পোস্টগুলি

কুংফু টুর্নামেন্টে কলকাতায়

ছবি
কুংফু টুর্নামেন্টে কলকাতায় ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : চাইনিজ মার্শাল আর্ট বহু প্রাচীন। আর শাওলিন টেম্পল বোধিধর্মের বহু আগে তৈরি হয়ে গেছিল, সেটাও এক ভারতীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর জন্য, যার নাম বুদ্ধভদ্র। এই বুদ্ধভদ্রের দুজন শিষ্য যারা প্রথম জীবনে সৈনিক ছিল তারাই শাওলিন টেম্পলে মার্শাল আর্ট চর্চা প্রথম শুরু করে। বোধিধর্ম এরও অন্তত একশো বছর পরে চীনে গেছিলেন। সেই ঐতিহ্য কে ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর পশ্চিমবঙ্গ শাওলিন কুংফু ও উশু অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি সংগঠনের উদ্যোগে ঢাকুরিয়ার সিএলটি অবন মহল হল এ আয়োজিত হল ১২তম রাজ্য কুংফু (sanshou) চ্যাম্পিয়নশিপ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় দুশোর কাছাকাছি ছেলেমেয়ে এই প্রতিযোগিতায় বয়সভিত্তিক বিভাগগুলিতে অংশগ্রহণ করেন। অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান প্রশিক্ষক গ্র্যান্ডমাস্টার রূপম রায় বলেন যে কুংফু শুধু আত্মরক্ষাই নয় ছেলেমেয়েদের সামগ্রিক জীবনবোধের উন্নতি ঘটাতে এবং জীবন সংগ্রামে শারিরীক ও মানসিক উন্নতিরও সহায়ক হতে পারে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্হানাধিকারীদের যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। 

গ্রামীণ চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন RDAI-র বার্ষিক সম্মেলন বারাসতে

ছবি
গ্রামীণ চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ  সংগঠন RDAI-র বার্ষিক  সম্মেলন বারাসতে পুলক চক্রবর্তী, বারাসাত ১৩ ই সেপ্টেম্বর: ভারতের সর্ববৃহৎ গ্রামীণ ডাক্তারদের ট্রেড ইউনিয়ন রুরাল ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (RDAI)-র বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল উত্তর ২৪ পরগনার নীল দর্পণ সভাগৃহে। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ডাঃ বাপ্পা রায়। পাশাপাশি ছিলেন সংগঠনের উচ্চপদস্থ নেতৃত্ব ডাঃ কিসুন সিং, ডাঃ সমীর ঘোষ, ডাঃ মুজাফফর হোসেন এবং ডাঃ পরশুরাম রায়। সম্মেলনে রোবোটিক সার্জারির জটিল প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদে আলোচনা করেন খ্যাতনামা অর্থোপেডিক সার্জন ডাঃ মনোজ কুমার আগরওয়াল। উপস্থিত ছিলেন রেডিওলজিস্ট ডাঃ কাজল রায় এবং স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ বিশেষজ্ঞ ডাঃ এন বি কাঞীলালও। ডাঃ বাপ্পা রায়ের বক্তব্য, “গ্রামীণ ডাক্তারদের ট্রেড ইউনিয়নটি সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত। গোটা দেশে এটিই একমাত্র সংগঠন, যা পেশাগতভাবে ট্রেড ইউনিয়নের মর্যাদা পেয়েছে। অথচ দীর্ঘদিন গ্রামে থেকে মানুষের চিকিৎসা করার পরেও তারা ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।” তাঁর অভিযোগ, গ্রামীণ ডাক্তাররা সারা বছর রোদ-বৃষ্টি-ঝড়-ঝঞ্ঝা কিংবা মহামারী, সব...

সাঁঝের প্রদীপ অষ্টাদশ বর্ষের শারদ সংখ্যার উদ্বোধন

ছবি
সাঁঝের প্রদীপ অষ্টাদশ বর্ষের  শারদ সংখ্যার উদ্বোধন  ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : সাঁঝের প্রদীপ অষ্টাদশ বর্ষ শারদ সংখ্যার উদ্বোধন হল শনিবার। শতবর্ষ পরে কবি সুকান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট অধ্যাপক অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। সংবর্ধনা জানানো হয় অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, জগন্নাথ কুন্ডু, অধ্যাপক শ্রুতি সামন্ত কে সম্মাননা জানানো হয়। সভা পরিচালনা করেন জগন্নাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের শারদ সংখ্যায় বহু খ্যাতনামা লেখক লিখেছেন। অধ্যাপক স্বপন চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন সম্প্রীতির সাধনায় নজরুল, হিরন্ময় ঘোষাল লিখেছেন ফ্যাসিজমের ফাঁদে, শুভ্র মুখোপাধ্যায় লিখেছেন বিনা মেঘে বজ্রপাত কোহলি ও রোহিতের অবসর। বহু কবি তাদের কবিতার সম্ভার সাজিয়েছেন সাঁঝের প্রদীপে। 

অবশেষে প্যালেস্টাইন কে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ভোট ভারতের

