জাতিপুঞ্জ-এর নিরাপত্তা পরিষদ-এর অস্তিত্বই আজ প্রশ্নের মুখে

 জাতিপুঞ্জ-এর নিরাপত্তা

 পরিষদ-এর অস্তিত্বই 

আজ প্রশ্নের মুখে


বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

সমাজ ও পরিবেশকর্মী

 মুখপাত

জাতিপুঞ্জ-এর ‘জেনেভা আকাদেমি’র তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বযুদ্ধ না হলেও বিশ্বজুড়ে ১১০টির বেশি সক্রিয় সশস্ত্র লড়াই চলছে। দীর্ঘকালীন এরকম কয়েকটি সুতীব্র সংঘর্ষ হল রাশিয়া-ইউক্রেন-এর যুদ্ধ, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত, ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধ (যেখানে নোবেল-আকাঙ্ক্ষী ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে জড়িয়েছেন), সুদান, মায়ানমার এবং ইথিওপিয়া-এর গৃহযুদ্ধ, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া এবং কঙ্গো দেশের অভ্যুত্থান, হাইতি-এর গ্যাং-যুদ্ধ ইত্যাদি।

 যুদ্ধ-শরণার্থী

‘ইউনাইটেড নেশনস্ হাইকমিশনার ফর রিফিউজিস’ প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত যুদ্ধ, হিংসা ও নির্যাতনের ঘটনায় পৃথিবীজুড়ে প্রায় ১২.২১ কোটি মানুষ নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। উল্লেখ্য, ঘরহারা এই মানুষগুলির ৪০ শতাংশ শিশু। ‘ইউএন সেক্রেটারি জেনারেলস্ ২০২৪ রিপোর্ট’ জানাচ্ছে, যুদ্ধস্থানে শিশুদের ওপর নৃশংসতা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। শরণার্থীদের মধ্যে ৪.২৭ কোটি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়েছেন। ৭.৩৫ কোটি মানুষ দেশের মধ্যেই অন্যত্র নিরাপত্তার জন্য চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। বাকিরা এখনও কোন নিরাপদ আশ্রয়স্থল বা আন্তর্জাতিক সুরক্ষার অপেক্ষায়।

 যুদ্ধে বিপন্ন পরিবেশ

‘উপসালা কনফ্লিক্ট ডেটা প্রোগ্রাম’ (১১.০৬.২০২৫) জানাচ্ছে, পৃথিবীতে বিগত এক দশকে সশস্ত্র যুদ্ধের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। যুদ্ধে ভয়াবহ দূষণ ঘটে। উপসাগরীয় যুদ্ধের পরে কালো তৈলাক্ত বৃষ্টি হয়েছিল ইরান ও সৌদি আরব-এ। পনেরশো মাইলেরও বেশি দূরে অবস্থিত কাশ্মীর-এ কালো বরফ পড়েছিল। কেবল স্থলেই নয়, সমুদ্রের জলেও ব্যাপকভাবে বোমার ব্যবহার সামুদ্রিক দূষণ ঘটায়। হালফিলে ইরান-এর ওপর হামলায় আমেরিকা নাতানজ ও ইসফাহান ক্ষেত্রে ৪০০ মাইল দূরে অবস্থিত মার্কিন সাবমেরিন থেকে ৩০টি টোমাহক মিসাইল ছুঁড়েছে। টোমাহক মিসাইলের মধ্যে থাকে ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম। ইউরেনিয়াম-এর তেজস্ক্রিয় কণা মাটি ও জলের সঙ্গে মিশে ভয়াবহ দূষণ ঘটায়। ইউনাইটেড নেশনস্ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম-এর বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটিতে যেখানে তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম-এর কণা মেশে, তার ১৫০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কেউ যদি তা শ্বাসকার্যের সময়ে ফুসফুসে টেনে নেয়, তাহলে প্রাণহানির ভয় থাকে। ক্ষয়িত ইউরেনিয়াম বৃক্কের গোলযোগ, জন্মদানে অক্ষমতা এবং ক্যান্সার ঘটাতে পারে।

পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের রায়ান পি থম্বস্ প্রমুখ ‘প্লস ক্লাইমেট’ পত্রিকায় এক গবেষণাপত্রে (০২.০৭.২৫) জানিয়েছেন, আবিশ্ব জলবায়ু সংকট এবং অন্যান্য টেকসই পরিবেশবান্ধব বিষয়ে বাধাদানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। এই বাহিনী পৃথিবীর বৃহত্তম একক প্রাতিষ্ঠানিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী হিসেবে গবেষণাপত্রে চিহ্নিত হয়েছে।

 অকর্মণ্য জাতিপুঞ্জ ও নিরাপত্তা পরিষদ

জাতিপুঞ্জ থেকে আজ পর্যন্ত উচ্চারিত হল না যে এসব যুদ্ধে পৃথিবীজুড়ে কী কী নিষিদ্ধ মারণাস্ত্র ব্যবহৃত হল, কত জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ল, কত গ্রিনহাউস গ্যাস বাতাসে মিশল, কী পরিমাণ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হল, বা কী বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হল। আবিশ্ব যদি এভাবে যুদ্ধ চলতেই থাকে, তাহলে মানবজাতি সহ সমস্ত প্রাণীজগতের যে মজবুত উন্নয়নের কথা আমরা বলছি, তা অধরাই থেকে যাবে। ভারত সহ ২০১৫ সালে জাতিপুঞ্জের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রকে নিয়ে যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য’ কর্মসূচি চালু হয়েছে, তার বেশ কিছু চাবি-ক্ষেত্রে (সেক্টর) মজবুত লগ্নির অভাব ঘটছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যপূরণে পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে। অথচ পৃথিবীজোড়া যুদ্ধের খরচের কিছু অংশ যদি এখানে খরচ করা যেত, তাহলে লক্ষ্যপূরণে অনেকটাই এগিয়ে যাওয়া যেত। শক্তিশালী দেশগুলি একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দেশে নির্বিচারে বোমা ফেলছে, কোনরকম প্ররোচনা ছাড়াই। টিভি খুললেই দেখা যায়, রাতে যুদ্ধরত দেশগুলিতে মারণ মিসাইলের আকাশজুড়ে অকাল-দীপাবলি। আর গোটা পৃথিবী অসহায় হয়ে তা দেখছে।

এখানেই প্রশ্ন ওঠে জাতিপুঞ্জের ‘নিরাপত্তা পরিষদ’-এর অস্তিত্ব নিয়ে, যাদের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা। জাতিপুঞ্জের জন্মলগ্নে তদানীন্তন যে কয়েকটি বড় শক্তিধর দেশ ছিল, তার মধ্যে আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ইত্যাদি কয়েকটি দেশ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত হয়েছিল, যার অন্যতম একটি দায়িত্ব পৃথিবীর কোথাও কোন দেশ যদি যুদ্ধ বাধাতে চায়, তাহলে পরিষদ সেখানে ভেটো প্রয়োগ করে যুদ্ধে বাধা দিতে পারে। ভারতবর্ষেও বেশ কয়েকবার যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে ভেটো দিয়েছে। আশ্চর্যের হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য-দেশগুলিই বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ করেছে। এর অন্যতম উদাহরণ কোরিয়া এবং ভিয়েতনাম, যেখানে নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধ আটকাতে পারেনি। ভিয়েতনামের পরেও দেখা গেল সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান দখলের চেষ্টা করল। উপসাগরীয় যুদ্ধে আমেরিকা ইরাক আক্রমণ করল। সমস্ত ক্ষেত্রেই যুদ্ধ রোধে নিরাপত্তা পরিষদ চরম ব্যর্থ। এমনকি পারমাণবিক শক্তিতে বলীয়ান হবার জন্য পৃথিবীর যেসব দেশ পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে, তাদেরও কোন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি নিরাপত্তা পরিষদ।

