সংস্কৃত ভাষার উৎকর্ষতা অক্ষুন্ন রাখতে মধুশান্তা প্রাচ্য প্রতিষ্ঠানমের ২১ তম বার্ষিক অনুষ্ঠান
সংস্কৃত ভাষার উৎকর্ষতা অক্ষুন্ন
রাখতে মধুশান্তা প্রাচ্য
প্রতিষ্ঠানমের ২১ তম
বার্ষিক অনুষ্ঠান
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: ১লা ভাদ্র,১৪৩২(১৮ই আগষ্ট,২০২৫), সোমবার, বিকালে হুগলী জেলার বৈদ্যবাটী পৌরসভার ১৬নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন ১৫৬,এস.সি.এম.রোডের হরি-করুণা ভবন-এ মধুশান্তা প্রাচ্য প্রতিষ্ঠানমে'র ২১তম বর্ষ সূচনার অধিবেশন অনুষ্ঠিত হ'ল। সভায় উদ্বোধক,সভাপতি,প্রধান অতিথি,বিশেষ অতিথি,বিশিষ্ট অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে কর্ম্মকাণ্ডী ভবানী ভট্টাচার্য্য,বিশিষ্ট ছড়াকার শান্তিপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়,পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতি'র প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক তথা প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তপন কুমার রায়,সমাজসেবী সুমনা ঘোষ,বিশিষ্ট কবি মীনা রায় বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অংশুমান চক্রবর্তী,বিজয় দেবনাথ,রাজা দেবনাথ,অরিজিৎ শীল,প্রকাশ চক্রবর্তী। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শ্রেয়া শীল ও সৌমিত্র মুখার্জী। প্রদীপ ও ধূপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ প্রদান ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রতিষ্ঠানমে'র প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক তথা অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সঞ্চালক পণ্ডিত বিদ্যুৎ বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নবমিতা ঘোষের সহযোগিতায় আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন প্রতিষ্ঠানমে'র প্রচার ও প্রকাশনা সচিব মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায়। সকল বক্তাই তাঁদের বক্তব্যে সংস্কৃত ভাষাচর্চ্চার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন,সংযমের মধ্য দিয়ে সংস্কৃত না হতে পারলে সংস্কৃত ভাষাকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।
div>এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন
খরচ মাত্র ৩০০ টাকা।


style="text-align: justify;">

.jpg)
মন্তব্যসমূহ