বৃহত্তর সাংগঠনিক অপরাধ চক্রের কীর্তি আর জি কর থেকে সিঙ্গুর
বৃহত্তর সাংগঠনিক অপরাধ
চক্রের কীর্তি
আর জি কর থেকে সিঙ্গুর
শ্রী মহাকাল ভৈরব
আমি অভয়া কাণ্ডের পরেও বলেছিলাম এগুলো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি শুধু না এটা হল বৃহত্তর সংগঠিত অপরাধের নমুনা। একের পর এক ঘটে যাওয়া কান্ড সেটাই প্রমান করে দিচ্ছে।
মার ধোর প্রবল গতিতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দৌড় ফিল্মের মতো করে লাশ নিয়ে হুলুস্থূল কান্ড শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে। সকাল তখন এগারোটা বিশাল পুলিশ বাহিনী মর্গের কাছে। প্রেসক্রিপশন বা আইডি কার্ড ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কাউকেই। মর্গের কাছে প্রতিবাদীরা লাগাতার দাবী জানাচ্ছেন এখানেই ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্ত হোক। স্থানীয় এক সূত্র থেকে উড়ো খবর আসে ডেড বডি ওয়ালশ থেকে স্থানান্তর করা হতে পারে। তখন বেলা ১১ টা বেজে ৫৫ মিনিট একদল RAF হাসপাতালে প্রবেশ করে। ততক্ষনে পরিষ্কার ময়না তদন্ত হবেনা আর। এরই মাঝে পুলিশের একজন উচ্চ পদস্থ আধিকারিক কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান আমরা কিছু বলতে পারবো না। ডাক্তারেরা যা বলবে তাই করবো। ঘন্টা খানেক প্রতিবাদীদের সঙ্গে পুলিশের কথাকাটাকাটি হয়। এরই মধ্যে ওয়ালশের মূল গেটের সামনে একদল বিক্ষোভেকারী জড় হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পুলিশ ও RAF লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারী দের সরানোর চেষ্টা করে। একজন বিক্ষোভ কারীর হাত কেটে যায়। বেধড়ক মার খান বিক্ষোভ কারীরা। যেন চলন্ত সিনেমা। পুলিশের প্রিজন ভ্যান কর্ডন করে বের করে দেয় দেহ বাহি অ্যাম্বুলেন্স কে।
প্রশ্ন হল গত পরশু রাতে ঐ হাসপাতালে এমন কি হয়েছিলো যেটা ধামাচাপা দিতে মরিয়া সরকার। কেন একটা অস্বাভাবিক ভাবে মৃত নার্সের ময়নাতদন্ত এড়ানোর জন্য সরকারের পুরো কাঠামো কে নামতে হল? আর জি করের ঘটনাতেও যে ছবি দেখা গিয়েছিলো এখানেও সেই এক ছবি কেন?
তেলের মোড়ে একটি নার্সিংহোম সেখানে একজন ট্রেনি নার্স কাজ পেয়েছিলেন কয়েক মাস হল এমন কি হতে পারে যে তার ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যাবে? কি এমন হল? আর জি করের মতো দুর্নীতির আখড়া কি এখন জেলার নার্সিংহোমেও গড়ে উঠেছে? তাহলে কি অঙ্গ পছরের বৃহত্তর চক্র কে আড়াল করতেই খুন?
বলার কারণ আছে ২০১৬ সালের ৮ জুন বিবিসি একটি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে যেখানে টি রাজকুমার রাও নামের একজন অঙ্গ পাচার চক্র কে গ্রেফতার করা হয়। যা নিয়ে হুলুস্থূল পড়ে গিয়েছিলো গোটা রাজ্যে। তখন পয়সার লোভ দেখিয়ে গরীব দের টার্গেট করে কিডনি বের করে নেওয়া হত। ফ্রিডম ইউনাইটেড নামক একটি স্বেচ্ছাসেবি সংস্থার অনলাইন জার্নালে কলকাতার একটি নামী হাসপাতালে বে আইনি মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল ১৭ জানুয়ারি ২০২৩ তার পর থেকে কেমন জানি অঙ্গ পাচার নিয়ে তেমন খবর প্রকাশ হয়না মূল ধারার সংবাদমাধ্যমে। অথচ বিদেশের তাবড় অনলাইন জার্নাল বলছে কোভিড কাল ছিলো বে আইনি মানব অঙ্গ পাচারের শ্রেষ্ঠ সময়।
তাহলে অস্বাভাবিক মৃত্যু গুলোর পেছনে কোন বৃহত্তর ষড়যন্ত্র নেই তো?
কাল একটা অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়লো একজন বিক্ষোভকারী দেখালেন ওয়ালশ হাসপাতালের মর্গের পেছনে একটি মাত্র সিসিটিভি রয়েছে সেটাও ভাঙ্গা। কে ভাঙলো? কেন ভাঙলো? আর জি করের ঘটনার পর আন্দোলনকারী ডাক্তারেরা বলেছিলেন সমস্ত হাসপাতালে পর্যাপ্ত সিসিটিভি বসাতে হবে। সেটা কেন হলনা? এত তাড়াহুড়ো করে মেয়েটির দেহ নিয়ে যেতে RAF পুলিশ জোগাড় করা হল কেন? আদৌ কি ময়না তদন্ত হবে নাকি দে লোপাট করে দেওয়া হবে? একটি ডাক্তারের মৃত্যু তারপর আবার একটি নার্সের মৃত্যু অনেক কিছু বলে দিচ্ছে কিন্তু আমরা কিন্তু দেখেও দেখছি না। তাইকি?
class="separator" style="clear: both; text-align: center;">.jpg)
এরকম বিজ্ঞাপন দিতে ইচ্ছুক হলে
আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন
খরচ মাত্র ৩০০ টাকা।


style="text-align: justify;">

মন্তব্যসমূহ