মহা ষষ্ঠীর পূজা চর্চা
শুভ্রজ্যোতি মজুমদার
🔴 আমার বন্ধু কোন্নগরের পুলক চক্রবর্তী লিখছেন, সুস্থ জীবন যতদিন বেঁচে থাকা মনে কিঞ্চিৎ আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকা এটাই অভিলাস এই মানসিকতা নিয়েই কোন্নগরে কানাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাশাই রায় পাড়ায় আরতী প্রিন্সেস নেস্ট বৃদ্ধাশ্রমে দুর্গাপুজো আয়োজন হয়েছে। প্রতিবছর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে মা দুর্গার পূজা হয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে বাবা-মায়েরা একরকম ছেলেমেয়েদের কাছে বোঝা। তাদের আজ অনেকেরই শেষ বয়সে ঠাঁই হয় বৃদ্ধাশ্রমে। রায়পাড়া বৃদ্ধাশ্রমের সদস্যরা প্রতিমা নিতে আসেন কুমোর বাড়ি থেকে শুক্রবার বিকালে। পূজোর আয়োজন সহ প্রতিমা মৃৎশিল্পীর কাছ থেকে তারাই মন্ডপে নিয়ে যায়। প্রতিবছর বৃদ্ধাশ্রমে সদস্যরা পিকআপ ভ্যানে নিয়ে আসেন প্রতিমা নিতে। প্রায় ৬০ জন সদস্য রয়েছেন তাদের কমিটিতে। এই বছর ফিতে কেটে পুজোর উদ্বোধন করেন মিতালি রায়,আরতী প্রিন্সেস নেস্ট বৃদ্ধাশ্রমে পুজোর একাধিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই পুজোর আয়োজন থেকে শুরু করে সমস্ত কাজের দায়িত্ব সামলান বৃদ্ধাশ্রমের মানুষজন। প্রতিবছর আন্তরিক বৃদ্ধাশ্রম এর দুর্গা পুজো কমিটির দুর্গাপুজোয় থাকে নানান চমক। এই পূজোকে ঘিরে এলাকার মানুষের মধ্যে চরম উৎসাহ থাকে। প্রতিবছর বৃদ্ধাশ্রমের কর্ণধার তাপস সরকার বলেন সারা বছর এই সময়টার অপেক্ষায় থাকি, দেবীর নাকের নথ, পায়ের নুপুর সোনার। সন্ধিপূজায় প্রশান্ত দত্ত এবং শ্রীমতি বর্ণালী সরকার বলেন তামার প্রকাণ্ড থালায় সন্ধি পুজোর নৈবেদ্য দেওয়া হয় তাতে থাকে আতপ চাল, গোটা ফল, নারকেল নাড়ু ও নানান মিষ্টান্ন, বিশাল থালা, পুষ্প পাত্র, গ্রামবাসীরাও পুজো দেন এই বৃদ্ধাশ্রমের পুজোয়। পুজোর এই কটা দিন বৃদ্ধাশ্রম এর এইসব মানুষগুলো আনন্দে মেতে থাকেন
🔴 আজকের আমার পরম প্রাপ্তি ৬ শতাব্দী পুরোনো প্ৰখ্যাত অ্যানাটমিস্ট শ্রী মধুসূদন গুপ্তের বাড়ির পৈতৃক দুর্গাপূজা দেখার।
এই রকম বিজ্ঞাপন দিতে
যোগাযোগ করতে পারেন
১ মাসের বিজ্ঞাপন খরচ
মাত্র ৩০০ টাকা
style="text-align: justify;">
















মন্তব্যসমূহ