পোস্টগুলি

দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনে ধুন্ধুমার মৃত এক ছাত্র

ছবি
দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনে  ধুন্ধুমার  মৃত এক ছাত্র ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : সাংবাদ দাতা - পুলক চক্রবর্তী:- শুক্রবার ধুন্ধুমার দক্ষিনেশ্বর রেলওয়ে স্টেশনে। দুপুরবেলা হাতাহাতি র জেরে মারা গেলো এক ছাত্র বলে খবর। আজ দুপুর ২:৩০ মিনিট নাগাদ মেট্রো স্টেশনে দুটো ছাত্র ছাত্রীর দল প্রবেশ করে। স্টেশন ছাড়ার সময় দুই দলের মধ্যে বচসা হয়। এমন সময় ঐ ছাত্র দলের মধ্যে একজন ছাত্র ছুরি বের করে অন্য ছাত্রছাত্রীদের ওপর আঘাত করে। ছুরির আঘাতে একজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। বরানগর স্টেট্ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গুরুতর চোটের জন্য ছাত্র টিকে বাঁচানো যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ অপরাধী দের খোঁজ চালাচ্ছে। স্টেশনে পড়ে থাকা রক্ত ও অন্যান্য প্রমান রক্ষা করতে জায়গা গুলি কর্ডন করে দেওয়া হয়েছে।

শ্রীরামপুরে অন ডিউটি পুলিশ কনস্টেবলের মাতলামি

ছবি
 শ্রীরামপুরে অন ডিউটি পুলিশ  কনস্টেবলের  মাতলামি ভাইরাল ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: অন ডিউটি পুলিশ কনস্টেবলের মাতলামি শ্রীরামপুরে। চলতি পথে ফেরা একজন নিত্যযাত্রী কনস্টেবল র মাতলামির এই ভিডিও টি আমাদের প্রতিনিধির হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন ব্যক্তিগত কাজে শ্রীরামপুর কোর্টে গিয়েছিলাম স্টেশনে ফেরার টোটো ধরতেই দেখি একজন পুলিশ কনস্টেবল এসে বসলেন। সবকিছু ঠিক ই ছিলো হঠাৎ অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করলেন পুলিশ কর্মী টি। প্রথমে বললেন আজ আমার হিয়ারিং আছে কোর্টে অনেক শাক্ষী আছে। পাশেই কোর্ট অথচ কোর্টে যাওয়ার জন্য তাড়া করতে থাকেন এই কোনষ্টেবল। সন্দেহ হতে ওর সাথে কথা বলি। বুঝতে পারি অন ডিউটি এই কোনষ্টেবল মাদকাশক্ত নেশার ঘোর এতটাই যে কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কোর্ট থেকে উঠে শ্রীরামপুর স্টেশনের গ্যারাজের কাছে গুণধর কনস্টেবল নেমে যান। আরেকটু থাকলে হয়ত নামটি জানা যেতো। সেই সুযোগ হয়ত দেননি তিনি। স্থানীয় নিত্যযাত্রীরা জানান পুলিশ মদের ঘরে টলছে। কি বলছে কি করছে তার ঠিক থাকছে না। তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলা কিকরে ঠিক থাকবে। আজ অপরাধী রা এতটা দুঃসাহস পেয়েছে তো এরকম পুলিশকর্মীদের জন্যেই।

নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

ছবি
  নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ অয়ন মুখোপাধ্যায়  ভূমিকা নেপালের রাস্তায় তরুণদের ক্ষোভ এখন শুধু স্থানীয় আন্দোলন নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট করার মতো এক বিস্ফোরক বাস্তবতা। কাঠমান্ডুর রাজপথে পতাকা হাতে দাঁড়ানো এই প্রজন্ম একদিকে নিজেদের ভবিষ্যৎ দাবি করছে, অন্যদিকে গোটা দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থির করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র নেপালের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ হলো বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। জাতীয় আয়ের এক-চতুর্থাংশের বেশি আসে রেমিট্যান্স থেকে। কিন্তু এই প্রবাস নির্ভরতা নেপালের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারকে দুর্বল করেছে। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন কমছে। শিল্পায়ন কার্যত স্থবির। শিক্ষিত তরুণদের বড় অংশ চাকরির জন্য দেশ ছাড়ছে। ফলে দেশের ভেতরে কোনো টেকসই অর্থনীতি গড়ে উঠছে না। এই শূন্যতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে ক্ষোভ। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুব ক্ষোভ রাজতন্ত্র পতনের পর গণতন্ত্র এলেও নেপাল স্থিতিশীল হয়নি। জোট ভাঙা-গড়া, দুর্নীতি, এবং ক্ষমতার দৌড়ে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে বারবার। যুবকেরা আজ বুঝে গেছে—শুধু ক্ষমতার লড়াই ...

