বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে বেধড়ক মার খোদ কলকাতায়
বাংলা ভাষায় কথা বলার
অপরাধে বেধড়ক মার
খোদ কলকাতায়
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: এবার বাংলাদেশী সন্দেহে ও বাংলা ভাষা বলার অপরাধে বেধড়ক মার শেয়ালদায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারমাইকেল হোস্টেলের আবাসিক ছাত্ররা শিয়ালদায় কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছিলো। স্থানীয় হিন্দিভাষী অবাঙালি দোকানদারেরা 'বাঙালি ছাত্রদের' 'বাংলাদেশী' বলে বেধড়ক মারে। কিছু ছাত্রের আঘাত এতটাই গুরুতর তাদের কলকাতা মেডিকেল কলেজের আই সি ইউ তে ভর্তি করতে হয়। মুচিপাড়া থানায় এই ঘটনার প্রতিবাদে ডায়েরি হয়েছে। মুচিপাড়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান ছাত্ররা।
সাংস্কৃতিক কর্মী ও প্রবীন অধ্যাপক স্বপন চট্টোপাধ্যায় জানান- "এই বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরী হয়েছে গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে। যে বাংলাদেশী সন্দেহে মানুষকে মারা হচ্ছে। আসলে বাংলাদেশী মানে কি? বাংলাদেশ একটা দেশ আর পশ্চিমবঙ্গ বাংলাভাষী রাজ্য বাংলা ভাষাভাষী হলেই বাংলা বললেই যদি মারধর করা হয় এটা বিপজ্জনক প্রবণতা। খোদ পশ্চিমবাংলার মধ্যে যদি বাঙালি রা মার খায় আর এর পাল্টা যদি হয় তাহলে একতা অশান্তির বাতাবরণ তৈরী হবে রাজ্যে। "আমরা বাঙালি" বাঙালি জাতীয়তা মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। এটা একদল চাইছে কেন্দ্র রাজ্যের সরকার এগুলো চাইছে। আকণ্ঠ নিমজ্জিত দুর্নীতি ও শোষণ থেকে মানুষের নজর ঘোরাতে একটা প্রাদেশিক বিচ্ছিন্নতার প্রবণতা কে হওয়া দেওয়া হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তিকে পথে নামতে হবে যেমন। সমস্ত সাংস্কৃতিক কর্মী লেখক শিল্পী বুদ্ধিজীবী দের পথে নেমে এই হিংসার বিরুদ্ধে মানবতার কথা সুচারু ভাবে প্রচার করতে হবে।"
এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন
খরচ মাত্র ৩০০ টাকা।


style="text-align: justify;">

.jpg)
মন্তব্যসমূহ