এরই মধ্যে পৃথিবীতে শক্তিধর দেশরূপে চিন উঠে এসেছে। মাও-সে-তুঙ্ বলতেন, ‘প্রিপারেশন ফর ওয়ার ইজ দ্য বিগ গ্যারান্টি ফর পিস্।’ এ-তত্ত্বেই এখন সবাই বিশ্বাসী। প্রতিটি দেশই নিজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুদ্ধ-প্রবণতা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। যে-সব গরিব দেশ তাদের নাগরিকদের মুখে খাদ্য জোগাতে পারে না, শিক্ষা দিতে পারে না, কর্মসংস্থানের ক্ষমতা নেই, তারাও আকণ্ঠ বিদেশি ঋণে ডুবে সমরাস্ত্র কিনছে। এই সমরাস্ত্র বিক্রির লভ্যাংশ পাচ্ছে জাতিপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য-দেশগুলি। এরা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে যুদ্ধ বাধিয়ে রাখছে কেবল বাণিজ্যিক স্বার্থে, তাদের রাজকোষ মজবুত রাখতে।

হালফিলে ইরান-এর ওপর আমেরিকা বা ইজরায়েল-এর আক্রমণ কেবল ন্যায়-অন্যায়ের বিষয় নয়। আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সহমতে আইনি অনুশাসনের ওপর গড়ে ওঠা এটি পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শৃংখলার বিষয়, যা বিশ্বব্যাপী নানান সংস্থার মাধ্যমে লাগু হয়েছে। ১৯৭০ সালে পৃথিবীর ১৯১টি দেশ মেনে নেয়, ক্রমাগত পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র তৈরি পারমাণবিক যুদ্ধের বিপদকে বাড়িয়ে তুলবে। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে এক আন্তর্জাতিক সমঝোতার মাধ্যমে দেশগুলি ‘নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি’ (এনপিটি) সম্পাদন করে। ইরান এনপিটি স্বাক্ষরকারী দেশ হওয়ায় সেখানে কোনরকম পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র রাখা যাবে না। স্বাক্ষরকারী দেশগুলি এনপিটি-র নিয়মাবলি মানছে কি না, তার তত্ত্বাবধানে রয়েছে ভিয়েনা-স্থিত ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি’ (আইএইএ)। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের বিচারে ইরান আইএইএ-র রক্ষাকবচের মধ্যেই রয়েছে।

আমেরিকা, রাশিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স ও চিন-এ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে বলে এনপিটি-তে স্বীকৃত। এরা সকলেই জাতিপুঞ্জ-এর নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য। ভারত ও পাকিস্তান এনপিটি-তে স্বাক্ষর না করলেও জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র বানাতে সক্ষম। উত্তর কোরিয়া এনপিটি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। ইজরায়েল কখনোই এনপিটি-তে স্বাক্ষর করেনি। তবু সে-ই কি না বলছে, ইরানের পারমাণবিক কার্যসূচি তার অস্তিত্বের পক্ষে বিপজ্জনক! যদিও এ-কথা সবাই জানে ইজরায়েল-এর গোপন পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি রয়েছে। আর যে-দেশটি খোলাখুলি বিশ্বজনীন নিয়মকানুন ও সংস্থাগুলিকে এড়িয়ে গেল, সে-ই এনপিটি-র আইনে আবদ্ধ ইরানকে আক্রমণ করল! এই ঘটনার পরে পৃথিবীর দেশগুলির ভবিষ্যৎ জোটবদ্ধতা ও বিষয়ভিত্তিক সমঝোতা নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।