ছবি
অবশেষে প্যালেস্টাইন কে  রাষ্ট্রের স্বীকৃতি   শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে  ভোট ভারতের ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো  :  অবশেষে অতীতের কূটনীতির ঐতিহ্য বজায় রেখে জাতিপূঞ্জের সাধারণ সভায় প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রস্তাবে ভোট দিলো ভারতবর্ষ। বেশ কিছু বছরে প্যালেষ্টাইন সংঘর্ষ বিরতির প্রস্তাব ইউ এন জেনারেল অ্যাসেম্বলি তে উত্থাপিত হলেও এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। যা নিয়ে দেশ বিদেশের মাটিতে এনিয়ে বিস্তর সমালোচনা হচ্ছিলো। ইউ এন জেনারেল অ্যাসেম্বলি নিউ ইয়র্ক রেজোলিউশন মেনে দ্বী রাষ্ট্র কে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবং প্যালেস্টাইন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মধ্যস্থতার পক্ষে সওয়াল করেছে। ভারত সহ ১৪২ টি দেশ এই প্রস্তাবে ভোট দিয়েছে। ইসরায়েল সহ ১০ টি দেশ এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। ১২ টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে। 

দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনে ধুন্ধুমার মৃত এক ছাত্র

ছবি
দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনে  ধুন্ধুমার  মৃত এক ছাত্র ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : সাংবাদ দাতা - পুলক চক্রবর্তী:- শুক্রবার ধুন্ধুমার দক্ষিনেশ্বর রেলওয়ে স্টেশনে। দুপুরবেলা হাতাহাতি র জেরে মারা গেলো এক ছাত্র বলে খবর। আজ দুপুর ২:৩০ মিনিট নাগাদ মেট্রো স্টেশনে দুটো ছাত্র ছাত্রীর দল প্রবেশ করে। স্টেশন ছাড়ার সময় দুই দলের মধ্যে বচসা হয়। এমন সময় ঐ ছাত্র দলের মধ্যে একজন ছাত্র ছুরি বের করে অন্য ছাত্রছাত্রীদের ওপর আঘাত করে। ছুরির আঘাতে একজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। বরানগর স্টেট্ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গুরুতর চোটের জন্য ছাত্র টিকে বাঁচানো যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ অপরাধী দের খোঁজ চালাচ্ছে। স্টেশনে পড়ে থাকা রক্ত ও অন্যান্য প্রমান রক্ষা করতে জায়গা গুলি কর্ডন করে দেওয়া হয়েছে।

শ্রীরামপুরে অন ডিউটি পুলিশ কনস্টেবলের মাতলামি

ছবি
 শ্রীরামপুরে অন ডিউটি পুলিশ  কনস্টেবলের  মাতলামি ভাইরাল ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: অন ডিউটি পুলিশ কনস্টেবলের মাতলামি শ্রীরামপুরে। চলতি পথে ফেরা একজন নিত্যযাত্রী কনস্টেবল র মাতলামির এই ভিডিও টি আমাদের প্রতিনিধির হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন ব্যক্তিগত কাজে শ্রীরামপুর কোর্টে গিয়েছিলাম স্টেশনে ফেরার টোটো ধরতেই দেখি একজন পুলিশ কনস্টেবল এসে বসলেন। সবকিছু ঠিক ই ছিলো হঠাৎ অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করলেন পুলিশ কর্মী টি। প্রথমে বললেন আজ আমার হিয়ারিং আছে কোর্টে অনেক শাক্ষী আছে। পাশেই কোর্ট অথচ কোর্টে যাওয়ার জন্য তাড়া করতে থাকেন এই কোনষ্টেবল। সন্দেহ হতে ওর সাথে কথা বলি। বুঝতে পারি অন ডিউটি এই কোনষ্টেবল মাদকাশক্ত নেশার ঘোর এতটাই যে কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কোর্ট থেকে উঠে শ্রীরামপুর স্টেশনের গ্যারাজের কাছে গুণধর কনস্টেবল নেমে যান। আরেকটু থাকলে হয়ত নামটি জানা যেতো। সেই সুযোগ হয়ত দেননি তিনি। স্থানীয় নিত্যযাত্রীরা জানান পুলিশ মদের ঘরে টলছে। কি বলছে কি করছে তার ঠিক থাকছে না। তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলা কিকরে ঠিক থাকবে। আজ অপরাধী রা এতটা দুঃসাহস পেয়েছে তো এরকম পুলিশকর্মীদের জন্যেই।

নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

ছবি
  নেপালের যুব আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি-অর্থনীতির ভবিষ্যৎ অয়ন মুখোপাধ্যায়  ভূমিকা নেপালের রাস্তায় তরুণদের ক্ষোভ এখন শুধু স্থানীয় আন্দোলন নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট করার মতো এক বিস্ফোরক বাস্তবতা। কাঠমান্ডুর রাজপথে পতাকা হাতে দাঁড়ানো এই প্রজন্ম একদিকে নিজেদের ভবিষ্যৎ দাবি করছে, অন্যদিকে গোটা দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থির করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: রেমিট্যান্সের উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র নেপালের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ হলো বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ। জাতীয় আয়ের এক-চতুর্থাংশের বেশি আসে রেমিট্যান্স থেকে। কিন্তু এই প্রবাস নির্ভরতা নেপালের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারকে দুর্বল করেছে। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন কমছে। শিল্পায়ন কার্যত স্থবির। শিক্ষিত তরুণদের বড় অংশ চাকরির জন্য দেশ ছাড়ছে। ফলে দেশের ভেতরে কোনো টেকসই অর্থনীতি গড়ে উঠছে না। এই শূন্যতা থেকেই জন্ম নিচ্ছে ক্ষোভ। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুব ক্ষোভ রাজতন্ত্র পতনের পর গণতন্ত্র এলেও নেপাল স্থিতিশীল হয়নি। জোট ভাঙা-গড়া, দুর্নীতি, এবং ক্ষমতার দৌড়ে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে বারবার। যুবকেরা আজ বুঝে গেছে—শুধু ক্ষমতার লড়াই ...