলতি মানুষ কিশোর কুমারের আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্প অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

ল-ইন্টার্ন এবং জুনিয়ার লইয়ারদের কোর্টের ভিতরকার সংগ্রাম

ছবি
 ল-ইন্টার্ন এবং জুনিয়ার  লইয়ারদের কোর্টের  ভিতরকার সংগ্রাম কিরণ্ময় খাঁড়া আমাদের দেশে অধিকাংশ গার্জিয়ানরা যখন নিজের সন্তানদেরকে একটি ভালো বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য উৎসাহিত করেন বা ভাবেন তখন যে কথাটা স্বাভাবিকভাবে শুনতে পাওয়া যায় ডাক্তার উকিল কিংবা ইঞ্জিনিয়ার। আজকে কথা বলব যারা আইন সংক্রান্ত বিষয়ে পড়াশোনা করেন এই আইনজীবীদের পেশাগত সংগ্রাম সম্পর্কে। আমাদের দেশের মানুষ আস্তে আস্তে আইন ব্যবস্থার উপর থেকে আস্থা হারিয়েছে ফেলছেন কিন্তু আমরা যারা আইনজীবীরা সংবিধান রক্ষার স্বার্থে ভারতের আইন ব্যবস্থার সাথে চিরকাল সংগ্রাম করে আসছি তাদের বিষয়ে মানুষ অনেক ভুল ধারণা পোষণ করেন। অনেকেই ভাবেন যে আমরা আইনজীবীরা জীবনের প্রথম সময় থেকে শেষ অব্দি প্রচুর টাকা পয়সা উপার্জন করি কিন্তু একটা বিষয় কি জানেন ?  একটি সমীক্ষা বলছে ভারতের মধ্যে ৯৮% নতুন আইনজীবী এবং ইন্টার্ন-রা কোন স্টাইপেন পান না অথবা এও বলা যেতে পারে পেলেও খুব যত্সামান্য এবং একটি সমীক্ষা বলছে যে জুনিয়র অ্যাডভোকেট রা যেখানে দিনে ২০০-৩০০ টাকা রোজগার করেন সেখানেই কিন্তু সিনিয়র অ্যাডভোকেটরা ২০,০০০/- টাকা থেকেও বেশি চার...