পোস্টগুলি

স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে শিবির

ছবি
স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে শিবির  গোপাল চক্রবর্তী, দক্ষিণ কলকাতায় হালতুর মিলনয়াতন ক্লাবে ২৮আগস্ট স্বাস্থ্য সচেতন বিষয়ে এক শিবির অনুষ্ঠিত হলো।ক্যালকাটা মেট্রোপোলিটন ইনস্টিটিউট অফ জেরন্টোলজি এবং ধৃ এর উদ্যোগে ও ভারত সরকারের সমাজ ও ন্যা য় কল্যাণ বিভাগের সাহযোগিতায় এদিনের শিবিরে ছোটো থেকে বহু বৃদ্ধ মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নিয়মিত যোগাভ্যাস, পুষ্টিকর খাদ্য, হাঁটা চলা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ছবি :শঙ্কর মন্ডল div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: justify;">

নজরুল প্রয়াণ দিবস পালন তথ্য দপ্তরের

ছবি
 নজরুল প্রয়াণ দিবস পালন  তথ্য দপ্তরের ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ যাত্রার দিনের বেতারে ভাষ্য পাঠ করেছিলেন বিদ্রোহী কবি নজরুল। শ্রীরামপুর মহকুমা তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে শুক্রবার পালিত হল বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস। শ্রীরামপুর ড্যানিশ গভর্নমেন্ট হাউসে এই অনুষ্ঠান হয়। শ্রীরামপুর মহকুমার মহকুমাশাসক শম্ভুদীপ সরকার এদিন এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন এডিও ট্রেজারির আধিকারিক সহ মহকুমা তথ্য আধিকারিক অন্বেষা গাঙ্গুলি, জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের বিশিষ্ট অধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ করে সায়নী দেবের কণ্ঠে ফিরিয়া যদি সে আসে মন্ত্রমুগ্ধ করে। ঝর্ণা মন্ডলের কণ্ঠে তোমার মহাবিশ্বে নজরুল গীতি এক অনন্য আবহ তৈরী করেছিল। অগ্নিভা ভদ্র দাস পিছুডাক কবিতা পরিবেশন করেন। মোট ১৫ জন শিল্পী কলাকুশলি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: just...

“বলাগড়ের অভিজ্ঞতা, বাংলার ভবিষ্যৎ: ভূমিপুত্র সংরক্ষণ না হলে কী হবে?”

ছবি
 “বলাগড়ের অভিজ্ঞতা,  বাংলার ভবিষ্যৎ: ভূমিপুত্র  সংরক্ষণ না হলে কী হবে?” অয়ন মুখোপাধ্যায়  বাংলা পক্ষ বহুদিন ধরেই দাবি করে আসছে—বাংলায় কর্মসংস্থানে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ না থাকলে বাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এই প্রসঙ্গে আজকেই মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকের পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম স্থানীয় বলাগড়ে র শ্রমিকরা ওখানে কাজ পাচ্ছে না তাঁর বক্তব্য থেকেই আমি প্রথম গভীরভাবে ভাবতে শুরু করি, বিশেষত আমি নিজে যেহেতু হুগলি জেলার বলাগড় বিধানসভার অন্তর্গত মানুষ, তাই চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো আমাকে আরও বিচলিত করে তুলেছে। শিল্প থেকে বাঙালির বিতাড়ন বলাগড় বিধানসভার Agarwal Group-এর ESS DEE Aluminium Limited–এর ঘটনা তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ। একসময় যখন এই কারখানার মালিকানা বাঙালির হাতে ছিল, তখন স্থানীয় শ্রমিকরাই কাজের সুযোগ পেতেন, তাদের ন্যূনতম সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত হতো। কিন্তু মালিকানা হাতবদলের পর চিত্র পাল্টে যায়। এখন একের পর এক বাঙালি শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছেন, আর সেই জায়গায় নিয়োগ পাচ্ছেন বহিরাগত শ্রমিক—মূলত উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে আসা শ্রমজীবীরা। এই পরিবর্তন কেবল একটি প্রতিষ্ঠ...

বিশ্ববিদ্যালয় আজ: জ্ঞান বনাম রাজনৈতিক আগ্রাসন

ছবি
 বিশ্ববিদ্যালয় আজ:  জ্ঞান বনাম  রাজনৈতিক আগ্রাসন  অয়ন মুখোপাধ্যায়  ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়। এক সময় এটি ছিল সারস্বত সাধনার মন্দির—জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রবেশাধিকার থাকা স্থান। প্রবেশাধিকার নির্ধারিত হত একমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে। নালন্দা, তক্ষশীলা—শ্রেষ্ঠ পণ্ডিতরাও দ্বারপণ্ডিতের কঠিন প্রশ্নে উত্তীর্ণ হতে হতো। ‘এন্ট্রান্স’ তখন শুধু দরজা নয়, জ্ঞানের মর্যাদার প্রতীক। আজ? আজ সেই মর্যাদা ছিন্নভিন্ন। এক মূঢ়, দুর্বিনীত, হিংস্র রাজনীতিকের হাতে আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প-বাণিজ্য, অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে। জ্ঞানমনস্কতা? তুচ্ছ। প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি? ধ্বংসপ্রায়। আর হায় রে! বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তার সচিবালয়ে গণেশ পুজো করছেন। প্রথার অবক্ষয় নয়, এটি শিক্ষার হৃদয়ে রাজনৈতিক আগ্রাসনের চরম প্রমাণ। ধরে নিন, যদি কোনো ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপাচার্য তার সচিবালয়ে রমজানের নামাজের ব্যবস্থা করতেন—আমরা কি তখনও নীরব থাকতাম? আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান কি তখনও আমাদের নৈতিক শক্তি দিত? নাকি রাজনীতির লোভ ও ধর্মীয় ছাপের কাছে আমরা ত...