আলিপুর চিড়িয়াখানা র গাফিলতিতে দুদিনে মারা গেলো দুটি বাঘ

ছবি
আলিপুর চিড়িয়াখানা র  গাফিলতিতে  দুদিনে মারা গেলো  দুটি বাঘ পুলক চক্রবর্তী : ১১ সেপ্টেম্বর - প্রথমে বিরল প্রজাতির জীব উধাও হয়েছিলো কলকাতা চিড়িয়াখানা থেকে। এখন দুদিনে দুটি বাঘ মারা গিয়ে ফের খবরের শিরোনামে সেই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার ও বুধবার ২ দিনে দুই বাঘিনীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় বাঘিনীর পায়েলের। পায়েল হলুদ কালো ডোরা কাটা বাঘ। পায়েলকে বাইরে থেকে আনা হয়েছিল। এখন তার বয়স হয়েছিল ১৭ বছর। অন্যদিকে আরও এক বাঘিনীর মৃত্যু হল গতকাল তার নাম রূপা।রূপার বয়স হয়েছিল ২১ বছর। রূপার জন্ম হয় এখানেই। রূপা সাদা বাঘ যা বিশ্বে অত্যন্ত বিরল।  ৩ জন পশু চিকিৎসক দের দল গঠন হয়েছে। তারা ময়নাতদন্ত করবেন ও খতিয়ে দেখবেন কি কারণে মৃত্যু। সূত্রের খবর বয়স হয়েছিল সেই বয়স জনিত কারণেই মৃত্যু। তদন্ত করে দেখছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। পায়েলকে আনা হয় ২০১৬ সালে উড়িষ্যার নন্দন কানন থেকে। রূপা ২০০৪ সালে জন্ম। বাবার নাম অনির্বাণ,মায়ের নাম কৃষ্ণা ভিসেরা পরীক্ষা করা হবে বলে খবর। আলিপুর চিড়িয়াখানার পশুদের যত্ন হয়না ঠিকমতো এই অভিযোগ ছিলই। এখন সেই সন্দেহ ...

চন্দননগরে বাঁশবাগানে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার

ছবি
 চন্দননগরে বাঁশবাগানে  অজ্ঞাত পরিচয়  মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ মিললো চন্দননগরে।কর্পোরেশনের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রামে চন্দননগর স্টেশন রোডের পাশে আশা ইলেকট্রিকের পেছনে আমবাগানের পাশে একটি বাঁশ বাগানে আজ দুপুরে মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। বাঁশ বাগানের পাশের একটি বিল্ডার্সের পাথর তোলার কাজ করছিলেন শ্রমিকরা তারাই দেখতে পান। খবর যায় ভদ্রেশ্বর থানায়।পুলিশ এসে মৃতদেহের ভিডিও গ্রাফি করে। মহিলার পড়নে শাড়ি,দুই হাতে নোয়া।মৃতদেহের পাশে একটি বটুয়া তাতে কিছু খুরচো পয়সা ছিল। দেহ থেকে কয়েক হাত দূরে কার্বোলিক অ্যাসিডের শিশি পড়ে দেখতে পায় পুলিশ। মৃতদেহের পাশে ছিপি পড়ে ছিল। স্থানীয়দের অনুমান বাইরে থেকে এসেছিলেন ওই মহিলা। প্রাথমিক ভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। দেহ চুঁচুড়া ইামাবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেখানেই ময়না তদন্ত হবে বলে খবর।

সুকুমার রায় : মৃত্যুর ওপারে অমর কল্পনার আয়না

ছবি
 সুকুমার রায় : মৃত্যুর ওপারে  অমর কল্পনার আয়না অয়ন মুখোপাধ্যায়  ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর—একটি তারিখ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্যালেন্ডারে চিরকাল কালো দাগ টেনে রেখেছে। সেদিন চলে গেলেন সুকুমার রায়। মাত্র ছত্রিশ বছরের জীবন, অথচ তাঁর সৃষ্টির ঝলক আজও যেন চোখ-ধাঁধানো আতশবাজির মতো আকাশে ছড়িয়ে আছে। মৃত্যু তাঁকে নেয়নি, মৃত্যু কেবল তাঁর শারীরিক উপস্থিতিকে মুছে দিয়েছে। কারণ, তাঁর লেখা, তাঁর হাসি, তাঁর কল্পনার দুনিয়া আজও জীবন্ত, আমাদের প্রতিদিনের ভাষা, অভ্যাস, মজা আর দুষ্টুমির ভেতর দিয়ে। সুকুমার রায়কে যদি আমরা কেবল শিশু-কিশোর সাহিত্যের লেখক বলি, তাহলে তাঁকে ভয়ানকভাবে ছোট করে ফেলা হবে। সত্যি কথা বলতে, তিনি ছিলেন কল্পনার এক অসাধারণ স্থপতি। তিনি যে ছড়া লিখেছেন, তার ভেতরে যেমন আছে শিশুমনকে উল্লসিত করার হালকা খুনসুটি, তেমনি রয়েছে সমাজের ভণ্ডামি আর গোঁড়ামিকে খোঁচা দেওয়ার সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ। তাঁর লেখা হ-য-ব-র-ল পড়লে আমরা হাসতে হাসতে আবিষ্কার করি—অর্থহীনতার ভেতর দিয়েও কী অসাধারণ অর্থ তৈরি করা যায়। তাঁর ছড়ার ভেতর যে শব্দের খেলা, সেই শব্দচাতুর্য বাংলা ভাষাকে এমন এক দিশা দেখি...

স্মৃতি মন্ধানাকে নিয়ে গান বাঁধলেন অধ্যাপক বশিষ্ঠ

ছবি
স্মৃতি মন্ধানাকে নিয়ে গান  বাঁধলেন অধ্যাপক বশিষ্ঠ শুভ্র মুখোপাধ্যায় : মহিলাদের বিশ্বকাপ ক্রিকেট দরজায় টোকা মারছে। ভারতের মাঠে হবে এই মেগা ইভেন্ট। এই বড় আসরে সকলের আকর্ষণ ভারতের নামী তারকা স্মৃতি মন্ধানার ওপর। তিনি দলের মূল কান্ডারী। এই স্টাইলিশ ব্যাটারকে নিয়ে মেগা আসরের আগে গান রচনা করলেন কেরালার কালিকট বিশ্ববিদ্যালয় এর ইতিহাসের অধ্যাপক এম এ বশিষ্ঠ। তিনি গান লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন। গানটি গেয়েছেন শিলু ফতিমা। গানটির একটা ভিডিও অ্যালবাম করা হয়েছে। বিশ্বকাপের সময় এই অ্যালবামটি অধ্যাপক তুলে দেবেন স্মৃতির হাতে।