মধু কবির কীর্তির পুনরাবৃত্তি মালদার স্কুলে
মধু কবির কীর্তির
পুনরাবৃত্তি
মালদার স্কুলে
ভারতের কণ্ঠ ব্যুরো : বহু বছর আগে পটলডাঙ্গা রোড হয়ে প্রেসিডেন্সির কাছে একটি জুড়িগাড়ি নামে। রাস্তার ধারে বিপুল আয়তন জটলা। মধ্যপ এক ছাত্রের প্রলাপ শুনতে মশগুল মধ্য যুগের কলকেতা বাসী। হাতে ব্র্যান্ডির বোতল উড়নচন্ডী চেহারা। হিন্দু কলেজ অর্থাৎ আজকের প্রেসিডেন্সি কলেজে এই দৃশ্য ভাবলে অবাক লাগবে। টলতে সটান পরীক্ষার হলে। খসখস করে দুকলম লিখে অজ্ঞান। ইংরাজি ও বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি মধুসূদন এভাবেই তার স্মৃতি বঙ্গদেশে রেখে গেছেন।
এবার সেই দৃশ্য ই চোখে পড়লো মাধ্যমিক পরীক্ষায়। মালদা শহরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষার্থী মদ্যপ অবস্থায় পরীক্ষায় বসেছিলো। মালদার একটি অভিজাত স্কুলের ছাত্র হলেও অন্য স্কুলে পরীক্ষার সিট পড়েছিল। এক পরীক্ষকের নাকে তীব্র মদের গন্ধ আসায় ছেলেটিকে আলাদা করে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। জানা গিয়েছে ছেলেটির স্কুল থেকে মৃদু শাসন করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মন্দিরে মদ খেয়ে ঢুকে পরীক্ষা দেওয়া অবশ্যই অন্যায়। মধু কবি অসম্ভব মেধাবী ছিলেন অমিত্রাক্ষর ছন্দ লিখেছিলেন। সেই মহান কবির পরিণতি কতটা করুন ছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ছেলেটি মেধাবী কিনা জানিনা তবে মধু কবির জীবনের মতো পরিণতি ছেলেটির না হলেই মঙ্গল।


মন্তব্যসমূহ