নারী নিরাপত্তায় আত্মরক্ষা শিবির নারীদের অধিকারকে সামনে রেখে বিধানসভা নির্বাচনে চোখ সিপিএম'র
নারী নিরাপত্তায়
আত্মরক্ষা শিবির
নারীদের অধিকারকে
সামনে রেখে বিধানসভা
নির্বাচনে চোখ সিপিএম'র
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : একটা নতুন ঝাঁঝে বিধানসভার আগে আগুন ঝরালো সিপিএম র মহিলা ব্রিগেড। ২০১১ সালের পালাবদলের পর হুহু করে কমেছে সিপিএম র ভোট ব্যাঙ্ক তবে এতো বছরেও যে সুর তাবড় সিপিএম র জনসভায় মেলেনি। সেই সুর মিললো সিপিএম র মহিলা সমাবেশে। তাও রাজ্য স্তরের না হুগলী জেলা সম্মেলনের মহিলা সমাবেশের। সিপিএম র মহিলা ব্রিগেডের সভা থেকে হুঙ্কার পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে দল মত নির্বিশেষে যেকোনো মহিলার ইজ্জতে হাত দিলে মেরে পাট করে দেবো। এই ভাষা তেই উদ্বুদ্ধ সিপিএম র মহিলা ব্রিগেড। মহিলাদের ব্রিগেড তৈরী করে আত্মরক্ষা সমিতি তৈরী করতে চাইছে সিপিএম র মহিলা ব্রিগেড। লক্ষীর ভান্ডার মহিলাদের মনে দাগ কাটলেও নারী নিরাপত্তা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সেই ইস্যু কে পাখির চোখ করেছে সিপিএম।
আর জি কর থেকে সম্প্রতি দুর্গাপুরে গণধর্ষণ একাধিক ইস্যুতে কার্যত তৃণমূলকে ধুয়ে দিলেন সিপিএম নেত্রী মিনাক্ষী। তিনি বলেন পাড়ায় পাড়ায় মহিলাদের শক্তিশালী করতে আমরা মেয়েদের ব্রিগেড তৈরী করছি। আত্মরক্ষা সমিতি থেকে মহিলার সমিতির জন্ম আমরা অতীত ইতিহাস জানি। এর পরে মহিলাদের সম্ভ্রমে আঘাত এলে আমরা সেই হাত ভেঙে গুড়িয়ে দেবো। আমরা বলতে চাই মেয়েদের পণ্য হিসেবে ভাবছে তৃণমূল। আমরা বামপন্থীরা মেয়েদের অধিকারের কথা বলছি। কেন মেয়েরা রাতে বেরোতে পারবে না? আমরা কি তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক?
এদিন মিনাক্ষী ছাড়া বক্তব্য রাখেন রাজ্য সম্পাদক কনীণিকা বোস ঘোষ। তিনি বলেন দুই সাম্প্রদায়িক শক্তি একদিকে আর এস এস অন্যদিকে তালিবান দুজনেই নারী বিরোধী। তিনি তৃণমূলের সাথে বিজেপিকেও আক্রমন করেন। এই সমাবেশে গোটা জেলা জুড়ে অগণিত মহিলা অংশগ্রহণ করেছিলেন। এদিন সভা মঞ্চ থেকে তালিবান মন্ত্রীর নারী সাংবাদিক দের বের করে দেওয়ার নির্দেশের তীব্র বিরোধিতা জানানো হয়।
style="text-align: justify;">






মন্তব্যসমূহ