নাগরিক সমাজের বিক্ষোভ চন্দননগর পৌরনিগমের সামনে
নাগরিক সমাজের বিক্ষোভ
চন্দননগর
পৌরনিগমের সামনে
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো: চন্দননগর পৌরনিগমের সামনে বিক্ষোভ চন্দননগরের নাগরিক দের। রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা, যত্র তত্র বে আইনি ভাবে পুকুর বোজানোর বিরুদ্ধে ও চন্দননগর রেল স্টেশনের উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসন চেয়ে শুক্রবার এই বিক্ষোভ হয়। নাগরিকরা জানান আমরা দেখেছি যে হকার ভাই র দোকানে আমরা স্টেশনে আড্ডা দিতাম চা খেতাম তাদের দোকান ভেঙে দিয়েছে রেল। ত্রিশ বছর বা তারও বেশি যারা হকারি করে খাচ্ছেন তাদের দোকান ভেঙে দিয়েছে। শ্রীরামপুরে যে হকার ভাই দের দোকান ভেঙেছে তাদের দায়িত্ব নিয়েছে শ্রীরামপুর পৌরসভা। তাহলে চন্দননগর পৌরনিগম কেন নেবেনা? চন্দননগরের নাগরিক আন্দোলনের একটা সুদীর্ঘ ইতিহাস আছে। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসিত ভারতে যখন ফরাসী শাসিত চন্দননগর ছিলো বিপ্লবের তীর্থ। চন্দননগরে গোন্দলপাড়ায় ভারতীয় বিপ্লবী দের চার্লস টেগার্টের পুলিশ গ্রেফতার করতে বাহিনী নিয়ে এসেছিলো। সেদিন বিপ্লবী দের সাথে গুলির লড়াই এ শহীদ হয়েছিলেন বিপ্লবী মাখলাল ঘোষাল। চন্দননগরের নাগরিক রা বিশাল শব যাত্রায় সামিল হয়েছিলেন। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো চন্দননগর। আর জি করে ধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে চন্দননগরের নাগরিক রা রাতের রাস্তার দখল নিয়েছেন এমন জনসমাবেশ হয়েছে যা চন্দননগরের ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পূজা দেখতে আশা দর্শণার্থী দের সমতুল্য। মানুষের প্রতিবাদে সদা সর্বদা মুখরিত চন্দননগর। ইতিহাস বলছে নাগরিক আন্দোলন সমাজ বদলের লড়াই কে ত্বরান্বিত করে এসেছে। তাহলে কি নাগরিক আন্দোলনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গেও কিছু বদলের আশা আছে? প্রশ্নের উত্তর হয়ত সময় দেবে। তবে দুর্নীতির প্রতিবাদে চন্দননগরের নাগরিক দের প্রতিবাদ অবশ্যই রাজ্যের বুকে একটা নজির স্থাপন করার মতো ঘটনা।
style="text-align: justify;">


মন্তব্যসমূহ