মুনীন্দ্র দেব রায় : বইয়ের নীরব আলো

ছবি
 মুনীন্দ্র দেব রায় : বইয়ের  নীরব আলো অয়ন মুখোপাধ্যায় ইতিহাস সবসময় গর্জনের মধ্যে লেখা হয় না। ইতিহাসের এক বিশাল অংশ জন্ম নেয় নীরবতায়, ধুলোমাখা বইয়ের পাতায়, শীতল পাঠাগারের শান্ত আলোছায়ায়। আর এই নীরব ইতিহাসেরই এক অগ্রদূত ছিলেন মুনীন্দ্র দেব রায়। তিনি রাজনীতি বা বিপ্লবের প্রচণ্ড আলোড়নে নাম লেখাননি, তবু তাঁর কাজের ভিতর দিয়ে উঠে এসেছে সভ্যতার এক অন্যতর স্বপ্ন—যেখানে বই মানুষের মুক্তির হাতিয়ার, আর পাঠাগার সমাজের প্রাণকেন্দ্র। বাঁশবেড়িয়ার রাজপরিবারে তাঁর জন্ম, ১৮৭৪ সালের ২৬শে আগস্ট। রাজপরিবার মানেই প্রাচুর্য, ভোগ, ঐশ্বর্য—কিন্তু সেই আভিজাত্যের ভেতর থেকেও তাঁর চোখ সরে যেত বাইরে, সাধারণ মানুষের দিকে। এক কিশোর মনের ভিতর তখনই জন্ম নিচ্ছিল অন্যরকম স্বপ্ন। পরবর্তী সময়ে হুগলী মহসিন কলেজের আঙিনা, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের পাঠশালা—সবকিছু মিলিয়ে সেই স্বপ্ন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তাঁর কাছে শিক্ষা মানে কেবল পরীক্ষায় পাশ করা নয়, শিক্ষা মানে জ্ঞানকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া। মুনীন্দ্র দেব রায় বিশ্বাস করতেন, বই কেবল অক্ষরের ভাণ্ডার নয়। বই মানুষের মুক্তির পথ, বই সমাজকে অগ্রসর করার সোপান। তাই তিন...

চন্দননগর স্টেশনে গাছ কাটা নিয়ে রাজ্য বন দফতর ও রেলের বিরোধ চরমে

ছবি
চন্দননগর স্টেশনে  গাছ কাটা নিয়ে  রাজ্য বন দফতর ও  রেলের বিরোধ চরমে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: বৃহস্পতিবার গাছ কাটা নিয়ে বোন দফতর ও রেলের ঝগড়া তুঙ্গে উঠলো। অভিযোগ নাকি ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের আপত্তি সত্বেও চন্দননগর স্টেশনের সামনে শতাব্দীপ্রাচীন মেহগনি গাছ কেটে সাফ করলো রেল।  বৃহস্পতিবার এই শতাব্দীপ্রাচীন গাছ কাটা হবে এই খবর পেয়ে বিজ্ঞান মঞ্চের কর্মীরা জেলা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারকে জানান। রেঞ্জ অফিসার ও বনবিভাগের অন্যান্য কর্মচারী রা এসে গাছ কাটা বন্ধ ও করেছিলেন। পরে দেখা যায় রেল গাছটি কেটে সাফ করে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের পক্ষে সন্দীপ সিংহ জানান। গাছ আমাদের প্রাণ গাছ আছে বলে আমরা অক্সিজেন পাচ্ছি। সারা পৃথিবী জুড়ে যখন বৃক্ষ জাতীয় গাছ রক্ষা করতে হবে বলা হচ্ছে তখন রেলের মতো একটা বড় সংস্থা গাছ কাটছে। এটা মানা যায়?  এদিন ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। রেল বলছে যে গাছটি সম্পর্কে আমরা আপত্তি জানিয়েছিলাম সেটা কাটা হয়নি। যদিও যারা অভিযোগ করেছিলেন তারা বলছেন ঐ গাছটি কাটা হয়েছে। আমরা গিয়ে বিষয়টি কাল দেখবো। div> class="separa...

বিরল প্রজাতির গিরগিটি উদ্ধার সিঙ্গুরে

ছবি
 বিরল প্রজাতির গিরগিটি  উদ্ধার সিঙ্গুরে ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : বিলুপ্ত প্রায় বিরল প্রজাতির গিরগিটি উদ্ধার করলো চুঁচুড়ার বন দপ্তরের কর্মীরা। সিঙ্গুরের আনন্দনগর থেকে এটি উদ্ধার হয়। যাঁর ইংরেজি নাম ক্যামেলিয়ন। বাংলায় বলা হয় বহুরূপী। এই প্রাণী বিভিন্ন রকমের রঙ ধারনা করতে পারে বলে জানা গেছে। এটি উদ্ধার করতে পলতাগড় গ্রামের তিন যুবক বিশ্বজিৎ দাস, সোমনাথ দাস ও প্রশান্ত সাঁতরা বনদপ্তরকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁরা বন দপ্তরের কর্মী অরূপ মিত্র ও বুলি মাঝির হাতে প্রাণীটি তুলে দেন।   > div> class="separator" style="clear: both; text-align: center;"> এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে  আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন  খরচ মাত্র ৩০০ টাকা। style="text-align: justify;">