ভাঙড়ের কাঠালিয়ায় সিটি অফ জয় ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রেজেন্টেশন শেখাতে কর্মশালা
ভাঙড়ের কাঠালিয়ায় সিটি
অফ জয় ইন্টারন্যাশনাল
স্কুলে প্রেজেন্টেশন
শেখাতে কর্মশালা
পুলক চক্রবর্তী, ,ভাঙড়, ১৭ই নভেম্বর: ভাঙড়ের পূর্ব কাঠালিয়ায় সিটি অফ জয় ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সোমবার সারাদিনব্যাপী এক অনন্য কর্মশালার আয়োজন করা হল। দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল থেকে আসা ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় এই কর্মশালায়। মূল লক্ষ্য—বাচ্চাদের প্রেজেন্টেশন তৈরির কৌশল শেখানো, স্পষ্টভাবে কথা বলা এবং নিজের ভাবনা যথাযথভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা গড়ে তোলা।স্কুলের পক্ষ থেকে শিক্ষক বুলবুল হোসেন জানালেন, “শিক্ষার্থীরা যেন যোগাযোগ রক্ষার দক্ষতা বাড়াতে পারে, নিজেদের মতামত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন করতে শিখতে পারে—এই উদ্দেশ্য নিয়ে এমন কর্মশালার আয়োজন।”দিনভর কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন শিস (সাউদার্ন হেল্থ ইমপ্রুভমেন্ট সোসাইটি)-এর ডিরেক্টর, এডভোকেট ও বঙ্গভূষণ এম. এ. ওয়াহাব, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য, শিসের প্রেসিডেন্ট সাবিত্রী পাল, কিশোর ভারতী স্কুলের প্রধান শিক্ষক পলাশ গাঙ্গুলি, শিক্ষিকা ইয়াসমিন বানু, শিক্ষক অরবিন্দ মণ্ডল এবং সুইজারল্যান্ডের সমাজসেবী এস্তে এল হ্যাবেগার।অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য বলেন, “আজকের দিনে ছাত্রছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা তৈরি করা, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার অভ্যাস—সবই অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের কর্মশালা সেই দিকেই বড় পদক্ষেপ।”ভাঙড়ের শিক্ষা-পরিবর্তনের ছবি তুলে ধরে এডভোকেট ওয়াহাব বলেন, “একসময় ভাঙড় মানেই মানুষের চোখে ছিল ভিন্ন চিত্র। কিন্তু এখন গোটা রাজ্যের মানুষ ভাঙড়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে গর্ব করতে পারে। আজ আমাদের গ্রামাঞ্চলের ছেলেমেয়েরা যে দক্ষতার সঙ্গে প্রেজেন্টেশন করেছে, তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। প্রকৃতি-পরিবেশ থেকে শুরু করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রাজনীতি—সব ক্ষেত্রেই তারা স্পষ্ট মতামত প্রকাশ করেছে।”ছাত্রছাত্রীদের উচ্ছ্বাস, কর্মশালার প্রাণবন্ত পরিবেশ এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা—সব মিলিয়ে দিনভর এই উদ্যোগে দারুণ সাড়া পড়ে। সিটি অফ জয় ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এমন প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে আয়োজিত হবে।ঐশি ইসলাম, কিশোর ভারতী স্কুল, শ্রেয়সী মণ্ডল, হাওয়ার্ড মেমোরিয়াল স্কুল, মাহাদি হাসান — এম. এস. একাডেমি, আনজুম ফারহাদ — পরসপদ্ম মিশন, সোহান মোল্লা, শিস শিশু বিকাশ একাডেমি তাদের বেস্ট পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষক বুলবুল হোসেন।
style="text-align: justify;">










মন্তব্যসমূহ