২০২৫ সালের মে মাসে আইএইএ-র পরিদর্শকরা ইরানের ওপর এক প্রতিবেদনে সে দেশে ইউরেনিয়ামের দ্রুত সঞ্চয় বৃদ্ধির উল্লেখ করেন। কিন্তু প্রতিবেদনটির কোথাও ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভারের প্রমাণের উল্লেখ নেই। আইএইএ-র ডিরেক্টর জেনারেলও এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। প্রতিবেদন অনুযায়ী এর পরে ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসা উচিত ছিল। প্রয়োজনবোধে বিষয়টিকে জাতিপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদেও তোলা যেত। কিন্তু তা না করে ইরানের পরমাণু শক্তিকেন্দ্রের উপর বোমা ফেলা হল, পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ভয়াবহ পরিণাম উপেক্ষা করে। এ-ঘটনায় আইএইএ-র বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় রইল? জাতিপুঞ্জের সাধারণ সচিব সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু উপদেশ দিলেন, যা কেউ শোনে না। এসব আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি কি তাহলে আপোষকামী হয়ে উঠল! নাকি কিছু শক্তিশালী দেশের দাদাগিরিতে অসহায় হয়ে নিজেদের দায়দায়িত্ব বিসর্জন দিল! পৃথিবীর দেশগুলির পরস্পর-নির্ভরশীল সুশৃংখল ব্যবস্থার এটি কোন আগামী রোডম্যাপ হতে পারে না।

 তাহলে উপায়?

বাকু-এর জলবায়ু সম্মেলনে যুদ্ধবিরোধী বা যুদ্ধ বন্ধের কথা অল্পবিস্তর বলা হলেও কার্যত কিন্তু যুদ্ধবিরোধী অবস্থান পৃথিবীর কোন দেশই নিতে পারছে না। প্রতিটি দেশই তার আধিপত্যবাদ বজায় রাখতে যুদ্ধ করে চলেছে। ১৯৬১ সালে বেলগ্রেড-এ নেহরু, টিটো, নাসের, সুকর্ণ ও নক্রুমা-র প্রচেষ্টায় বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, ঔপনিবেশিকতা ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা এবং জাতি-বৈষম্য দূর করতে ‘জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন’ শুরু হয়। এই ধরনের কোন আন্দোলন যদি করা যায়, তাহলে বিশ্বজুড়ে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ গড়ে উঠেছে, দেশে-দেশে যুদ্ধ বাধানোর যে ফন্দি-ফিকির চলেছে, তাকে হয়তো ঠেকানো যাবে। জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ কোনওভাবেই পৃথিবীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। তৃতীয় বিশ্বের মানুষকেই জোটবদ্ধ ভাবে খুঁজে নিতে হবে আগামী গতিপথ।

এখানে একথাও বলা জরুরি, আবিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সত্য। সমস্ত দেশকে এক হয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে। প্রতিটি মানুষের কাছে এটি এক সংকট। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি যদি ক্রমশ অকর্মণ্য হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিশ্বজোড়া সংকটের সমাধান কার্যত অসম্ভব। যুদ্ধ ও সন্ত্রাস বন্ধে আবিশ্ব এক সুনির্দিষ্ট সমাধান-সূত্র বের করতে প্রথমেই চাই এক দেশের অন্য দেশের ওপর আধিপত্যবাদের সমাপ্তি। আবিশ্ব আধিপত্যবাদ রোধে জাতিপুঞ্জের তিনটি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত -- সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ ধ্বংস নিয়ন্ত্রণ এবং যে কোনওরকম যুদ্ধ বন্ধ। পৃথিবীর দেশগুলির কাছে জাতিপুঞ্জের বার্তা হোক ‘আধিপত্যবাদ-এর অবসান চাই’। আসুন, আবিশ্ব আধিপত্যবাদ-এর পরিসমাপ্তির জন্য আমরা বন্ধ করি যুদ্ধ, বন্ধ করি সন্ত্রাসবাদ, বন্ধ করি পরিবেশ ধ্বংস।


style="text-align: justify;">
bannerbanner



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জালিয়াতি করে চলছে রেস্টুরেন্ট দোকানের মালিকের অভিযোগে বাতিল জাল ট্রেড লাইসেন্স

চন্দননগর ইস্পাত সংঘে চলছে টি সি এস এ চাকরির ট্রেনিং

বৈদ্যবাটী সীতারাম বাগানে দম্পতির রক্তাক্ত দে উদ্ধার